২ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত

এজিএম সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে ২ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি ২টি হলো- ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স : কোম্পানিটি সমাপ্ত ২০২৩ অর্থবছরের জন্য ১২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

আগের বছর কোম্পানিটি ১০.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ২ পয়সা। আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা।

আলোচিত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর,২০২৩ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৪০ পয়সা।

কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৮ মার্চ সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।

ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স : কোম্পানিটি সমাপ্ত ২০২৩ অর্থবছরের জন্য ১৭ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

এর মধ্যে ১০ শতাংশ বোনাস ও ৭ শতাংশ ক্যাশ। আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫ পয়সা। আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ৭২ পয়সা।

আলোচিত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল ১ টাকা ৭৪ পয়সা। আগের বছর যা ছিল ৬ টাকা ৮ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর,২০২৩ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৫ টাকা ৮৭ পয়সা।

কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩১মার্চ সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।




সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, আলোচিত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত (ডিসেম্বর’২০২২-২৩) ) হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মুনাফা বেড়েছে। কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

সোমবার (১৭ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্যমতে, ২০০৭ সালে তালিকাভুক্ত বিমা কোম্পানিটির চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় বা মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৮১ পয়সা। এর আগের বছর শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ছিল ৬৫ পয়সা। ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে জুন সময়ের তুলনায় মুনাফা বেড়েছে শেয়ার প্রতি ১৬ পয়সা করে।

শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকেই নয়, চলতি বছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা। যা ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। অর্থাৎ ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালের অর্ধবাষিকীতেও ৩১ পয়সা করে মুনাফা বেড়েছে।

মুনাফা বৃদ্ধির প্রান্তিকে ৩০ জুন ২০২৩ সময়ে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৭০ পয়সা। যা ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সময়ে ছিল ১৮ টাকা ৫৭ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদ মূল্যের পরিমাণও বেড়েছে।

কোম্পানির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৮১ লাখ ৬৬ হাজার ১২২টি। এই শেয়ারহোল্ডারদের সর্বশেষ ২০২২ সালে সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এর আগের বছর ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।




সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান হোসেন আকতার।

এ সময় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ আবু তাহের, মো. হারুনুর রশিদ, হাজী মো. ইউসুফ, মোহাম্মদ আমানুল্লাহ, মোহাম্মদ নাজিরুল ইসলাম, ফাইজা মেহমুদ স্বতন্ত্র পরিচালক মাহবুবুল হক, তৌহিদউদ্দিন মো. জাহিদ ও মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম হোসাইনসহ কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন কোম্পানি সচিব মো. হাসান খান, এবিআইএ।

সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনের উপর আলোচনা রাখেন পরিচালনা পর্ষদ, বিনিয়োগকারী ও ব্যবস্থাপনা পর্ষদ। এতে দেখা যায় আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির গ্রস প্রিমিয়াম ৮৮ কোটি ৮০ লাখের বিপরীতে নিট প্রিমিয়াম হয়েছে ৫৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের বছর এক্ষেত্রে ছিল ৭৩ কোটি ৬ লাখ টাকার বিপরীতে ৪৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। তবে অবলিখন মুনাফার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি চমক দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ২০২২ সালে অবলিখন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা যা আগের বছর ছিলো ৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এছাড়া, আলোচ্য বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফার বিগত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে । আলোচ্য বছরে করপূর্ব ও কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে যথাক্রমে ২১ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ১৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এদিকে শেয়ারহোল্ডার ইক্যুয়িটি ২০২১ সালে যেখানে ছিলো ১১৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা তা বেড়ে ২০২২ সালে হয়েছে ১২৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ১৬৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির এমন ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) বৃদ্ধি পেয়েছে। আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২.২৫ টাকায়, যা আগের বছর ছিল ১.৬৮ টাকা এবং এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮.৫৭ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৭.৫৩ টাকা। বছর সমাপান্তে ব্যবসায়িক এমন পরিসংখ্যানের প্রতি লক্ষ্য রেখে বিনিয়োগকারীদের জন্য সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক প্রতিবেদন, পরিচালক নির্বাচন, অডিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণসহ যাবতীয় আলোচ্যসূচি শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদিত হয়।