সিএসই ও ইউএনজিসিএনবির উদ্যোগে যৌথ কর্মশালা

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও জাতিসংঘের গ্লোবাল কম্প্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (ইউএনজিসিএনবি) যৌথ উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসন (ইএসজি) মানদণ্ড এবং বাজারের অখণ্ডতা জোরদার করতে এ উচ্চপর্যায়ের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত সিএসই ভবনের কনফারেন্স হলে ‘ইএসজি ও বাজারের অখণ্ডতা এগিয়ে নেওয়া : বাংলাদেশের জন্য সুযোগ’ শীর্ষক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে কর্মশালার সমাপনী পর্বে সিএসই ও ইউএনজিসিএনবির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। দুই বছর মেয়াদি এ এমওইউর আওতায় ইএসজি, করপোরেট গভর্নেন্স, টেকসইতা ও ব্যবসায়িক অখণ্ডতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনার যৌথভাবে আয়োজন, দায়িত্বশীল ব্যবসা চর্চা প্রসারে সচেতনতা ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম, পুঁজিবাজার উপযোগী টেকসইতা প্রতিবেদন ও দুর্নীতিবিরোধী নির্দেশিকা প্রণয়নে যৌথ গবেষণা ও প্রকাশনা, এবং সাসটেইনেবিলিটি ডে ও ইন্টেগ্রিটি ডে’র মতো জাতীয় আয়োজনে অংশীদারিত্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কর্মশালায় শিল্পখাতের শীর্ষ নেতৃত্ব, তালিকাভুক্ত কোম্পানি, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন বলে সিএসই’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। কর্মশালায় নৈতিক স্বচ্ছতা, টেকসইতা ও দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চার সঙ্গে করপোরেট প্রবৃদ্ধির সমন্বয় সাধনের কৌশল নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গ্লোবাল কম্প্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক শাহামিন এস জামান। তিনি পুঁজিবাজারে জাতিসংঘ গ্লোবাল কম্প্যাক্টের দশটি নীতি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শাইফুর রহমান মজুমদার।

উল্লেখ্য, ইউএনজিসিএনবি হলো জাতিসংঘ গ্লোবাল কম্প্যাক্টের স্থানীয় নেটওয়ার্ক, যা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দশটি নীতি ও এসডিজির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেকসই ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে। কর্মশালার এক পর্বে গ্লোবাল কম্প্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাবরুর এম চৌধুরী দুর্নীতিবিরোধী ব্যবস্থা ও টেকসই অর্থায়নের কাঠামো নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

এছাড়া গ্লোবাল কম্প্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট কো-অর্ডিনেটর জুলিয়ানা আও কুইস্ট লসনের নেতৃত্বে একটি উন্মুক্ত প্লেনারি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের দায়িত্বশীল বিনিয়োগের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়।

এমওইউ অনুযায়ী, সিএসই তালিকাভুক্ত কোম্পানি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা সহজতর করবে এবং ইউএনজিসিএনবি টেকসই সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তার জন্য কারিগরি দক্ষতা, সম্পদ ও কাঠামো সরবরাহ করবে।

কর্মশালার সমাপনী বক্তব্যে সিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাদী হাসান বলেন, “আজ ইউএন গ্লোবাল কম্প্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা পুঁজিবাজারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ইএসজি নীতি ও বাজারের অখণ্ডতার মাধ্যমে আমরা শুধু নিয়ন্ত্রক কাঠামোই শক্তিশালী করছি না, বরং টেকসই প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং বাংলাদেশের জন্য আরো স্থিতিশীল অর্থনীতির পথও সুগম করছি।”




টেকনো ড্রাগসের অর্ধবার্ষিকে মুনাফা কমেছে ১৯.৪৪ শতাংশ

পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৫) ও অর্ধবার্ষিক (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য প্রন্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা কমেছে ১৯.৪৪ শতাংশ।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

তথ্য মতে, আলোচ্য অর্থবছরে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.৪০ টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৪৮ টাকা। সে হিসেবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা কমেছে ০.০৮ টাকা বা ১৬.৬৭ শতাংশ।

অপরদিকে, ৬ মাস বা অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.৮৭ টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১.০৮ টাকা। সে হিসেবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা কমেছে ০.২১ টাকা বা ১৯.৪৪ শতাংশ।

