সিটি ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি সিটি ব্যাংক পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, বাকী ১৫ শতাংশ বোনাস। আগের বছর ব্যাংকটি ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল, এর মধ্যে ছিল ১২.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, বাকী ১২.৫০ শতাংশ বোনাস।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বিদায়ী বছরে সিটি ব্যাংকের নীট মুনাফা ও শেয়ার প্রতি আয়ে বড় ধরণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ৮ টাকা ৭১ পয়সা আয় (ইপিএস) হয়েছে। আগের বছর শেয়ার প্রতি ৬ টাকা ৬৭ পয়সা আয় হয়েছিল। তার আগের বছর ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৭৪ পয়সা।

বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে প্রায় ৩১ শতাংশ।

সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪৭ টাকা, যা আগের বছর ৫৮ টাকা ৮৪ পয়সা ছিল।

গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৪০ টাকা ৬৭ পয়সা।

আগামী ৭ জুন, রোববার বিকাল ৩ টায় ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমে যোগ দেওয়া ও লভ্যাংশ প্রাপ্তির যোগ্যতা নির্ধারণে আগামী ৩ মে রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।




সিটি ব্যাংকের অ্যাপ থেকে গার্ডিয়ান ইন্স্যুরেন্সের পলিসি কিনতে পারবেন গ্রাহকরা

সিটি ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন থেকে ব্যাংকটির নিজস্ব অ্যাপ ‘সিটি টাচ’ এর মাধ্যমে সরাসরি গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পলিসি কিনতে পারবেন। নতুন এই ফিচারটির মাধ্যমে গ্রাহকেরা যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে বিভিন্ন ধরনের পলিসি সম্পর্কে জানা, তাৎক্ষণিক পলিসি কেনা, এমনকি ইন্স্যুরেন্স ক্লেইম জমা দিতে পারবেন। ইন্স্যুরেন্স খাতে এই নতুনত্ব প্রমাণ করে যে, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স একত্রিত হলে তা গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সুবিধা এবং আর্থিক নিরাপত্তা দিতে পারে।

গার্ডিয়ান এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী শেখ রকিবুল করিম এফসিএ বলেন, “ইন্স্যুরেন্সকে সবার জন্য সহজ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, তবে জীবন ও স্বপ্নকে সুরক্ষা দিতে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে আমরা দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও ঝামেলামুক্ত সেবা নিশ্চিত করছি। এ অংশীদারিত্বের ফলে গ্রাহকেরা খুব সহজেই অনলাইনে এখন তাদের ইন্স্যুরেন্স সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন।”

সিটি ব্যাংকের ডিএমডি এবং হেড অফ রিটেল ব্যাংকিং মোঃ অরূপ হায়দার বলেন, “সিটি ব্যাংকই প্রথম ব্যাংক যারা বাজারে ব্যাংকান্সুরেন্স চালু করে। স্থানীয় ব্যাংকিং ইন্ডাষ্ট্রিতে ডিজিটাল সমাধান আনার ক্ষেত্রেও আমরা এগিয়ে আছি। তাই ব্যাংকিং অ্যাপে সরাসরি বীমা পণ্য চালু করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ব্যাংক হওয়া একটি স্বাভাবিক অগ্রগতি ছিল, যার ফলে আমাদের গ্রাহকদের বিস্ত‍ৃত পরিসরের আর্থিক সমাধান প্রদান করা হচ্ছে।”

গার্ডিয়ান সব সময় ইন্স্যুরেন্সকে আরও সহজলভ্য ও স্বচ্ছ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর সে লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিকমানের সেবার অনুশীলন অনুসরণ করে আসছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সূচনা দিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল তা এখন এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আরও বিস্ত‍ৃত হয়েছে এবং এর ফলে বাংলাদেশের ডিজিটাল ইন্স্যুরেন্স খাতে গার্ডিয়ানের নেতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হয়েছে।




সিটি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান হলেন হোসেন খালেদ

সিটি ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের আজকের সভায় ব্যাংকের পরিচালক হোসেন খালেদকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) ব্যাংকটির পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

