মঙ্গলবার ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

নন-বাসমতী চাল রফতানির অনুমতি দিল ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৩ | প্রিন্ট

নন-বাসমতী চাল রফতানির অনুমতি দিল ভারত
image_pdfimage_print

ভারত সরকার ২০ জুলাই নন-বাসমতী সাদা চাল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দেশটির বন্দরগুলোয় অনেক চাল আটকা পড়ে। এসব চাল রফতানির অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়।

ভারত নন-বাসমতী চালের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় বড় ধরনের ধাক্কা খায় শস্যটির আন্তর্জাতিক বাজার। এ নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। এর আগে গত বছর ভারত ভাঙা চাল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

রফতানি নিষেধাজ্ঞার কারণে হাজার হাজার টন নন-বাসমতী সাদা চাল দেশটির বিভিন্ন বন্দরে আটকে আছে। এর ফলে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়ছেন।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের মহাপরিচালক জানান, ২০ জুলাই পর্যন্ত যেসব ব্যবসায়ী রফতানি শুল্ক পরিশোধ করেছেন, তাদের আটকে থাকা কার্গোগুলোকে রফতানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

জুলাইয়ে দেয়া নিষেধাজ্ঞার আগে নন-বাসমতী সাদা চাল রফতানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করতে হতো। ভারতীয় চাল রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট প্রেম গার্গ বলেন, ‘বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের আদেশের পর ভারতের বিভিন্ন বন্দর থেকে রফতানি গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে প্রায় দেড় লাখ টন চাল বোঝাই জাহাজ।’

তিনি আরো বলেন, ‘কান্ডলা বন্দরে তিনটি জাহাজ আটকে আছে। অনেক কনটেইনার আটকে আছে বিভিন্ন বন্দরে। এর ফলে চাল শিল্প ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়েছে।’

বৈশ্বিক চাল রফতানির ৪০ শতাংশ অবদানই ভারতের। আফ্রিকা ও এশিয়ার দরিদ্র কিছু দেশসহ দেড়শরও বেশি দেশে ভারত শস্যটি রফতানি করে। ২০২২ সালে নয়াদিল্লি ২ কোটি ২২ লাখ টন চাল রফতানি করেছিল।

এদিকে নন-বাসমতী সাদা চাল রফতানি বন্ধের পর গত শুক্রবার সেদ্ধ চালের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। অন্যদিকে বাসমতী চালের ন্যূনতম মূল্য বেঁধে দেয়া হয়। সরকারসংশ্লিষ্টরা জানান, অনেক ব্যবসায়ী বাসমতী চালের নামে নন-বাসমতী চাল রফতানি করছিলেন। এটি বন্ধের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়।

এদিকে ভারতের চাল রফতানি নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। শস্যটির দাম বর্তমানে ১৫ বছরের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে।

প্রেম গার্গ বলেন, ‘বন্দরে আটকে থাকা জাহাজগুলো ছাড়ার অনুমতি দেয়ায় শুধু ভারতের সরবরাহকারীরাই নয়, বরং যেসব দেশে চালের ব্যাপক আমদানি চাহিদা রয়েছে, তারাও উপকৃত হবে। আটকে থাকা এসব চালবাহী জাহাজের বেশির ভাগেরই গন্তব্য পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলো।’

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:৩৬ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৩

Desh Arthonity |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
প্রধান সম্পাদক
তুহিন ভূঁইয়া
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আজাদুর রহমান
Contact

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

Phone: 01718-742422, 01911-539414

E-mail: desharthonity@gmail.com

Lk Cyber It Bd