সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.৫০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্যমতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ডিসেম্বর।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৩ টাকা। আগের হিসাব বছরে একই সময়ে কোম্পানিটির ছিল ১.৪৯ টাকা।

এদিকে, সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৭.৩৭ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির এনওসিএফপিএস ছিল ২০.১৬ টাকা।

২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৯.৬৪ টাকায়।

এই করপোরেট ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের কোনো মূল্যসীমা থাকবে না।




‘এ’ ক্যাটাগরিতে সোনালী লাইফ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে।

কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ট প্রদান করেছে।

যে কারণে কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নতি করা হয়েছে।

যা সোমবার (০১ সেপ্টেম্বর) থেকে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করে। তবে ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কোম্পানিটিকে ঋণ সুবিধা দিতে ব্রোকার হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংককে নিষেধ করেছে ডিএসই।




দ্বিতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল সোনালী লাইফ

দেশের শীর্ষ স্থানীয় ও দ্রুত বর্ধনশীল জীবনবীমা প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ কমনওয়েলথ পার্টনারশিপ সামিট ও বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫-এ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে কনকর্ড হোটেলে জমকালো এক অনুষ্ঠানে সোনালী লাইফের পক্ষ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন সোনালী লাইফের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ ড্যানিয়েল।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ আজিম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (সিআইও) হাসিব রেজা, সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমদাদুল হক সাহিল, এজিএম মিজানুরর হমান ও উপ-ব্যবস্থাপক মাহমুদুর রহমান।

এ বছর সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ছয়টি পৃথক বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে। এগুলো হলো– ‘ডিজিটাল ইন্স্যুরেন্স ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’, ‘ইন্স্যুরটেক ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’, ‘এডুকেশন ইন্স্যুরেন্স ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’, ‘বেস্ট মার্কেটিং ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’, ‘নিউ ইন্স্যুরেন্স প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ ও ‘বেস্ট কাস্টমার সার্ভিস ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’।

এ বিষয়ে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ ড্যানিয়েল বলেন, আমাদের নিরলস উদ্ভাবনী প্রচেষ্টা, ডিজিটাইজেশন, গ্রাহক কেন্দ্রিক পরিকল্পনা এবং দ্রুততম সময়ে বীমাদাবি নিষ্পত্তির অঙ্গীকারই পুরস্কারের এই সাফল্যের মূল চালিকা শক্তি।

এর আগে ২০২৩ সালেও সোনালী লাইফ ছয়টি ক্যাটাগরিতে কমনওয়েলথ পার্টনারশিপ সামিট এবং বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের স্বীকৃতি লাভ করেছিল।




সোনালী লাইফের জীবন বীমা তহবিল কমেছে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বিমা তহবিল এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৭৭ কোটি টাকা কমেছে। কোম্পানির পরিচালন সক্ষমতাও কমেছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে প্রকাশিত সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ হিসাব বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানির জীবন বীমা তহবিলের আকার দাঁড়িয়েছে ৭৯১ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যেখানে তহবিলের আকার ছিল ৮৬৮ কোটি ৫১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কোম্পানির জীবন বীমা তহবিলের আকার কমেছে ৭৬ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে আজ একই দিনে কোম্পানিটির ২০২৪ সালের প্রথম (জানুয়ারি-মার্চ), দ্বিতীয় (এপ্রিল-জুন) এবং তৃতীয় (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যদিও বিএসইসির কোম্পানি আইন অনুযায়ী, প্রান্তিক শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে কোম্পানিকে ওই প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি বিএসইসির আইন লঙ্ঘন করেছে।

এদিকে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ পরিচালন প্রবাহ কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ৫৪ টাকা ৬৯ পয়সা।




চলে গেলেন সোনালী লাইফের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও রূপালী ইন্স্যুরেন্সের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৬.৪০ মিনিটে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ওই দিন বাদ জোহর গুলশান আজাদ মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। একইদিন বাদ মাগরিব কুমিল্লার মিয়ার বাজারে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে।

