নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ০২ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কৃষি খাতে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া হলেও মৎস্য ও পোলট্রিতে এখনো শিল্পকারখানা হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ খাতে বিদ্যুৎ বিল কমাতে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। কিন্তু দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যনিরাপত্তার বৃহত্তর স্বার্থে এ খাতে ভর্তুকি প্রয়োজন।
শনিবার (১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর চৌধুরী অডিটোরিয়ামে ‘ক্যাব যুব সংসদ-২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
ভর্তুকির বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা আরও বলেন, জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এখানে টাকার অঙ্ক দেখে পিছিয়ে থাকা যাবে না। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এখন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) অনুমোদন দিলে পুরো প্রক্রিয়া সহজ হবে।
বিদ্যুৎ খাতে বৈষম্যের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, রাঙামাটিতে ২২০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও স্থানীয় মানুষ সেই সুবিধা পায় না। সেই এলাকায় এখনো দিনে ৫-৬ বার লোডশেডিং হয়। রাজধানীতেও নিম্নবিত্ত এলাকায় লোডশেডিং থাকলেও উচ্চবিত্ত এলাকায় তা নেই। এ ধরনের বৈষম্য দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ফরিদা আখতার বলেন, কপ সম্মেলনে ‘নেট জিরো কার্বন এমিশন’ প্রতিশ্রুতি ধনী দেশগুলোর প্রতারণামূলক প্রস্তাব। ধনী দেশগুলো কার্বন নিঃসরণ কমাবে না অথচ কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে প্রযুক্তি দিতে চায়। বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের হিস্যা নগণ্য কিন্তু আমরা ভুক্তভোগী। ধনী দেশগুলো আসলে কার্বন নির্গমন কমাতে নয়, বরং ‘নেট জিরো’ ধারণার আড়ালে নতুন প্রযুক্তি ব্যবসা ও করপোরেট মুনাফা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।
ক্যাবের জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান।
Posted ৪:০৮ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০২ নভেম্বর ২০২৫
Desh Arthonity | Rina Sristy
Lk Cyber It Bd