হোসেন খালেদ সিটি ব্যাংকের একজন উদ্যোক্তা পরিচালক। এর আগে তিনি সাত বছর ধরে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটি ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি সিটি ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড ও সিটি হংকং লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।

ব্যবসা ও নেতৃত্বের বিভিন্ন অঙ্গনে সক্রিয় হোসেন খালেদ এর আগে চার মেয়াদে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ বেটার বিজনেস ফোরামের কো-চেয়ারম্যান এবং ইন্টারপ্রেনিয়ার্স অর্গানাইজেশন (EO) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টোলেডো থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে বিবিএ এবং টেক্সাস অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটি থেকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং বিষয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

হোসেন খালেদের বাবা, বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা আনোয়ার হোসেন ছিলেন সিটি ব্যাংকের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা পরিচালক এবং চার মেয়াদে ব্যাংকের চেয়ারম্যান। বর্তমানে হোসেন খালেদ আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।




 সিটি ব্যাংকের সব সেবা বন্ধ থাকবে ৩ দিন

ডেটা সেন্টার স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন করতে লেনদেনসহ সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম তিন দিন বন্ধ রাখবে সিটি ব্যাংক। আগামী ৯, ১০ ও ১১ মে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে ব্যাংকটিকে সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ–সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়েছে, ডেটা সেন্টার স্থানান্তর কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য আগামী ৯ মে রাত ১২টা থেকে ১১ মে রাত ৮টা পর্যন্ত সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে সিটি ব্যাংককে সম্মতি দেওয়া হলো।

১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করা সিটি ব্যাংকের গ্রাহক গত বছর শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ লাখে। ২০০৭ সালে ব্যাংকটির গ্রাহক ছিল ৬৮ হাজার। ব্যাংকটির কর্মকর্তার সংখ্যা এখন ৫ হাজার ৩২১ জন। দেশের সবচেয়ে বেশি সাত লাখ ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক রয়েছে সিটি ব্যাংকের। ব্যাংকটির ক্রেডিট কার্ডের ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। গত বছর শেষে ব্যাংকটির আমানত বেড়ে হয়েছে ৫১ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। আর ঋণ ছিল ৪৪ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। গত বছর শেষে হাজার কোটি টাকা মুনাফার মাইলফলক ছুঁয়েছে সিটি ব্যাংক। ব্যাংকটি গত বছর শেষে সমন্বিত মুনাফা করেছে ১ হাজার ১৪ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে ব্যাংকটির সমন্বিত মুনাফার পরিমাণ ছিল ৬৩৮ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির মুনাফা ৩৭৬ কোটি টাকা বা ৫৯ শতাংশ বেড়েছে।

 




সিটি ব্যাংক ক্যাপিটালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিসএইসি

দেশের অন্যতম শীর্ষ মার্চেন্ট ব্যাংক সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেডকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বীমা খাতের কোম্পানি কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার নিয়ে কারসাজির দায়ে এই জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সিটি ব্যাংকের এই সহযোগী প্রতিষ্ঠানটিকে (Subsidiary Company) এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

বিএসইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাঠানো প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও শুনানীসহ সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিটি ব্যাংক ক্যাপিটালকে জরিমানার এই সিদ্ধান্ত নেয়। ডিএসই ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন পর্যালোচনা ও অনুসন্ধান করে। ডিএসইর প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২৮ নভেম্বর ডিএসইতে কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের ক্লোজিং মূল্য ছিল ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা চলতি বছরের ৫ ফেব্রুযারি বেড়ে ৫৮ টাকা ৩০ পয়সা হয়। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ে ২৪ টাকা ৭০ পয়সা বা প্রায় ৭৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।

সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল লিমিটেড সিটি ব্যাংকের অপর সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজে রক্ষিত বিও একাউন্টের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক শেয়ার কেনাবেচা করে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের ৬২ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার কিনেছে। বিক্রি করেছে ২৬ লাখ ৯৩ হাজার শেয়ার। এর মধ্যে একাধিক সময়ে একই দিনে কর্ণফুলির শেয়ার কেনা-বেচা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ডিএসইর প্রতিবেদনে একাধিক গ্রাফ ও চার্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড প্যাটার্ন তুলে ধরা হয়েছে; বলা হয়েছে, এই প্যাটার্ন ইঙ্গিত করছে প্রতিষ্ঠানটি সিরিজ লেনদেনের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে।

ডিএসইর প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ১ ফেব্রুয়ারি বেলা ২টা ১৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ড থেকে বেলা ২ টা ১৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড পর্যন্ত সময়ে তথা মাত্র ৪১ সেকেন্ড সময়ে কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের মোট ২ লাখ শেয়ার কিনেছে। এই বাজারে বাজারে মোট ২ লাখ ৬ হাজার ২৮৩টি টি কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়, যার ৯৬ দশমিক ৯৫ শতাংশই করেছে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল।

একইভাবে, পরদিন তথা ২ ফেব্রুয়ারি সিরিজ লেনদেনের মাধ্যমে শেয়ারের দাম বাড়ায় সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল। এদিন বাজারে কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের লেনদেন শুরু হয় আগের দিনের চেয়ে ২ টাকা বেশি দামে। এদিন সকাল ১০টা ৪ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে ডিএসইতে কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ছিল ৬২ টাকা ৯০ পয়সা, এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে ১০টা ৫ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে শেয়ারটির দাম বেড়ে ৬৪ টাকা হয়। এই সময়ের মধ্যে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল ২ লাখ শেয়ার কেনে, যে সময়ে বাজারে কর্ণফুলির মোট শেয়ার বিক্রির সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৭০০। অর্থাৎ, এই সময়ে বাজারে বিক্রিত শেয়ারের ৯৬ দশমিক ২৯ শতাংশ করেছে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল।

আলোচিত সময়ে কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেন থেকে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটালের রিয়ালাইজড মূলধনী মুনাফার পরিমাণ ছিল ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। অন্যদিকে অনরিয়ালাইজড মুনাফার(ওই সময়ে শেয়ার বিক্রি করেনি, করলে যে মুনাফা হতে পারতো) পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

বিএসইসি মনে করছে, আলোচিত সময়ে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সিরিজ লেনদেনের মাধ্যমে কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে। এ ধরনের লেনদেনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি একাধিক আইন লংঘন করেছে। তাই বাজারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা ও জনস্বার্থে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।




পুনরায় সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান কায়সার, ভাইস চেয়ারম্যান খালেদ

সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আজিজ আল কায়সার ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে হোসেন খালেদ পুনর্নির্বাচিত হয়ে‌ছেন।

সোমবার (২৪ জুন) ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভার এ সিদ্ধান্ত হয়। ব‌্যাং‌কের পক্ষ থে‌কে এ তথ‌্য জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে।

ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক আজিজ আল কায়সার এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোট তিন মেয়াদে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সিটি ব্যাংককে দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

আজিজ আল কায়সারের হাত ধরেই ২০০৮ সালে এ ব্যাংকের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়। পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তিনি যেসব পরিবর্তন আনেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্যাংকের ব্যবসাসমূহ ও অপারেশনের কেন্দ্রীভূতকরণ, পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যাংকিং ও রিটেইল ব্যবসা চালু করা, আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের প্রবর্তন, ব্যাংকটির জন্য ডিজিটাল অভিমুখ প্রণয়ন, সিটিজেম প্রায়োরিটি ব্যাংকিং সেবা ও সিটি আলো নারী ব্যাংকিংসহ ঢাকা বিমানবন্দরে বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ চালুকরণ, এসএমই ও ক্ষুদ্র লোন ব্যবসা এবং ডিজিটাল লোন প্রবর্তন ইত্যাদি।

