স্পিকারের সঙ্গে স্কটিশ পার্লামেন্টারিয়ানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে স্কটল্যান্ডের ক্রস পার্টি গ্রুপের কনভেনার এবং লেবার পার্টির সংসদ সদস্য ফয়সল চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রবিবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তারা সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সংসদীয় অধিবেশন, শিক্ষাব্যবস্থা, সংসদীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ-স্কটল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব।’

স্পিকার বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংসদের এক অধিবেশন থেকে পরবর্তী অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে হওয়ার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি বছরের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং বছরে পাঁচটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।’

প্রত্যেক দিনের অধিবেশনে একঘণ্টা করে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব রয়েছে এবং প্রতি বুধবার প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতি অধিবেশনে মোট কত ঘণ্টা আলোচনা হবে, তা কার্য উপদেষ্টা সভায় ঠিক করা হয় এবং আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট সময় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। সরকার ও বিরোধীদলীয় হুইপদের সিদ্ধান্ত অনুসারে সংসদ সদস্যরা সক্রিয় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।’

বিশ্বের কোনও দেশেই নির্বাচনকালীন সময়ে ক্ষমতাসীন দলের ক্ষমতা ত্যাগের নজির নেই মন্তব্য করে স্পিকার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব কাজ করবে এবং সরকার তার স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।’

ফয়সল চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।’

এ সময় ছিলেন ডেপুটি ক্রস পার্টি কনভেনার এবং কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্য মেইল ব্রিজেস এমএসপি, ন্যাশনাল পার্টির ইভলিন টুইড, বাংলাদেশ বিষয়ক সিপিজির নন-এমএসপি মেম্বার জুনেদ হোসেন চৌধুরী, ফারহান মাসুদ খান ও লুৎফর রহমান খানসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পের রপ্তানী বাড়াতে উদ্যোগী হতে হবে: স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে এবং তিনি এসএমই শিল্পের উন্নয়নেও নিরলস কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই সকলকে ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পের রপ্তানী সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হতে হবে।

শনিবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃক আয়োজিত ‘ইমপ্রুভিং এক্সপোর্ট ক্যাপাবিলিটিস অফ এসএমই’স সাকসিডিং গ্লোবালি আপন এলডিসি গ্রাজুয়েশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সেমিনারে অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাই কমিশনার লিলি নিকলস এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের অ্যাম্বাসাডর ইসা ইউসুফ আলদুহাইলান বক্তব্য প্রদান করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ও ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. ফাইজুল ইসলাম।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ডিসিসিআই-এর উদ্যোগে এসএমই’র সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক সেমিনার খুবই সময়োপযোগী। এই সেমিনারের মাধ্যমে এসএমই সেক্টরের আরও অনেক সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জিডিপিতে এমএমই সেক্টরের অবদান প্রায় ত্রিশ ভাগ, যা প্রশংসনীয়। এই সেক্টরের রপ্তানী সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সঠিক ও কার্যকর নীতি গ্রহণের পাশাপাশি অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নেও ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্পিকার বলেন, এসএমই সেক্টরের সকল ধরনের প্রতিবন্ধকতা নিরসনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার পথ সুগম করতে হবে।

এ সময় তিনি ডিসিসিআই’র সফলতা কামনা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে গতিশীলতা আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সমীর সাত্তারের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনোমিক মডেলিং এর নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান।

সেমিনারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ, উদ্যোক্তাগণ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




‘টেকসই পন্থায় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় রয়েছে’

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়নের কারণে বৈশ্বিক মন্দার ভেতরেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন হচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যেই বাংলাদেশের এলডিসি লিস্ট থেকে উত্তরণ হবে।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা ডিক্লারেশন’-এ টেকসই পন্থায় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার উপায় রয়েছে।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্স আয়োজিত ‘৩য় ইন্ট্যারন্যাশনাল কনফারেন্স অন আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) এর প্রেসিডেন্ট মো. ফজলে রেজা সুমনের সভাপতিত্বে ‘ঢাকা ডিক্লারেশন’ এর ওপর মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ মেহেদী আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে জাইকা বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ ইচিগুচি তমহিদি, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশ প্রতিনিধি এম্বাসেডর চার্লস হোয়াইটলি এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জায়েদা খাতুন বক্তব্য রাখেন।

স্পিকার বলেন, জাতীয় ও বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে টেকসই উন্নয়নের জন্য স্থানিক পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জেলা ও উপজেলার স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়নের পর্যায়গুলোতে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্সকে সম্পৃক্ত করার ব্যাপারে নিজের মতামত প্রদান করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনাবিদদের সমাজের প্রতিটি শ্রেণির মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

