স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের নতুন সিএফও অনিল কেজরিওয়াল

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) পদে যোগ দিয়েছেন অনিল কেজরিওয়াল।

তিনি ব্যাংকের কান্ট্রি ম্যানেজমেন্ট টিমেও যোগ দেবেন বলেও এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ব্যাংকটি।

পাশাপাশি ব্যাংকের গ্লোবাল হেড অব নিউ ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং হিসেবেও তিনি ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন।

অনিল কেজরিওয়াল ২০০৬ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ইন্ডিয়াতে হোলসেল ব্যাঙ্কিং ফর সাউথ এশিয়ার হেড অব ফাইন্যান্স হিসেবে যোগ দেন।

এরপর ২০১২ সালে তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সিঙ্গাপুরে কাজ শুরু করেন। সেখানে তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ক্লায়েন্ট কভারেজের জন্য গ্লোবাল চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার, কর্পোরেট ফাইন্যান্স প্রোডাক্ট এবং প্রিন্সিপাল ফাইন্যান্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক জানিয়েছে, অনিল কেজরিওয়াল ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব ইন্ডিয়ার একজন প্রাক্তনী। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডে আসার আগে তিনি মুম্বাই ও বেঙ্গালুরুতে কেপিএমজিতে ১২ বছর কাজ করেন।

তিনি ব্যাংকটির গ্রাহক ও সহকর্মী মূল্যায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের সিইও নাসের এজাজ বিজয়।

তিনি বলেন, “অনিল কেজরিওয়ালের দক্ষতা, দূরদর্শী ব্যবসায়িক বিচক্ষণতা এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ব্যাংকের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।”




বেশি দামে ডলার বিক্রিতে শাস্তি পাবেন ১০ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান

ডলারের জন্য ঘোষিত হারের তুলনায় বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাংকগুলোর আগের ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হয়নি। তাই গত সোমবার ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চলতি বছর ডলারের দাম নিয়ে কারচুপির দায়ে ১০ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে কেন জরিমানা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ডলারের জন্য ঘোষিত হারের তুলনায় বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাংকগুলোর আগের ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হয়নি। তাই গত সোমবার ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ১০৯(৭) ধারা অনুযায়ী কেন ব্যাংকগুলোর ট্রেজারি প্রধানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এই ধারায় বলা আছে, আইন লঙ্ঘনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করতে পারে।

চিঠি পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো—সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক।

ডলার কারচুপির অভিযোগে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়।

গত বছর ডাচ্-বাংলা, প্রাইম, সিটি, সাউথইস্ট, ব্র্যাক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, এনসিসি, এইচএসবিসি, মার্কেন্টাইল, ঢাকা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও ব্যাংক এশিয়াসহ ১২ ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল।

এরপর ডাচ-বাংলা, সাউথইস্ট, প্রাইম, সিটি, ব্র্যাক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডকে তাদের ট্রেজারি প্রধানদের মানবসম্পদ বিভাগে বদলি করার নির্দেশ দিলেও পরে বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

গত বছর থেকে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন ও এবিবি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনানুষ্ঠানিক নির্দেশে ডলারের দাম নির্ধারণ করে আসছে।

গত ৩১ আগস্ট প্রতিষ্ঠান দুটি সেপ্টেম্বর থেকে অভিন্ন বিনিময় হার কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেসময় ১০৯ টাকা ৫০ পয়সায় ডলার কিনে ১১০ টাকায় বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।