তার নেতৃত্বে সিটি ব্যাংক সম্প্রতি দেশের প্রথম ব্যাংকাসুরেন্স লাইসেন্স অর্জন করে। সেই সঙ্গে তিনি এ ব্যাংকের চার সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড, মালয়েশিয়ায় ১৫টি শাখা সম্পন্ন সিবিএল মানি ট্রান্সফার কোম্পানি এবং সিটি হংকং লিমিটেড স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।

তার গতিশীল নেতৃত্বে শুধু গত পাঁচ বছরেই ব্যাংকের নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। ২০১৮ সালের ২২২ কোটি টাকা থেকে এ মুনাফা ২০২৩ সালে ৬৩৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। একই সময়ে ব্যাংকের রিটার্ন অন ইক্যুইটি ৮.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৭.৭ শতাংশে পৌঁছায়। এ সময়ের মধ্যে সিটি ব্যাংক টানা তিন বছর বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘শীর্ষ টেকসই ব্যাংক’ রেটিংয়েও ভূষিত হয়।

আজিজ আল কায়সার বর্তমানে পারটেক্স স্টার গ্রুপের পরিচালক এবং এর বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া, তিনি মালয়েশিয়ায় সিটি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফারের চেয়ারম্যান হিসেবেও নিয়োজিত রয়েছেন।

অন্যদিকে, ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়া হোসেন খালেদ দেশের একজন সুপরিচিত ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব। তিনিও এ ব্যাংকের একজন অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক। যুক্তরাষ্ট্রের টলেডো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক করার পরে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের ওপর তিনি এমবিএ করেন এবং ২০০০ সালে পারিবারিক ব্যবসা আনোয়ার গ্রুপে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি গ্রু‌পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এই শিল্পগোষ্ঠীকে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন।

তিনি ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজ পর্যন্ত সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে মোট চার মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশে অন্ট্রেপ্রেনার অর্গানাইজেশন বা ইও-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি সিটি ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড ও সিটি হংকং লিমিটেডের চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক।




সিটি ব্যাংক পেল ৩০ মিলিয়ন ডলার ঋণ

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত দি ওপেক ফান্ড-এর সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এক ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। দেশের আমদানি ও রপ্তানি কোম্পানিগুলিকে, বিশেষ করে কৃষি ও গ্রিন এনার্জি খাতে অর্থায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সহায়তার জন্য এ অর্থ ব্যবহার করা হবে।

বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রিন এনার্জি পণ্যের প্রসারের উদ্দেশ্যে ভিয়েনায় ওপেক ফান্ডের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার শেখ মোহাম্মদ মারুফ এবং ওপেক ফান্ড-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক আলনাসার এই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

আলনাসার বলেন, ‘ওপেক ফান্ড সিটি ব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের আমদানীকারকদের বাণিজ্য অর্থায়ন সুবিধা দিয়ে সরবরাহ চেইন নির্বিঘ্ন রেখে পণ্যের প্রবাহকে সুলভ ও সহজতর করবে। এতে করে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার চাপ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা সম্ভব হবে। ওপেক ফান্ড আমদানি ও রপ্তানি প্রতিষ্ঠানগুলিকে সহায়তা করবে, বিশেষ করে কৃষি ও গ্রিন এনার্জি শিল্পের সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাদের আমদানি অর্থায়নকে আরো সহজ ও সাশ্রয়ই করবে।

সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ বলেন, ‘ওপেক ফান্ডের সঙ্গে এই কৌশলগত অংশীদারিত্বে আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে সিটি ব্যাংকের যে অঙ্গীকার, আমাদের সঙ্গে ওপেকের এই সহযোগিতার সম্পর্ক তাকে আরও শক্তিশালী করবে। ওপেক ফান্ডের দেওয়া এই বাণিজ্য আর্থিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের আমদানি ও রপ্তানির সাথে সম্পৃক্ত কোম্পানিগুলিকে, বিশেষ করে কৃষি এবং গ্রিন এনার্জির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতকে আরও সুলভ ও সক্ষম করে তুলতে পারবো। এই লক্ষ্য অর্জনে ওপেক ফান্ডের সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে ।

ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওপেক ফান্ড) হচ্ছে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একমাত্র আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যেটি তার সদস্য দেশগুলি থেকে সদস্য নয় এমন দেশগুলিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই সংস্থাটি বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে উন্নয়নশীল দেশের অংশীদার এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছে।




সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পিএলসির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় সম্পন্ন করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংকটির দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ১’ আর স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-১’ রেটিং হয়েছে।

৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

ব্যাংকটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড।




সিটি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (৩০ মে) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার।

সভায় পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সুপারিশকৃত ১৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়

এসময় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ, পরিচালকবৃন্দ রুবেল আজিজ, হোসেন মেহমুদ, সৈয়দা শায়রীন আজিজ, সাভেরা এইচ মাহমুদ, রেবেকা ব্রোসন্যান, স্বতন্ত্র পরিচালকদ্বয় সেলিম মাহমুদ এমপি ও মতিউল ইসলাম নওশাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, কোম্পানি সেক্রেটারি মো. কাফি খান, পদস্থ কর্মকর্তাগণ ও বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার উক্ত এজিএম-এ অংশগ্রহণ করেন।

স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার ২০২৩ সালের ব্যাংকের ৬৩৮ কোটি টাকার সমন্বিত কর পরবর্তী মুনাফার প্রশংসা করে বলেন যে, তার আগের বছরের ৪৭৮ কোটি টাকা থেকে মুনাফার এই ৩৩.৫% প্রবৃদ্ধি সিটি ব্যাংকের শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও সুশাসনের স্মারক।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের মোট চলতি ও সঞ্চয়ী আমানত বেড়ে ২০২৩-এর ডিসেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে মোট আমানতের ৫১ শতাংশে, যা ৪ বছর আগেও ছিল মাত্র ৩৬ শতাংশ। তিনি সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংক প্ল্যাটফর্ম সিটিটাচ-এর প্রবল জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে জানান, ২০২৩ সালে গ্রাহকেরা সিটিটাচ-এ ৬০,০০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন করেছে যা চলতি বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়াবে।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ অনুযায়ী ব্যাংকের নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক বিবরণী এই সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারগণ ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর আলোচনা করেন।

সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরে তাদের উত্থাপিত নানা প্রশ্নের উত্তর দেন।




সিটি ব্যাংকের নতুন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আজিজুর

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি কাজী আজিজুর রহমানকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করেছে। তিনি একই ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার (সিআইও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৭ সালে কাজী আজিজ এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিটি ব্যাংকে যোগ দেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটির ডিএমডি ও সিআইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি স্বল্প সময় মেঘনা ব্যাংকে কাটিয়ে আবার সিটি ব্যাংকে ফেরেন।

৩৪ বছরের কর্মজীবনে তিনি বহুজাতিক কর্পোরেশন, স্বাস্থ্যসেবা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশে গ্রবোস্কি অ্যান্ড পুওরট বি.ভি. নেদারল্যান্ডসের মতো বৃহৎ কোম্পানিতে প্রযুক্তি উন্নয়ন বিভাগে কাজ করেছেন।

সিটি ব্যাংককে একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যাংকে রূপান্তর করাসহ ২০১৩ সালে ‘সিটিটাচ’ ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু করার মাধ্যমে ব্যাংকটির ডিজিটাল মাধ্যমে যাত্রা শুরুর পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখেন আজিজুর রহমান। সিটি ব্যাংকের ‘সিটিটাচ’ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ হিসেবে স্বীকৃত।




সিটি ব্যাংকের ডিভিডেন্ড ঘোষণা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩ অর্থবছরের জন্য ২৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এরমধ্যে ১৫ শতাংশ ক্যাশ ও ১০ শতাংশ বোনাস। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ২১ পয়সা। যা আগের বছর ছিল ৩ টাকা ৯০ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪২ পয়সা। যা আগের বছর ছিল ২৭ টাকা ৬৬ পয়সা।