এসময় স্পিকার ‘ঢাকা ডিক্লারেশন’ অফিসিয়াল ঘোষণা দেন এবং এ অনুষ্ঠানের জন্য আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার্স এর অর্থায়নে ঢাকা ব্যাংকের একটি ক্রেডিট কার্ড উদ্বোধন এবং ‘স্পেশিয়াল প্ল্যানিং ফ্রেমওয়ার্ক’ নামক একটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।




শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে কারুশিল্প পরিষদ পরিদর্শন করেছেন স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ আবহমানকাল থেকেই হস্ত ও কারুশিল্পে সমৃদ্ধ। তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় হস্তশিল্পের সংরক্ষণ, উন্নয়ন, ও প্রচারে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্পিকার শনিবার শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে অবস্থিত জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের দপ্তর ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সারা বিশ্বে হস্ত ও কারুশিল্পের চাহিদা রয়েছে। তাই হস্ত ও কারুশিল্পীদের স্বীয় পেশায় সংযুক্ত রাখতে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জনগণের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক এবং হস্ত ও কারুশিল্পে সাদৃশ্য রয়েছে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, হস্ত ও কারুশিল্পে উভয় দেশের মধ্যে বর্তমানে বিদ্যমান সম্প্রীতি ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে।

জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের দপ্তর ও বাটিক, রাশ ও রিড, হ্যান্ডলুম এবং ববিন লেস প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনকালে প্রশিক্ষণার্থীরা স্পিকারকে বাটিক কাপড়সহ বিভিন্ন পণ্য তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। স্পিকার প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং তাদের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

পরিদর্শনকালে শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারেক মো. আরিফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরীসহ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদের কর্মকর্তারা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।




সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আবহমান বাংলার চিরায়ত বৈশিষ্ট্য: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, আবহমান বাংলার চিরায়ত বৈশিষ্ট্যই হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। এই সোনার বাংলায় যে কোনো ধর্মীয় উৎসবে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সবার এক অপূর্ব মেলবন্ধন তৈরি হয়। আর এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পীরগঞ্জ।

শনিবার নিজ নির্বাচনী এলাকা রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার খালাশ পীর কালী মন্দির চত্বরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সেখানে ধর্মীয় আলোচনা, ভজন কীর্তন ও প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘জয় মা সৎসঙ্গ’। খবর বাসসের।

স্পিকার বলেন, পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবগুলো যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে, সেজন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে থাকে। মা-বোনসহ পরিবারের সবাই মিলে যেন ভাবগাম্ভীর্য সহকারে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সেজন্য সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। তাই সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে উদ্যোগী হতে হবে।

পীরগঞ্জ উপজেলার খালাশ পীর কালী মন্দিরের সভাপতি দুলাল সিংহ রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ৫ নম্বর মদনখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মণ্ডল, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মঞ্জু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছে সরকার: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চলমান। সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত আরও মজবুত করার স্বার্থে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার জোরালো করতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সিঙ্গাপুর জাতীয় সংসদের ডিজিটাল লাইব্রেরি সিস্টেমের ওপর এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের কাছে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও তথ্য-উপাত্ত সহজলভ্য করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। সংসদের বিতর্কে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণসহ অন্যান্য প্রয়োজনে সংসদ লাইব্রেরির মাধ্যমে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করা হচ্ছে। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন এই ধরনের সহযোগিতা জোরদারের জন্য প্রতি বছরই বাজেট হেল্পডেস্ক স্থাপন করা হয়। এ লক্ষ্যে বাজেট অ্যানালাইসিস ও মনিটরিং ইউনিট কাজ করছে।’

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ সব সমস্যা মোকাবিলায় সংসদ সদস্যদের জোরালো ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। সেই সুযোগ বারাতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের প্রক্রিয়াকে সহজলভ্য করতে হবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে কার্যক্রম চলমান।’

স্পিকার বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার জোরালো করতে সিঙ্গাপুরের কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণ করছে সরকার।’

ডিজিটাল লাইব্রেরি সিস্টেম ব্রিফিং শেষে স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) এক্সিকিউটিভ কমিটির সাউথ-ইস্ট এশিয়া রিজিওনের রিপ্রেজেনটেটিভ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী সিঙ্গাপুরের মাউন্টব্যাটেন নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য লিম বায়ো চুয়ান। সাক্ষাৎকালে সিপিএ’র বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

এ সময় ছিলেন বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম এ কামাল বিল্লাহ, সিঙ্গাপুর পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটের কর্মকর্তা।