দেশের সোয়েটার শিল্পের জনক হিসেবে পরিচিত মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বাংলাদেশের অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। পুলিশের চাকরি থেকে অবসর নিয়ে ১৯৮৭ সালে একটি সোয়েটার কারখানা স্থাপন করেন। যা লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। এই কারখানায় উৎপাদনের মাধ্যমে সোয়েটারের বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। শিল্প উদ্যোক্তা মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বীমা খাতেও অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।

একজন মুক্তিযোদ্ধা ও নিবেদিত দেশপ্রেমিক হিসেবে তিনি বাংলাদেশের উন্নতি ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। আরএমজি, টেক্সটাইল এবং আর্থিক খাতে তার অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস শুধু শিল্পের অগ্রগতি ঘটাননি, তার অদম্য মানসিকতা ও অঙ্গীকার দিয়ে অগণিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন। সত্যিকারের একজন নায়কের মতো তিনি তার জীবন যাপন করেছেন এবং জাতির জন্য নিরলস লড়াই করেছেন।

 




সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা স্থগিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা স্থগিত করা হয়েছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা ২৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য করণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি।

পর্ষদ সভার পরবর্তী সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নতুন সময়সূচি চূড়ান্ত হওয়ার পর তা জানিয়ে দেবে কোম্পানিটি।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সভায় কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ আলোচিত প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




আমি আইডিআরএ’র চেয়ারম্যানের ষড়যন্ত্রের শিকার : গোলাম কুদ্দুস

১৮৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ও তার স্ত্রী-সন্তান, জামাতাসহ প্রতিষ্ঠানটির ৮ পরিচালক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ।
গত বৃহস্পতিবার কমিশনের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত দণ্ডবিধি ১৮৬০ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ধারা ৪(২) ও (৩) এর অধীনে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ছাড়াও আসামি করা হয়েছে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের মেয়ে ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, তার ছেলে মোস্তফা কামরুস সোবহান, তার মেয়ে তাসনিয়া কামরুন অনিকা, তার স্ত্রী ফজলুতুন্নেসা, কোম্পানিটির পরিচালক শাফিয়া সোবহান চৌধুরী, পরিচালক নূর-ই-হাফজা ও সাবেক সিইও ও জামাতা মীর রাশেদ বিন আমানকে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, উল্লেখিত ব্যক্তিরা বেআইনিভাবে আর্থিক সুবিধা লাভের অভিপ্রায়ে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দুদকের তদন্তে উঠে আসে, তারা প্রতারণা ও জালিয়াতি, মিথ্যা চুক্তিপত্র তৈরি এবং অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের সাথে জড়িত। এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন মেয়াদে বীমা কোম্পানিটির তহবিল থেকে অবৈধভাবে ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা উত্তোলন করেন। এসব অর্থ তারা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর এবং বিভিন্ন স্তরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পদে রূপান্তর করেন।
দুদক আলামত পর্যালোচনা করে এসব অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পায় এবং আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পেইড আপ ক্যাপিটাল বৃদ্ধির জন্য ২০১৮ সালে উদ্যোক্তা পরিচালকদের মধ্যে প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা দরে এক কোটি পাঁচ লাখ প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়। কোম্পানির পরিচালক ও প্রথম চেয়ারম্যান আসামি নূর-ই-হাফজা, পরিচালক ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, রুপালি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি পরিচালক শাফিয়া সোবহান চৌধুরী ও শেখ মোহাম্মদ ডানিয়েলের (মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের জামাতা) কাছ থেকে কোনো টাকা গ্রহণ না করেই তাঁদের নামে মোট ৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার ইস্যু করা হয়।

