ইজিএমের তারিখ জানালো সিকদার ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৫ জুলাই কোম্পানিটির নাম পরিবর্তনের অনুমতি নিতে ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক একচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আগামী ১৫ জুলাই সকাল ১১টায় রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারে হাইব্রিড সিস্টেমে কোম্পানিটির ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। নাম পরিবর্তনের জন্য আসন্ন ইজিএম আহ্বান করেছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে আলোচিত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, সর্বশেষ হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, যা আগের বছর ১ টাকা ২২ পয়সা ছিল।

সর্বশেষ হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল ৩৬ পয়সা, যা আগের বছর ২ টাকা ২৭ পয়সা ছিল।

গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ৩০ টাকা ৪৯ পয়সা।

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টায় হাইব্রিড পদ্ধতিতে কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ জুলাই ।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রান্তিক সংক্রান্ত পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৪মে বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই সিকদার ইন্স্যুরেন্সে

শেয়ার দর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ডিএসইকে জানিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, সম্প্রতি কোম্পানিটির শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কারণে ডিএসই নোটিস পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানি জানায় কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ার দর বাড়ছে।

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের গেল গত ২৪ জানুয়ারি থেকে পুঁজিবাজারে শেয়ার লেনদেন হয়।

বাজারে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ট্রেডিং কোড হলো- ‘SICL’। ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো- ২৫৭৫৮ আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো- ১১০৪৮। কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত ২৪ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১১ টাকা। আর গতকাল রোববার (০৪ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ার দর ২১ টাকা ২ পয়সায় উন্নীত হয়। অর্থাৎ মাত্র ৮ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর ১০ টাকা ২ পয়সা বেড়েছে।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন শুরু বুধবার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকা উত্তোলন করা সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের লেনদেন বুধবার (২৪ জানুয়ারি) শুরু হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ট্রেডিং কোড হলো- ‘SICL’। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো- ২৫৭৫৮ আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো- ১১০৪৮।

এর আগে গত বুধবার (১০ জানুয়ারি) সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারযোগ্য বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ১৬ কোটি টাকার বিপরীতে ২৭২ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৭.০৬ গুণ বেশি। প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৪২টি শেয়ার এবং অনিবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ১০৫ টি শেয়ার বরাদ্দ পান।

এদিকে, গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর বিএসইসির ৮৮২তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সিকদার ইন্স্যুরেন্স প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি উত্তোলন করে। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল বিএসইসি কোম্পানিটির ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি প্রতিবেদন পরিচ্ছন্ন না পাওয়ায় আইপিওর আবেদন বাতিল করেছিল। এই সংক্রান্ত একটি চিঠি কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং সিইও বরাবর পাঠানো হয়।

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আইডিআরএ’র বিধান মোতাবেক বাধ্যতামূলকভাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফিক্সড ডিপোজিট, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও ব্যয় নির্বাহ করবে।

সর্বশেষ প্রকাশিত ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৮.৭৩ টাকা। আর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.২২ টাকা।

আইপিওর ইস্যু ম্যানেজার ও আন্ডার রাইটার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে সোনারবাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর নিরীক্ষক হিসেবে কাজ করছে জি.কিবরিয়া অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

প্রসঙ্গত,পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




বিনিয়োগকারীদের সিকদার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার বরাদ্দ

স্টক এক্সচেঞ্জ ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রো-রাটা ভিত্তিতে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) ডিএসই টাওয়ারে (নিকুঞ্জ-২) অবস্থিত লিস্টিং হলরুমে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়।

ডিএসই’র এমআইএস ও ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার মো. আবদুল কাদের খন্দকার প্রো-রাটা ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ১৬ কোটি টাকার বিপরীতে ২৭২ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৭.০৬ গুণ বেশি। প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে নিবাসি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৪২টি শেয়ার এবং অনিবাসি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ১০৫ টি শেয়ার বরাদ্দ পায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (ডিএসই) এর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা খাইরুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের উপ মহাব্যবস্থাপক হাসনাইন বারী, সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এস.কে. আব্দুর রউফ, সিএফও মো. মাইন উদ্দিন, কোম্পানি সচিব আবদুর রাজ্জাকসহ প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তারা।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শেষ  হবে বৃহস্পতিবার

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামীকাল ২৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার শেষ হবে। এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হয়েছিল।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বিএসইসির নির্দেশনা মোতাবেক কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনের জন্য প্রত্যেক দেশী বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। আর অনাবাসী বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ থাকতে হবে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির এ আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

জানা গেছে, বিএসইসির পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ অনুসারে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির আইপিও প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

 




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু আগামীকাল

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন আগামীকাল (২১ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হবে। এ আবেদন গ্রহণ চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, বিএসইসির নির্দেশনা মোতাবেক কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনের জন্য প্রত্যেক দেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। আর অনাবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ থাকতে হবে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির এ আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিএসইসির পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ অনুসারে, সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির আইপিও প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু ২১ ডিসেম্বর

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। এ আবেদন গ্রহণ চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, বিএসইসির নির্দেশনা মোতাবেক কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনের জন্য প্রত্যেক দেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। আর অনাবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ থাকতে হবে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির এ আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিএসইসির পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ অনুসারে, সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির আইপিও প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু ২১ ডিসেম্বর

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের আবেদন শুরু হবে আগামী ২১ ডিসেম্বর। চলবে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত।কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এজন্য ন্যূনতম বিনিয়োগের (সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ স্থিতি ৫০ হাজার টাকা) জন্য কাট-অফ ডেট বা রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ ডিসেম্বর। এর আগে বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সূত্র মতে, সিকদার ইন্স্যুরেন্স ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে বাজারে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে। আর এর মাধ্যমে ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত বছরের নিরিক্ষিত আর্থিক বিবরনী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) (পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া) ২৮ টাকা ৭৩ পয়সা। আলোচিত বছরে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে (ইপিএস) ১ টাকা ২২ পয়সা।

আইপিওতে কোম্পানিটি ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে সোনারবাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোন প্রকার লভ্যাংশ, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন বাতিল করলো বিএসইসি

বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ায় বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন বাতিল করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) বিএসইসি থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং সিইও বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন করেছিল। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

আইপিওর টাকা দিয়ে কোম্পানির নামে ফ্ল্যাট কেনা, এফডিআরে বিনিয়োগ, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ এবং আইপিও ব্যয় খরচ করবে বলে প্রসপেক্টাসে জানানো হয়েছিল।

প্রসপেক্টাস অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা। ওই বছর কোম্পানির প্রিমিয়াম বাবদ নিট আয় হয়েছিল ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৭৪ হাজার ৯৫৩ টাকা। তার মধ্যে বিমা দাবি পরিশোধ করেছে ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৬৫ টাকা। তাতে কোম্পানির প্রকৃত সম্পদের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৭৪ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে ব্যবসা শুরু করে।