স্বাস্থ্যখাতের ওপর সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকারের বড় সাফল্য স্বাস্থ্যখাতের ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, সেসব হাসপাতালে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের নবনির্মিত রেসপিরেটরি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও ইন্টারকনভেনশনাল পালমোলজি সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালটি ২০০৫ সালে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধনের দীর্ঘ ২১ বছর পর এখানে আইসিইউ সেবা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নতুন আইসিইউতে ৪০টি শয্যা যুক্ত হয়েছে।

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভুইয়াঁর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, ড্যাবের সাধার সম্পাদক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস-সহ প্রমুখ।




প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন। সোমবার (৫ মে) সকাল ১১টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার আছে প্রতিবেদন জমা দেন কমিশনের সদস্যরা।

২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খানকে প্রধান করে ১২ সদস্যবিশিষ্ট স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশনের সদস্য করা হয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, অধ্যাপক ডা. নায়লা জামান খান, সাবেক সচিব এস এম রেজা, অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক, ডা. আজহারুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী উমায়ের আফিফকে।