রবিবার ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়েও ধান কেনা হবে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ০৯ মে ২০২৬ | প্রিন্ট

কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়েও ধান কেনা হবে: কৃষিমন্ত্রী
image_pdfimage_print

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে ধান কিনতে সরকার ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পর্যায়েও ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চালু করবে। তিনি বলেন, কৃষকদের কষ্টে ফলানো ফসল হারানোর বেদনা অনেক। তাই সরকার কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের মেদির হাওর পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিএনপি সরকার কৃষকদের গুরুত্ব দিয়ে দেখে। তাই তাদের উন্নয়নে বহুমাত্রিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

ভেজা ধান সরকারি গুদামে সংগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে জেলা পর্যায়ে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিং করে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার উদ্যোগ নেয়া হবে, যাতে তারা ন্যায্য মূল্য পান।

কিশোরগঞ্জের অল ওয়েদার সড়ক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ওই সড়কের কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি কাজ করছে। কোথাও সমস্যা পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরিদর্শনের সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল সহায়তা কার্যক্রম উদ্বোধনের কথাও জানান মন্ত্রী।

এদিকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় মেদির হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের পানি কিছুটা কমেছে। পানির নিচে থাকা ধানি জমি এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে কৃষকদের মধ্যে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকেরা কেটে আনা ধান শুকাতে পারছেন।

তবে এখনো অনেক জমি পানির নিচে থাকায় বিপুল পরিমাণ ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করা হয়েছে।

চলতি মৌসুমে নাসিরনগর হাওরে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঢলের পানিতে ৩০৫ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। এর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টাকা। তবে কৃষকদের দাবি, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৮:২৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

Desh Arthonity |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
প্রধান সম্পাদক
তুহিন ভূঁইয়া
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আজাদুর রহমান
Contact

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

Phone: 01718-742422, 01911-539414

E-mail: desharthonity@gmail.com

Lk Cyber It Bd