২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৭.৩৮ টাকা।




দ্রুত সময়ের মধ্যে কমোডিটি মার্কেট চালু করতে যাচ্ছে সিএসই

দেশের পুঁজিবাজারে পণ্য কেনাবেচার প্ল্যাটফর্ম বা ‘কমোডিটি মার্কেট’ চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এই বাজার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ও প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরির কাজ প্রায় শেষ করেছে। এখন কেবল বাজারসংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও একটি শক্তিশালী ‘ইকোসিস্টেম’ গড়ে তোলার অপেক্ষা।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে সিএসই।

এর আগে রাজধানীর কাওরান বাজারে এনএলআই সিকিউরিটিজের কার্যালয়ে আয়োজিত ‘কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট: এ নিউ ফ্রন্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম সাইফুর রহমান মজুমদার এই অগ্রগতির কথা জানান। ক্যাপিটাল মার্কেট সিইও ফোরাম ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘কমোডিটি মার্কেটের জন্য টেকনোলজিক্যাল কাঠামো স্থাপনের পাশাপাশি আমরা আমাদের পুরো ট্রেডিং সিস্টেমও আপডেট করেছি। নতুন এই কাঠামোতে বর্তমান ইকুইটি মার্কেট, ডেরিভেটিভস মার্কেট এবং ইকুইটি ডেরিভেটিভস মার্কেটকে যুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটি কমোডিটি মার্কেট স্থাপনের জন্য তিনটি কাঠামো প্রয়োজন– রেগুলেটরি (নিয়ন্ত্রক), টেকনোলজিক্যাল (প্রযুক্তিগত) এবং ইকোসিস্টেম। সিএসই ইতোমধ্যে প্রথম দুটি স্তরের কাজ সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে ইকোসিস্টেম তৈরির কাজ চলছে। সবার সহযোগিতা পেলে খুব দ্রুত এই বাজার চালু করা সম্ভব হবে।

সিএসইর এমডি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমাদের ইকুইটি মার্কেট এখনও পরিপূর্ণ নয়। বিশ্বে বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট লেনদেনের বড় অংশই হয় ডেরিভেটিভস মার্কেটে। সেই তুলনায় আমাদের বাজার অনেক পিছিয়ে। যত দ্রুত কমোডিটি মার্কেট চালু হবে, অর্থনীতিতে এর সুফল তত দ্রুত পাওয়া যাবে।’

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে ক্যাপিটাল মার্কেট সিইও ফোরামের ডিরেক্টর মো. আলী বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে পণ্যের বৈচিত্র্য বা প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশন নেই বললেই চলে। নতুন নতুন পণ্যের আগমনকে সফল করতে সিইও ফোরাম কাজ করে যাবে।

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন, কমোডিটি মার্কেট চালু হলে অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। অন্যদিকে, সিইও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাস সিএসইর স্বচ্ছতা ও আধুনিক সেবার প্রশংসা করে বলেন, কমোডিটি মার্কেটের মাধ্যমে বাজার আরও প্রাণবন্ত হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএসইর এজিএম ও কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রজেক্টের মেম্বার সেক্রেটারি ফয়সাল হুদা। এতে বিভিন্ন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।




ওয়ালটন হাই-টেকের পর্ষদ সভা ২২ জানুয়ারি

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, আলোচিত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর, ২০২৫) ও অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকের (জুলাই থেকে ডিসেম্বর, ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১৯ সালে। ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৩৩৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা। সেই হিসেবে কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৩ কোটি ৩২ লাখ ২১ হাজার ১৭৭টি। এর মধ্যে, সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৬১.০৯ শতাংশ, প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.৭৫ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৮.১৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।




৫ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), রহিম টেক্সটাইল মিলস পিএলসি, ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।

আইসিবি: কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ‘এ+’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-৩’ রেটিং হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

রহিম টেক্সটাইল: কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফেরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-৩’ রেটিং হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

ওয়াটা কেমিক্যালস: কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ‘বিবিবি’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-৩’ রেটিং হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

সোনালী আঁশ: কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ‘এ+’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-৩’ রেটিং হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস: কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফেরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-৩’ রেটিং হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সিএসই পরিদর্শন

মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সসিলেন্সি মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি’র (সিএসই) চট্টগ্রামস্থ প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি গত রবিবার (১৬ নভেম্বর) সিএসইর প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সিএসইর এএম-পিএন্ডসিআর তানিয়া বেগম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ, সিএসইর বর্তমান ভুমিকা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে বিস্তারিত তুলে ধরেন ।

তিনি বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেটে কমোডিটি প্লাটফর্ম চালুকরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার সহযোগীতার আশা ব্যক্ত করেন ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ কমোডিটি ট্রেডিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ মালয়েশিয়া থেকে ক্রুড পাম অয়েল (অপরিশোধিত পাম তেল) আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ।

