নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট
শেয়ারবাজারে কারসাজির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের মামলার প্রতিবেদন দাখিলে দুই মাস সময় পেল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।
তবে এদিন দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। তাই প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।
দুদকের সহকারী পরিচালক (প্রসিকিউশন-সার্বিক) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের সাবেক উপনিবন্ধক মো. আবুল খায়ের (হিরু) ও তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মো. বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, মো. জাহেদ কামাল, মো. হুমায়ুন কবির ও তানভির নিজাম।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। পরিকল্পিতভাবে শেয়ারবাজারে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন। শেয়ারবাজারের প্রচলিত আইন (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ১৭ ধারা) লঙ্ঘন করে বাজারে গুজব ছড়িয়ে কারসাজি চালান তারা। এভাবে শেয়ারবাজার থেকে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করে আসামিরা নিজেদের বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তা উত্তোলন করেন।
সাকিব আল হাসানের সংশ্লিষ্টতা প্রসঙ্গে এজাহারে বলা হয়, প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইনস্যুরেন্স ও সোনালী পেপারস লিমিটেড— এই তিন কোম্পানির কারসাজি করা শেয়ারে সাকিব বিনিয়োগ করে প্রতারণায় যোগ দেন। এর মাধ্যমে তিনি ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বেশি ‘রিয়েলাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ নামে অপরাধলব্ধ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
Posted ৩:১৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
Desh Arthonity | Touch Tuhin
Lk Cyber It Bd