নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট
বিদেশে উচ্চশিক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী মো. খায়রুল বাশারের প্রায় ৩৩ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সিআইডির আবেদনের পর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এ আদেশ দেন।
রোববার (১২ জুলাই) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী মো. খায়রুল বাশার বাহার ও তার সহযোগীরা পারস্পরিক যোগসাজশে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আমেরিকা, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বল্প খরচে ও দ্রুত সময়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গুলশান থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তকালে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে গত বছরের ১৪ জুলাই ধানমন্ডি থানা এলাকা থেকে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে উঠে এসেছে প্রতারণার অর্থ দিয়ে খায়রুল বাশার রাজধানীর ভাটারা এলাকায় বড় স্ত্রীর নামে একটি ফ্ল্যাট, দ্বিতীয় স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ডোনার নামে শেলটেক বিথীকা প্রকল্পে একটি ফ্ল্যাট, নিজের নামে রাজাবাজার এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট এবং আজিজ সড়কে জি+৭ তলা ও জি+৬ তলা বিশিষ্ট দুটি বাড়ি কিনেছেন। এছাড়া তার নিজের ও প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৩ হাজার ৪৮২ দশমিক ৫ শতাংশ জমিও রয়েছে। এসব সম্পদের দলিলমূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।
জসীম উদ্দিন খান বলেন, সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের আবেদনের পর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত আসামির নামে থাকা এসব স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, খায়রুল বাশার নিজেকে শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিলেও বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সহযোগিতায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে তার নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা আরও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান করছে সিআইডি।
Posted ৮:০৮ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
Desh Arthonity | Rina Sristy
Lk Cyber It Bd