ঘোষিত ডিভিডেন্ডসহ অন্যান্য আলোচ্য বিষয়সমূহ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ মে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ এপ্রিল।




সিটি ব্যাংক থেকে দেওয়া যাবে সর্বজনীন পেনশন স্ক্রিমের কিস্তি

সিটি ব্যাংক ও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই স্মারকের আওতায় দেশের প্রথম কোনো বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে সিটি ব্যাংক সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমে যুক্ত হলো। এখন থেকে এই স্কিমের মাসিক কিস্তি আদায়সহ দেশে ও বিদেশে এর যাবতীয় প্রচার-প্রচারণা কার্যে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সহযোগী হিসেবে কাজ করবে সিটি ব্যাংক।

পেনশন স্কিমের ওয়েবসাইটে সিটি ব্যাংকের ইন্টারনেট পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে অ্যামেক্স, ভিসা ও মাস্টারকার্ড দিয়ে যেমন পেনশন স্কিমের কিস্তি পরিশোধ করা যাবে, তেমনই দেশে সিটিটাচ ও সিটি-লাইভ ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ এবং প্রবাস থেকে সিটি-রেমিট অ্যাপ ব্যবহার করে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন স্কিমের মাসিক কিস্তি ডিজিটাল পদ্ধতিতে জমা দিতে পারবেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এই সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অর্থ চিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের উপস্থিতিতে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কবিরুল ইজদানী খান এবং সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সিটি ব্যাংক শিগগিরই দেশের মধ্যে এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কাছে, বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি রেমিটেন্স কোম্পানির মাধ্যমে সে দেশে সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে জনপ্রিয় করার সব পদক্ষেপ নেবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য গোলাম মোস্তফা, সিটি ব্যাংকের ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ, ব্যাংকের মালয়েশিয়ান সাবসিডিয়ারি রেমিটেন্স কোম্পানির সিইও সাইদুর রহমান ফারাজী ও হেড অব কর্পোরেট ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট তাহসিন হকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ।




সিটি ব্যাংকের নাম পরিবর্তন

দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের নাম পরিবর্তন করে ‘সিটি ব্যাংক পিএলসি’ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ এর ১১ক(ক) ধারার বিধান অনুসারে ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর তালিকায় ‘দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড’ এর নাম পরিবর্তন করে ‘সিটি ব্যাংক পিএলসি’ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রোববার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভনর আবু ফরাহ মো. নাছেরের স্বাক্ষর করা একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১২৭ নম্বর আদেশ) এর ৩৭ (২) (সি) ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে ১০ ডিসেম্বর থেকে দেশের তফসিলভুক্ত ‘দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড’ এর নাম পরিবর্তন করে ‘সিটি ব্যাংক পিএলসি’ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

অনেকের মনে প্রশ্ন, হঠাৎ করে ব্যাংকগুলো কেন নিজেদের নামের শেষে পিএলসি যোগ করছে। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, এখন থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নামের শেষে ‘পাবলিক সীমিতদায় কোম্পানি’ বা ‘পিএলসি’ লিখতে হবে। এ আদেশের অংশ হিসেবেই ধাপে ধাপে প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাংক নিজেদের নামের সঙ্গে পিএলসি যোগ করছে।




সিটি ব্যাংকের ‘এমপ্লয়ি ব্যাংকিং’ সেবা নেবে এডিএন টেলিকম

নিজ কোম্পানির ব্যাংকিং কার্যক্রম ‘এমপ্লয়ি ব্যাংকিং’য়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে সিটি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে এডিএন টেলিকম।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন ও এডিএন টেলিকমের চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল্লাহ চৌধুরী, চিফ ইকোনমিস্ট অ্যান্ড কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার আশানুর রহমান, হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং অরূপ হায়দার, হেড অব এমপ্লয়ি ব্যাংকিং হাসান উদ্দিন আহমেদ, এডিএন টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেনরি হিলটন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার জিয়াউল হক।