দুদকের মামলার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, অবৈধভাবে প্রতারণার ও বিধি বহির্ভূতভাবে একই পরিবারের ৭ সদস্যকে কোম্পানির বোর্ড পরিচালক করা হয়। মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের জামাতা আসামি মীর রাশেদ বিন আমানকে কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হয় মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আরও দেখা যায় যে, আসামি মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস সুপরিকল্পিতভাবে চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে ১৪১ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান, মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস নিজে ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধভাবে বেতন হিসেবে দেখিয়ে মোট ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা, অন্যদিকে কোম্পানির টাকায় নিজেদের জন্য শেয়ার ইস্যু বাবদ ৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ টাকা, ইআরপি মেইনটেন্যান্স বাবদ ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৬৮ হাজার ৮১৭ টাকা, অবৈধভাবে বিলাসবহুল অডি কার ক্রয় বাবদ ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, পরিবারের সদস্য অতিরিক্ত ডিভিডেন্ড প্রদান বাবদ ১ কোটি ৬০ লাখ ১০ হাজার ৭৫০ টাকা, বিদেশে নিজের চিকিৎসা, সন্তানের শিক্ষা, ভ্রমণ ব্যয় বাবদ ১ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ৮০০ টাকা, গ্রুপ বিমা পলিসি থেকে অবৈধ কমিশন বাবদ ১৯ লাখ টাকা, আইপিও খরচের নামে অবৈধ ব্যয় বাবদ ৮ কোটি ২৬ লাখ ৬৭ হাজার ৮৫৯ টাকা, অফিস ভাড়ার নামে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ড্রাগন আইটিকে প্রদান বাবদ ১১ কোটি ৯৪ লাখ ২০ টাকা, নিজ মালিকানাধীন পুরো ভবনের ইউটিলিটি বিল পরিশোধ বাবদ ১ কোটি ৭২ লাখ ৪২ হাজার ২২৩, নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ড্রাগন সোয়েটার ও স্পিনিং লিমিটেডের ট্যাক্স পরিশোধ বাবদ ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা আত্মসাৎ করেন।

মামলার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আইনগতভাবে মোকাবিলা করার কথা জানিয়ে কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ব্যাংক বীমা অর্থনীতিকে বলেন, ‘আমি গভীর চক্রান্তের শিকার। ব্যক্তিগত আক্রোশে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান আমাকে এবং আমার পরিবারকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। আর এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছেন কোম্পানির সাবেক সিইও মীর রাশেদ বিন আমান। তারা কোম্পানি থেকে আমাদের উৎখাত করে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়োগ দেওয়ার চক্রান্ত করছেন।

 




সোনালী লাইফের লভ্যাংশ সংক্রান্ত পর্ষদ সভা স্থগিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে লভ্যাংশ সংক্রান্ত পর্ষদ সভা আপাতত হচ্ছে না। বিধি অনুসারে, হিসাববছর শেষ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে জীবনবীমা কোম্পানির পর্ষদ সভা আহ্বান করে ওই সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে হয়। পর্ষদ সদস্যরা আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করলে সভায় সাধারণত লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতির কারণে সোনালী লাইফের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্ষদ সভায় উপস্থাপন করা সম্ভব নয় বলে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ ওই সভা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, আইডিআর সোনালী লাইফের পর্ষদ ভেঙ্গে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করে দিয়েছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা সম্পন্ন করিয়ে পর্ষদ সভায় উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না।

উল্লেখ, সোনালী লাইফে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙ্গে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করেছে।




স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের পদত্যাগ

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস পদত্যাগ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) কোম্পানির জরুরী বোর্ড সভায় তিনি পদত্যাগ করেন। পরে একই সভায় কোম্পানির স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মনিরুজ্জামানকে সর্বসম্মতিক্রমে কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

কোম্পানির বোর্ডে উপস্থাপিত চেয়ারম্যানের ইস্তফা চিঠির সূত্রে জানা যায়, তিনি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে কর্পোরেট সুশাসন নিশ্চিত করাসহ কর্তৃপক্ষের নিয়োগকৃত নিরীক্ষা কাজের সুবিধার্থে প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতকল্পে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

