মঙ্গলবার ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

ছিনতাইয়ের পর গার্মেন্টস কর্মীকে হত্যা : ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট

ছিনতাইয়ের পর গার্মেন্টস কর্মীকে হত্যা : ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
image_pdfimage_print

চার বছর আগে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সায়মন নামে এক গার্মেন্টস কর্মীর টাকা, মোবাইল ছিনতাইয়ের পর খুনের মামলায় তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-১৩ এর বিচারক জাহিদুল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। এছাড়া চোরাই মোবাইল কেনার দায়ে সুজন নামের একজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদী হাসানকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এদিন রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা তিন আসামি ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।মামলার বিবরণে বলা হয়, সায়মন মিরপুর-১ নম্বরে সনি সিনেমা হলের পেছনে লিবার্টি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতো।

২০২২ সালের ১১ অক্টোবর অফিস থেকে বেতন তুলে দুই সহকর্মী রিফাত হোসেন রাব্বি ও হৃদয় হাসানের সঙ্গে কেনাকাটা করতে মিরপুর-১ এ যান তিনি। কেনাকাটা শেষে রাত ৯টার দিকে বাসায় ফেরার পথে, অজ্ঞাতপরিচয় তিন ছিনতাইকারীর একজন আড়ং শপিং সেন্টারের সামনে সায়মনকে বলেন, সে নাকি তার ছোট ভাইকে মেরেছে। ‘কথা আছে’ বলে সায়মান ও রিফাতকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রূপায়ন টাওয়ারের সামনে থেকে রিকশায় করে দারুস সালাম থানার কোনাবাড়ি হয়ে কাঁচাবাজারের সামনে নিয়ে যায়। শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের কাঁচাবাজারের সামনে রিফাতকে নামিয়ে দেওয়া হয় রিকশা থেকে। আর সায়মনকে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের ভেতর নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিন ছিনতাইকারী চাকু বের করে ভয় দেখিয়ে সায়মনের কাছে যা যা রয়েছে দিয়ে দিতে বলে।

সায়মন মোবাইল ও টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। সায়মনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে দারুস সালাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল নিজের কাছে রাখার অপরাধে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন দারুস সালাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহান আহমেদ।

২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এ মামলায় বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ২:২২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

Desh Arthonity |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১
প্রধান সম্পাদক
তুহিন ভূঁইয়া
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আজাদুর রহমান
Contact

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

Phone: 01718-742422, 01911-539414

E-mail: desharthonity@gmail.com

Lk Cyber It Bd