তৃতীয় প্রান্তিকে সিটি ব্যাংকের নিট মুনাফা ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি

সিটি ব্যাংক তাদের ২০২৩ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এ উপলক্ষে অনলাইনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারী, শেয়ার বিশ্লেষক এবং গণমাধ্যমের কাছে সোমবার ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে ওয়েবের মাধ্যমে ইন্টারনেটে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৩ এই নয় মাসে ব্যাংকটির সম্মিলিত কর পরবর্তী মুনাফা (প্রফিট আফটার ট্যাক্স) দাঁড়িয়েছে ৩৭৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। গতবছর একই সময়ে এই মুনাফা ছিল ৩৩১ কোটি টাকা। এ কারণে সিটি ব্যাংকের সম্মিলিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৯ পয়সা, যা ২০২২ সালের একই মেয়াদে ছিল ২ টাকা ৭০ পয়সা।

আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের এএমডি ও সিএফও মো. মাহবুবুর রহমান আর্থিক প্রতিবেদনের নানা দিক বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন ব্যাংকের সাম্প্রতিক কৌশলগত অবস্থান ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এএমডি ও চিফ বিজনেস অফিসার শেখ মোহাম্মদ মারুফ, ডিএমডি ও চিফ রিস্ক অফিসার মেসবাউল আসীফ সিদ্দিকী, ডিএমডি ও হেড অব ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স এ কে এম সায়েফ উল্লাহ কাউসার। অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে সিটি ব্যাংকের কার্যক্রম ও ক্রমোন্নতি বিশেষ করে টেকসই ও সবুজ অর্থায়ন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে।




সিটি ব্যাংকের ডিএমডি সায়েফ উল্লাহ কাউসার

সিটি ব্যাংক সম্প্রতি একেএম সায়েফ উল্লাহ কাউসারকে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করেছে। তিনি একই ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব ইন্টারনাল কন্ট্রোল এন্ড কম্প্লায়েন্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সায়েফ ২০১৯ সালে ইন্টারনাল কন্ট্রোল এন্ড কম্প্লায়েন্সের প্রধান হিসেবে সিটি ব্যাংকে যোগদান করেন এবং ব্যাংকের একটি শক্তিশালী ঝুঁকিভিত্তিক অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রম পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

২২ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সায়েফ এর আগে সিটি ব্যাংক-এনএ (বাংলাদেশ ও ফিলিপাইন), প্যাসিফিক বিডি টেলিকম লিমিটেড এবং কেপিএমজি (বাংলাদেশ ও কাতার)-এর বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

সায়েফ ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)-এর একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট এবং ইন্সটিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস অব ইংল্যান্ড এবং ওয়েল্স (আইসিএইইউ)-এর অ্যাসোসিয়েট চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট।




সিটি ব্যাংক পারপেচ্যুয়াল বন্ডের মুনাফা ঘোষণা

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পারপেচ্যুয়াল বন্ডের ট্রাস্টি কমিটি অর্ধবার্ষিকী সময়ের জন্য মুনাফা বা কুপন পেমেন্ট ঘোষণা করা হয়েছে। আলোচিত সময়ের জন্য ইউনিটধারীদেরকে ১০ শতাংশ হারে মুনাফা বা কুপন পেমেন্ট দেওয়া হবে।

রোববার (২৭ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ২৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিটি ব্যাংক বন্ডের ট্রাস্টি কমিটির সভায় এই মুনাফা অনুমোদন করা হয়।

তথ্য মতে, সিটি ব্যাংক পারপেচ্যুয়াল বন্ডটি ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের জন্য ১০ শতাংশ কুপন পেমেন্ট ঘোষণা করেছে।

এ জন্য রোববার (২৭ আগস্ট) বন্ডটির লেনদেনে দর বাড়া বা কমার ক্ষেত্রে কোনো সীমা থাকবে না।




