শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

রাঙ্গামাটিতে জলাবদ্ধতায় ১৮হাজার মানুষ : ৩দিন ধরে বন্ধ চন্দ্রঘোনা ফেরী চলাচল

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট

রাঙ্গামাটিতে জলাবদ্ধতায় ১৮হাজার মানুষ : ৩দিন ধরে বন্ধ চন্দ্রঘোনা ফেরী চলাচল
image_pdfimage_print
টানা গত এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হ্রদে পানি বৃদ্ধিতে রাঙামাটি জেলার ১৮ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও সদর উপজেলা  ছয়টি উপজেলায় পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে পানির বৃদ্ধির পাশাপাশি কাচালং,মাইনী সহ জেলার বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, জেলায় ২টি পৌরসভাসহ ২০ ইউনিয়নের ৮১টি গ্রাম, ৫ হাজার ৭০০ পরিবারের ১৮ হাজার ১৪৭ জন মানুষ বন্যাকবলিত রয়েছে। জেলায় বন্যায় ৫৪৮টি ঘর, ৬১টি সড়ক, ২টি ব্রিজ কালভার্ট, ৯৮ একর ফসলি জমি, ৪৩টি মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত রয়েছে। জেলায় ২৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত খোলা হয়েছে। জেলায় ১২ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৯৩৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তবে প্রশাসন থেকে ২৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।
অপরদিকে জেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভার  আটটি ইউনিয়নের পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও লংগদু উপজেলার যোগাযোগ অচল হয়ে পড়েছে।
রাঙামাটি সদরের আসামবস্তি, ব্রাহ্মণটিলা, শান্তি নগর, রিজার্ভ বাজার  পুরাতনবস্তী, জালিয়া পাড়া, কেরানিপাহাড় সহ  বেশ কিছু এলাকার নিম্মাঞ্চল মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে । গত ৫দিন ধরে রয়েছ পানিবন্ধি।
দুর্গতরা জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে রান্না করা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিতে শুরু করেছে। দ্রুত কাপ্তাই হ্রদের পানি কমিয়ে দেয়ার দাবি জানান স্থানীয়রা।
রাঙামাটি জেলা প্রসাশন সূত্র জানা, জেলায় ২৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া দুর্গতদের জন্য এক হাজার শুকনো খাদ্যের প্যাকেট এবং দুই হাজার কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার রাত ১০টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৮.৫৪ ফিট এমএসএল।  প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বাঁধের ১৬টি গেট সাড়ে তিন ফুট  থেকে কমিয়ে বর্তমানে ২.৫ ফুট উচ্চতায় খুলে রেখেছেন, এতে প্রতি সেকেন্ডে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে আরও ৩২ হাজারসহ মোট ৯০ লাখ কিউসেক পানি কর্ণফুলিতে গিয়ে পড়ছে। এতে হ্রদের পানি খুবই ধীরলয়ে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
অপরদিকে কাপ্তাই বাধেঁ নিস্কাশিত পানি কর্ণফুলি নদীতে ফেলায়  সৃষ্ট প্রবল স্রোতের কারণে ফেরী চলাচল করতে পারছে না। ফলে রাঙ্গামাটি-বান্দরবন সড়কের চন্দ্রঘোনা ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে ৩দিন দিন হতে চলল। এছাড়া হ্রদের নিস্কাশিত পানি কর্ণফুলিতে ফেলায় নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকা, রাঙ্গুনীয়া, রাউজান,বোয়ালখালীর অনেক এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে ইতিমধ্যে।
Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৩:১৮ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৫

Desh Arthonity |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  
প্রধান সম্পাদক
তুহিন ভূঁইয়া
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
আজাদুর রহমান
Contact

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

Phone: 01718-742422, 01911-539414

E-mail: desharthonity@gmail.com

Lk Cyber It Bd