নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কার হাতে যাচ্ছে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে মিটিংয়ে আলোচনা হবে। রেজুলেশন হয়ে আমার (মন্ত্রী) কাছে আসবে। সেই রেজুলেশনের সিদ্ধান্ত কি মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত? এটা কি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, নাকি এটা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত, নাকি এটা কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত?’
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর বার্ক অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুতে এসব কথা বলে শিক্ষামন্ত্রী।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটির হাতে দেওয়ার উদ্যোগের প্রতিবাদে মিছিলের সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘রাতে শুনলাম যে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল হচ্ছে। এমপিও শিক্ষকদের নিয়োগ ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি মিটিংয়ের রেজুলেশনের আলোচনার জায়গাটুকু কেটে মন্ত্রণালয়ের কোনো গুপ্ত লোক কাউকে দিয়েছে। কিন্তু তার নিচে যে রয়েছে, মন্ত্রী সেটা দেখবেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন, তারপরে সেটার প্রজ্ঞাপন জারি হবে। সে জায়গাটুকু না দিয়ে পত্রিকায় নিউজ ছাপানো হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কেউ একবারও ভাবলো না। চিলে কান নিয়ে গিয়েছে, শুনে চিলের পেছনে দৌঁড়াচ্ছে। একবারও কানে হাত দিয়ে দেখে না, আমার কানটা চুরি হয়েছে কি না।’
স্কুলগুলোতে শিক্ষক নেই উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাইমারি স্কুলে ৩৮ হাজার হেডমাস্টার (প্রধান শিক্ষক) নেই। কলেজগুলোতে কোনো টিচার নেই। ১২ হাজার টিচার সরকারি স্কুলগুলোতে শর্টেজ (কম) রয়েছে। ৫০ হাজার শর্টেজ (কম) রয়েছে প্রাইমারি স্কুলে। ৭৭ হাজার শর্টেজ রয়েছে এমপিওভুক্ত স্কুল অ্যান্ড কলেজে। এগুলো কি গত পাঁচ মাসে হয়েছে? এটাও সাংবাদিক ভাইদের জানতে হবে।’
Posted ৪:১২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
Desh Arthonity | Rina Sristy
Lk Cyber It Bd