ডিজিটাল ব্যাংকে বিনিয়োগ করবে সিটি ব্যাংক

ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি দিলে প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল ব্যাংকে বিনিয়োগ করবে। ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও একটি টেলিকম কোম্পানির সমন্বয়ে একটি কনসোর্টিয়াম গঠন হতে যাচ্ছে। ওই কনসোর্টিয়ামে যোগ দেওয়ার জন্য সিটি ব্যাংকের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হলে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ তা অনুমোদন করে।

প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধনের ১১.১২ শতাংশ যোগান দেবে সিটি ব্যাংক লিমিটেড। টাকার অংকে ব্যাংকটির বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।




সিটি ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে

সিটি ব্যাংক তাদের ২০২৩ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।মঙ্গলবার (১ আগস্ট) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিনিয়োগকারী, শেয়ার বিশ্লেষক এবং গণমাধ্যমের কাছে ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে ওয়েবে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত সিটি ব্যাংকের কনসোলিডেটেড শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১.৯৭ টাকা, যা ২০২২ সালের একই মেয়াদে ছিল ১.৮১ টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির কনসোলিডেটেড কর পরবর্তী মুনাফা (প্রফিট আফটার ট্যাক্স) দাঁড়িয়েছে ২৩৬.৯৪ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২১৭.২২ কোটি টাকা।

আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন ব্যাংকের সাম্প্রতিক কৌশলগত অবস্থান এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানান। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও মো. মাহবুবুর রহমান আর্থিক প্রতিবেদনের নানাদিক বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীরা নানাবিধ প্রশ্ন ঊত্থাপন করেন এবং ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার শেখ মোহাম্মদ মারুফ সে সকল প্রশ্নের যথাযথ উত্তর প্রদান করেন।




ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন

বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ফারুক মঈনউদ্দীন। শনিবার ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ফারুক মঈনউদ্দীন ২০২১ সালের ডিসেম্বরে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংকের পর্ষদে যোগ দেন এবং বোর্ড এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ফারুক মঈনউদ্দীন একজন ক্যারিয়ার ব্যাংকার হিসেবে ৩৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন ম্যানেজমেন্টের সদস্য হিসেবে বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগদানের আগে ফারুক মঈনউদ্দীন সিটি ব্যাংকে একাধারে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর, চিফ রিস্ক অফিসার এবং মানি-লন্ডারিং বিরোধী প্রধান পরিপালন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও এবি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে পাঁচ বছর এবি ব্যাংকের মুম্বাই অফিসে কান্ট্রি ম্যানেজার পদে নিযুক্ত ছিলেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএসএস করার পর ১৯৮৪ সালে এবি ব্যাংক লিমিটেডে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ফারুক মঈনউদ্দীন। ১৯৮৭ সালে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণপদক এবং বিসিসিআই (তৎকালীন) স্বর্ণপদক অর্জন করেন। তিনি অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যান্টি মানি-লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার্স অব ব্যাংকস ইন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য।

ব্যক্তিগত জীবনে ফারুক মঈনউদ্দীন একজন প্রখ্যাত লেখক ও সাহিত্যিক। ব্যাংকিং, অর্থনীতি, ছোটগল্প, অনুবাদ এবং ভ্রমণকাহিনী মিলিয়ে তাঁর রচিত ও প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দুই ডজনেরও বেশি। অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি সংবাদপত্রেও নিয়মিত নিবন্ধ লেখেন। বাংলা সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, অনুবাদকর্মে অনন্য অবদানের জন্য ২০১১ সালে আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার এবং ভ্রমণকাহিনীর জন্য ২০১৯ সালে সিটি-আনন্দ আলো পুরস্কার লাভ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবেও কর্মরত।




সিটি ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারের ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডাররা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এই লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য সিটি ব্যাংক লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৪ জুলাই দুপুর ২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ মে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৩.৯৮ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৪.৫৮ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮.২১ টাকা।

এর আগের হিসাব বছরে সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে ১২.৫০ শতাংশ নগদ ও ১২.৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ।