নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট
তুরাগ নদীদূষণ প্রতিরোধে গাজীপুরের টঙ্গীর ভাদাম ও নিশাতনগর এলাকায় নদীদূষণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানে চারটি কারখানার তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের উদ্যোগে এবং গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মনিটরিংকালে ইটাফিল ডাইং অ্যান্ড এক্সেসরিজ লি., অরবিট প্রসেসিং মিলস প্রা. লি., অনামিকা ওয়াশিং অ্যান্ড ডাইং এবং ক্রসলাইন নিট ফেব্রিক্স লি. পরিদর্শন করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানগুলোর তরল বর্জ্য পরিশোধনের পর ড্রেনের মাধ্যমে তুরাগ নদীতে নির্গমনের বিষয়টি দেখা যায়। পরে কারখানাগুলোর তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোকজনের উপস্থিতিতে সিলগালা করা হয়।
অভিযানে অনামিকা ওয়াশিংয়ের ইটিপি (Effluent Treatment Plant) প্রয়োজনের তুলনায় ছোট বলে পরিলক্ষিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় তিন বছর ধরে নতুন ইটিপি নির্মাণের চেষ্টা করছে বলে জানালেও এর দৃশ্যমান অগ্রগতি পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ইটাফিল ডাইং কর্তৃপক্ষ তাদের প্রায় ৫০ শতাংশ পানি পুনর্ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট পানি পরিশোধনের পর নদীতে নির্গমন করে বলে জানিয়েছে।
সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। গবেষণার ফলাফল পাওয়ার পর প্রচলিত পরিবেশ আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচল রাখার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নদী ও জলাশয় দূষণ রোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের পরিদর্শন, নজরদারি ও আইনগত কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
মনিটরিং কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শেখ মোজাহিদ।
Posted ৬:০০ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
Desh Arthonity | Touch Tuhin
Lk Cyber It Bd