শনিবার ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চালের মজুত পর্যাপ্ত, কারসাজি না হলে দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০২৩ | প্রিন্ট

চালের মজুত পর্যাপ্ত, কারসাজি না হলে দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই
image_pdfimage_print

সেদ্ধ চালের দাম স্থির, পোলাওর চাল কেজিতে বেড়েছে সর্বোচ্চ ১০ টাকা

চাল রপ্তানিতে ভারত একের পর এক বিধিনিষেধ আরোপ করছে। সম্প্রতি মিয়ানমারও রপ্তানি বন্ধের আভাস দিয়েছে। এতে উদ্বেগ বাড়ছে চাল আমদানিকারক দেশগুলোতে। তবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এর কোনো আঁচ লাগেনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধান-চালের পর্যাপ্ত মজুত আছে। বাজারে প্রভাব পড়বে না।

সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বোরো ফলন ভালো হওয়ায় সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ধান-চালের পর্যাপ্ত মজুত আছে। এই চাল শেষ হওয়ার আগেই কৃষকের ঘরে উঠবে আমন ফসল। তাই আমদানির প্রয়োজন হবে না। সরকারের এমন বক্তব্যকে সমর্থন করছেন চালকল মালিক ও ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, দেশে এই মুহূর্তে যে পরিমাণ ধান ও চাল মজুত আছে, তাতে কোনো দেশ রপ্তানি বন্ধ করলেও প্রভাব পড়বে না। ভোক্তা অধিকার নিয়ে যারা কাজ করেন তারাও মনে করেন, কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কারসাজির চেষ্টা না করলে বাজার অস্থির হবে না।

ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় চাল রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্ববাজারে মোট চালের ৪০ শতাংশই সরবরাহ করে দেশটি। অভ্যন্তরীণ বাজার স্বাভাবিক রাখতে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে ভারত আতপ চাল (নন-বাসমতী হোয়াইট রাইস) রপ্তানি বন্ধ করে। গত শুক্রবার নতুন করে সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। ভারত সরকার বলেছে, ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত এ শুল্ক বহাল থাকবে। নিজেদের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাল রপ্তানিতে শিগগিরই সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা করছে মিয়ানমারও। তবে দেশটির রপ্তানি কম। এসব সিদ্ধান্তে কিছুটা অস্থির হয়ে উঠছে চালের আন্তর্জাতিক বাজার।

উৎপাদন ভালো হলেও বাংলাদেশকে প্রতিবছর চাল আমদানি করতে হয়। এর বেশির ভাগই আসে ভারত থেকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে ১০ লাখ ৫৬ হাজার টন চাল আমদানি করা হয়েছে।

মাসখানেক ধরে দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল। গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট ও তেজকুনিপাড়ায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোটা তথা গুটি স্বর্ণা ও চায়না ইরি জাতের চালের কেজি ৫০ থেকে ৫২ টাকা, মাঝারি (পাইজাম, লতা ও বিআর-২৮ জাত) চাল ৫৩ থেকে ৫৬, চিকন বা মিনিকেট চালের কেজি মানভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইল চাল কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা।

Facebook Comments Box
বিষয় :
advertisement

Posted ১:২০ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০২৩

Desh Arthonity |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
প্রধান সম্পাদক
তুহিন ভূঁইয়া
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আজাদুর রহমান
Contact

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

Phone: 01718-742422, 01911-539414

E-mail: desharthonity@gmail.com

Lk Cyber It Bd