এদিকে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস তার ইস্তফা পত্রে আরো উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করে কোম্পানিতে ম্যাবস এন্ড জে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালের অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনের উপর বিশেষ নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নিরীক্ষা কার্যক্রম চলাকালে কোম্পানির প্রাক্তন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার যোগসাজশে নিরীক্ষকদের অসহযোগিতার পাশাপাশি অনিয়মগুলো কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের নিকট গোপন করেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস কোম্পানির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর কোম্পানির নানা অনিয়মের বিষয় বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরে কোম্পানির বোর্ডকে জানিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ওই তদন্তে কোম্পানির প্রাক্তন সিইও (সিসি) রাশেদ বিন আমানসহ তার কিছু অনুগত সহযোগী কর্মকর্তার নানা আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে সাবেক সিইও (সিসি) রাশেদ বিন আমানকে গত ১২ জানুয়ারি সাময়িক বরখাস্ত করে পর্র্ষদ। পরে গত ১৪ জানুয়ারি বীমা আইন ২০১০ অনুসারে নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের দফতরে চিঠি প্রেরণ করে সোনালী লাইফের চেয়ারম্যান।

এদিকে, কোম্পানির প্রাক্তন সিইওকে বরখাস্ত করার কারণে তিনি কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসকে নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সকল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বরাবরে চিঠি প্রেরণ করেন। তার চিঠির প্রেক্ষিতে ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটিতে পুনরায় অডিট ফার্ম হুদাভাসি চৌধুরী এন্ড কোং নিরিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করেন। আইডিআরএ’র নিয়োগকৃত নিরীক্ষকবৃন্দের নিরিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করার করার লক্ষ্যে এবং প্রতিষ্ঠানে কর্পোরেট সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস কর্তৃপক্ষের আদেশকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে চেয়ারম্যান পদ থেকে নিজেকে দূরে রাখার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। যাতে আইডিআরএ‘র নিয়োজিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান হুদাভাসি চৌধুরী এন্ড কোং কোম্পানির অনিয়মের বিষয়গুলির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেন।

দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার বিষয়ে সোনালী লাইফের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস বলেন, স্বচ্ছতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সততা ও সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে আমি পদত্যাগ করেছি। নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিরিক্ষা কার্যক্রম নিবিঘ্ন করার পাশাপাশি তদন্ত চলাকালীন কোন প্রভাব বিস্তার না করে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য আমি নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছি।




উরুগুয়ের অনারারি কনসাল সোনালী লাইফের পরিচালক মোস্তফা কামরুস সোবহান

বাংলাদেশে উরুগুয়ের অনারারি কনসাল হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালক মোস্তফা কামরুস সোবহান।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিফ অব প্রটোকল নাঈম উদ্দিন আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এ সংক্রান্ত চিঠি হস্তান্তর করেন।

বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জনহিতৈষী মোস্তফা কামরুস সোবহান ১৯৯৯ সালে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

পরবর্তীতে ২০১০ সালে তিনি ড্রাগন গ্রুপের সিইও নিযুক্ত হন। তিনি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উরুগুয়ের অনারারি কনসাল হিসেবে মোস্তফা কামরুস সোবহান দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার কথা ভাবছেন।

বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে শান্তি তার নির্ধারিত মিশনের কেন্দ্রবিন্দু বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মোস্তফা কামরুস সোবহান। -বিজ্ঞপ্তি




৩ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করার পর তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানি তিনটি হলো- সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) লিমিটেড।

বুধবার (২ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি তিনটির মধ্যে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। আর বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-২। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




৩ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করার পর তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানি তিনটি হলো- সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) লিমিটেড।

বুধবার (২ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি তিনটির মধ্যে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। আর বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-২। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (৩০ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শনিবার (২৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর। আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ আগস্ট।