নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট
দেশে বা বিদেশে সঠিক, পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য তথ্য বা প্রতিবেদনের অভাবে বাংলাদেশ থেকে কী পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে তার প্রকৃত ও সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করা অত্যন্ত কঠিন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৪ জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন লিখিত প্রশ্ন টেবিলে উত্থাপিত হয়। বিকাল ৩টায় শুরু হওয়া জাতীয় সংসদের বৈঠকে এই পর্যায়ে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
নেত্রকোনা-৫ সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে অবৈধভাবে পাচারকৃত টাকার মোট পরিমাণ কত? কী পরিমাণ টাকা ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং তা কোন খাতে ব্যয় হচ্ছে?
উত্তরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে বিভিন্ন জটিল পদ্ধতি অবলম্বন করে বিদেশে পাচার করা হয়ে থাকে এবং এই বিষয়ে দেশে বা বিদেশে সঠিক, পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য তথ্য বা প্রতিবেদনের অভাবে বাংলাদেশ থেকে কী পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে তার প্রকৃত ও সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করা অত্যন্ত কঠিন।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকা)। এই অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ বাংলাদেশের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, রফতানি ও রেমিট্যান্স আয়ের এক-পঞ্চমাংশ বা ২০ শতাংশ, বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয়ের প্রায় ১১ দশমিক ২ শতাংশ, নীট বৈদেশিক সহায়তা এবং এফডিআই প্রবাহের প্রায় দ্বিগুণ।”
Posted ৫:৪৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
Desh Arthonity | Rina Sristy
Lk Cyber It Bd