৯ দিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৯ দিন বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মাঝে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্যসহ বন্দরের ভেতরের সকল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে করে বন্দর এলাকায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে। তবে ছুটির আমেজ কাটিয়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরো দুয়েকদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ভারত থেকে আমদানিকৃত চালবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে বন্দর দিয়ে দুই দেশের মাঝে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হয়।

এর আগে, গত ২৮ মার্চ থেকে শুরু করে গতকাল ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিন বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। তবে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টে দুই দেশের মাঝে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল। এ ছাড়া সরকারি ছুটি ব্যতীত বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম চালু ছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, ‘সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ২৮ মার্চ থেকে শুরু করে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মাঝে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। ছুটি শেষে আজ রবিবার বেলা ১১টায় ভারত থেকে চালবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মাঝে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে।’




হিলি স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ভারতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হোলি উৎসবের কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

তবে শনিবার (১৫ মার্চ) হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রোববার থেকে আবারও বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আগের নিয়মে শুরু হবে।

হিলি বন্দরের আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানান, ১৫ মার্চ ভারতে হোলি উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় সেদেশের ব্যবসায়ীরা এদিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের ব্যবসায়ী সংগঠন হিলি এক্সপোর্টারস অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি আমাদের জানিয়েছে। ফলে আজ শনিবার এই বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও জানান, শনিবার এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও আমাদের অংশে বেসরকারি অপারেটর পানামা হিলি পোর্টের ওয়্যারহাউজে পণ্য লাড-আনলোড কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।

এ বিষয়ে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম জানান, যেকোনো উৎসব বা সরকারি ছুটি হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দুই দেশের আওতামুক্ত থাকে। তাই হোলি উৎসব উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।




হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে একদিন বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের সব কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া স্বাভাবিক রয়েছে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্ট ধারী যাত্রী পারাপার।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি জানিয়েছেন হিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন চলন্ত।

তিনি জানান, শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আগামীকাল বুধবার একদিন বন্ধের পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভারতের সঙ্গে হিলি স্থলবন্দর দায়ে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর অভ্যন্তরীণ সব কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেছে। তা আনলোড করে দেশি ট্রাক লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে যেতে শুরু করেছে।

এদিকে হিলি ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, গতকাল বুধবার হিলি স্থলবন্দরে ভারতের সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এই চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্ট ধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল। আজও স্বাভাবিক রয়েছে।




পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ, বাড়তে পারে দাম

রমজানের বাকি মাত্র কয়েক দিন। এরই মধ্যে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হচ্ছে।

ফলে পেঁয়াজের দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (১৫ মার্চ) পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি শেষ হয়েছে। তাই আসন্ন রমজান মাসের জন্য পেঁয়াজ আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।

এদিকে বুধবার হিলির স্থানীয় বাজারে বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। আগে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ প্রতি কেজি পাইকারি ১৯ থেকে ২০ টাকা বিক্রি হলেও এক দিনের ব্যবধানে সেই পেঁয়াজ ২০ থেকে ২২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এতে কেজিপ্রতি বেড়েছে এক থেকে দুই টাকা।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা বলছেন, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র সরকার বন্ধ করলে দাম হাতের নাগালের বাইরে চলে যাবে। যে পেঁয়াজ আসছে এগুলো আগের আইপি করা। নতুন করে আমদানির অনুমতিপত্র না দিলে রোজার মধ্যে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে যাবে। ফলে কিছু ব্যবসায়ী এর সুযোগ নেবে।

হিলি আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন বলেন, সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্রের সর্বশেষ সময়সীমা ১৫ মার্চ নির্ধারণ করে দিয়েছে। নতুন করে অনুমতি দেওয়া না হলে বৃহস্পতিবার থেকে এ বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে। সরবরাহ কমে গেলে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হবে।

হিলিস্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে চলতি মাসের ১৩ কর্মদিবসে ১৮০টি ট্রাকে পাঁচ হাজার ২২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।