এছাড়া সিএসই কমোডিটি প্লাটফর্মে ভবিষ্যতে ক্রুড পাম অয়েল (অপরিশোধিত পাম তেল)এর ফিউচারস চালু করার আশা রাখছে।

মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সসিলেন্সি মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান বাংলাদেশের কাপিট্যাল মার্কেট বিশেষ করে কমোডিটি মার্কেটের ডেভেলপমেন্টের জন্য সহযোগীতা প্রদান, দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্যের আদান প্রদান, ব্যবসায়িক উন্নয়নে কাজ করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় মালয়েশিয়া হাই কমিশন-এর ফার্স্ট সেক্রেটারি হাজওয়ান বিন হাসনল, সিএসইর পরিচালক মোহাম্মদ আখতার পারভেজ, মেজর (অব) এমদাদুল ইসলাম, চিফ রেগুলেটরি অফিসার, মোহাম্মদ মেহেদি হাসান, সিএফএ, জেনারেল ম্যানেজার, মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, জেনারেল ম্যানেজার ,মোহাম্মদ মনিরুল হক এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।




বড় পতনে শেষ হয়েছে লেনদেন 

চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১০ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের বড় পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ নিয়ে টানা সাত কার্যদিবস পুঁজিবাজারে পতন ঘটেছে।

এর ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪ হাজার পয়েন্টের ঘরে নেমে এসেছে, যা সাড়ে চার মাস আগের অস্থানে নেমে এসেছে।

এদিন আগের কার্যদিবসের চেয়ে ডিএসই ও সিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেন শেষে তা পতনে রূপ নেয়। সোমবার সকালে ডিএসইএক্স সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়। তবে লেনদেন শুরুর ২০ মিনিটের পর থেকে সূচকের পতন লক্ষ্য করা যায়। এর পর আবার বেলার সাড়ে ১২টার দিকে সূচক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফেরে। তবে ১টা নাগাদ সূচক ফের পতনমুখী অবস্থানে চলে আসে। লেনদেন শেষ পর্যন্ত পতনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত ছিল। গত কয়েক মাসের ব্যবধানে পুঁজিবাজারে লেনদেন অনেক কমে গেছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৯.১৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮৬০ পয়েন্টে। এর আগে গত ৩০ জুন ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৪ হাজার ৮৩৮ পয়েন্টে। এদিন ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১.৮৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১৮.৪৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৪০৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৭০টি কোম্পানির, কমেছে ২৭৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪১টির।

এদিন, ডিএসইতে মোট ৩৫৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪০২ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৭৭.৩৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৫০২ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৬.৩৫ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৭৩৭ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৯.০৯ পয়েন্ট কমে ৮৬১ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৭২.৫০ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৩২৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ১৭৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৩৪টি কোম্পানির, কমেছে ১৩০টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৯টির।

সিএসইতে ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।




সিএসই-৫০ সূচক সমন্বয়

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসই-৫০ সূচক সমন্বয় করা হয়েছে। সিএসইতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এ সূচক সমন্বয় করা হয়।

সমন্বিত সূচকে তিনটি কোম্পানি নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে। আর বাদ পড়েছে তিনটি কোম্পানি। সমন্বয় পরবর্তী সূচক আগামী ১১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সিএসই থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য মতে, সিএসই-৫০ সূচকে নতুন করে যুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলো হলো- বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, মারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।

আর ওই সূচক থেকে বাদ যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

উল্লেখ, সিএসই-৫০ ইনডেক্স এ অর্ন্তভুক্ত কোম্পানিগুলোর মূলধন বাজারের মোট নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোর মূলধনের শতকরা প্রায় ৭২.৭৪ ভাগ, ফ্রি-ফ্লোট বাজার মূলধন সব নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোর ফ্রি-ফ্লোট বাজার মূলধনের শতকরা ৭০.৯৮ ভাগ এবং সব নিবন্ধিত কোম্পানিগুলোর বিগত ছয় মাসের (৩০ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত) অ্যাভারেজ ডেইলি টার্নওভার ৪৯.১২ ভাগ।




টানা ৩ দিন বন্ধ থাকবে দেশের শেয়ারবাজার

শুক্রবার থেকে রবিবার (০৪-০৬ জুলাই) দেশের ঊভয় শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বন্ধ থাকবে। আশুরা উপলক্ষ্যে এ ছুটিতে যাচ্ছে শেয়ারবাজার।সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, রবিবার (০৬ জুলাই) আশুরা। এ উপলক্ষ্যে ওইদিন সরকারি ছুটি। ফলে শেয়ারবাজারেও লেনদেন বন্ধ থাকবে। যাতে করে শুক্রবার থেকে রবিবার শেয়ারবাজার বন্ধ থাকবে।

আগামী সোমবার (০৭ জুলাই) থেকে আগের নিয়মে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু হবে।




বোনাস লভ্যাংশ প্রদানে সম্মতি পায়নি অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের প্রদানের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মতি পায়নি।

সোমবার (১৯ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ০.৬০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

কোম্পানিটির লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড তারিখ আগামী ২০ মে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু লভ্যাংশ প্রদানে এখনো সম্মতি দেয়নি বিএসইসি। ফলে লভ্যাংশ প্রদানের এ রেকর্ড তারিখ প্রযোজ্য হবে না। কমিশন থেকে অনুমতি পাওয়ার পরে আরেকটি রেকর্ড তারিখ ঘোষণা করবে কোম্পানিটি।

আইন অনুযায়ী, বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না। তাই বোনাস শেয়ার ঘোষণার পর তা প্রদানের লক্ষ্যে যে কোনো কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতির জন্য আবেদন করে থাকে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতি পেলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে।




পুঁজিবাজারে পতন অব্যাহত, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পুরনো ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন বিনিয়োগকারীরা

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। ফলে, পুঁজিবাজারে সূচকের পতন অব্যাহত আছে।

এদিন ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন অনেক কমলেও সিএসইতে কিছুটা বেড়েছে। দিনশেষে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

এদিকে, পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পুরনো ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন।

ডিএসই ও সিএসই সূত্র জানিয়েছে, দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৭.১৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯৩৫ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২.৯২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৩ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ৬.৬০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১৩৬টি কোম্পানির, কমেছে ২১১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫০টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ২৯১ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ২১.৭৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৪২৬ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩০.৬৭ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৮১৫ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৩.৪৪ পয়েন্ট বেড়ে ৮৯১ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৯.৪২ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৬৫৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ২০০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৭১টি কোম্পানির, কমেছে ৯৭টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩২টির।

সিএসইতে ১০ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৯ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।




ডিএসই ও সিএসইতে নতুন ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন শুরু

দেশের অপর পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইস্যু করা নতুন ২ বছর মেয়াদের ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন শুরু হয়েছে। সোমবার (১০ মার্চ) থেকে ডিএসই ও সিএসইতে ট্রেজারি বন্ডটির লেনদেন শুরু হয়েছে।

এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, নতুন বন্ডটির নাম হলো- ‘‘2 Year BGTB 05/03/2027’’। ডিএসইতে বন্ডটির লেনদেন কোড- ”TB2Y0327” এবং ডিএসইতে স্ক্রিপ্ট কোড- “88530”। একইভাবে সিএসইতে বন্ডটির লেনদেন কোড- ”TB2Y03270” এবং সিএসইতে ট্রেডিং আইডি- “50296”।

তথ্য মতে, ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ডিএসই ও সিএসই’র ডেবট বোর্ডের অনুমতি সাপেক্ষে বন্ডটির মেয়াদ আগামী ২০২৭ সালের ৫ মার্চ শেষ হবে। বন্ডটির প্রতি ইউনিটের মূল্য ১০১.২৩৮৪ টাকা এবং অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা। বন্ডের মার্কেট লট ১০০০টি করে। এই বন্ড ১১.২০ শতাংশ হারে বছরে ২ বার কুপন প্রদান করবে।




সিএসইর নতুন সময়সূচিতে লেনদেনের সিদ্ধান্ত স্থগিত

নতুন সময়সূচিতে লেনদেনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। আগামীকাল রোববার (২৬ জানুয়ারি) থেকে সকাল ১০টার পরিবর্তে সকাল সাড়ে ৯টায় লেনদেন শুরু করার নতুন সিদ্ধান্ত থেকে আপাতত সরে এসেছে সিএসই।

সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অনুরোধের প্রেক্ষিতে লেনদেনের এই নতুন সূচি স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সব ট্রেকহোল্ডারকে চিঠি দিয়ে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেনের সময় ৪৫ মিনিট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চিঠিতে ট্রেকহোল্ডারদেরকে নতুন সময়সূচি অনুসারে লেনেদেন পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।




চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের এজিএম অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) পিএলসির ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামে অবস্থিত সিএসইর প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান।

সিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বার্ষিক সাধারণ সভায় সিএসইর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাইফুল ইসলাম, ড. মাহমুদ হাসান, নাজনীন সুলতানা, ফরিদা ইয়াসমিন, মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মাদ আখতার পারভেজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার এবং কোম্পানি সেক্রেটারি, রাজীব সাহা উপস্থিত ছিলেন।

বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার জন্য অনুমোদন দেন। সিএসইর একজন শেয়ারহোল্ডার ডিরেক্টর পদের জন্য ১২ ডিসেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে দুজন প্রার্থীর মধ্যে একজন নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচিত হন। শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী আলফা সিকিউরিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।




‘কমোডিটি এক্সচেঞ্জ স্থাপন করলে পুঁজিবাজার গতিশীল হবে’

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) পিএলসির চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান বলেছেন, আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে অত্যন্ত সুন্দরভাবে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করতে পারব। এর মাধ্যমে আমাদের পুঁজিবাজার আরো গতিশীল হবে।

শনিবার (২ নভেম্বর) চট্টগ্রামে সিএসইর প্রধান কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কমোডিটি ডেরিভেটিভস-বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার, পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সিএসইর চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান বলেছেন, সিএসই বাংলাদেশে প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। এজন্য প্রয়োজনীয় তিনটি অংশের মধ্যে রেগুলেটরি এবং কারিগরি অংশের কাজ শেষের দিকে। আর তৃতীয় অংশ মার্কেট ডেভেলপমেন্টের কাজ চলমান। তারই ধারাবাহিকতায় বেশকিছু সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান এবং প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আজকের এই অনুষ্ঠানটি নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণেরও তিনটি উদ্দেশ্য থাকে। প্রথমত, নিজের দক্ষতাকে আরও উন্নিত করা, জ্ঞানকে বর্ধিত করা এবং এটিটিউড পরিবর্তন করা। আজকের এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনারা যেমন ট্র্যাডিশনাল মার্কেট এবং কমোডিটি মার্কেটের পার্থক্য বুঝতে পারবেন, তেমনই নতুন মার্কেটে অংশগ্রহণের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাবেন। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমগুলোতে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদেরকে যুক্ত করে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলা। যারা আজকের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন, আমরা আশা করব, আপনারাই থাকবেন কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার পর অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রথম সারিতে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিএসইর পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ কোটি কোটি মানুষের দেশ এবং বিপুল সম্ভাবনাময়। অথচ, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল বা পাকিস্তান থেকে এখনো পিছিয়ে আছে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার দিক দিয়ে। আজ কমোডিটি এক্সচেঞ্জ থাকলে পণ্যের সঠিক এবং যৌক্তিক মূল্য পাওয়া যেত। পণ্যমূল্যের এত ওঠানামা হত না। এতে ভোক্তা থেকে উৎপাদনকারী সবাই উপকৃত হতো। কাজেই আমাদের অর্থনীতির জন্য এই কমোডিটি এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠা এবং এর কার্যক্রম শুরু করা অতিব জরুরি।

সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অনেক আগে থেকেই সুগঠিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত কমোডিটি ডেরিভেটিবস এক্সচেঞ্জ রয়েছে। তারপরও এক্সচেঞ্জগুলো এবং প্রতিষ্ঠিত ব্রোকাররা নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজন করেন। এই প্রশিক্ষণগুলোর দুটি দিক আছে। প্রথমত, নতুন নতুন পরিবর্তনগুলো জানানো এবং দ্বিতীয়ত, নতুন জেনারেশনকে প্রস্তুত করা। ইতোমধ্যে সিএসই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ স্থাপনের জন্য প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরির কাজ প্রায় শেষ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট রেগুলেশন অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে জমা দিয়েছে। এটা খুব শিগগিরই অনুমোদন পাবে বলে আশা করছি। এখন গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো মার্কেট এবং মার্কেট সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের উপযুক্তভাবে তৈরি করা অর্থাৎ যারা এক্সচেঞ্জের সাথে যুক্ত হবেন তাদেরকে সঠিকভাবে প্রস্তুতের জন্য বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান এবং ট্রেনিং-এর ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা। দুই বছর ধরে সে লক্ষ্যে সিএসই টিম সচেতনতামূলক বিভিন্ন ধরনের নিয়মিত কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এমসিএক্স (মালটি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ) ইন্ডিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্টে অ্যান্ড হেড অব রিসার্চ দেবজ্যোতি দে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশিক্ষণে অংশ নেন। মূল প্রশিক্ষণে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ-বিষয়ক রেগুলেটরি, বিজনেস এবং প্রযুক্তিবিষয়ক উপস্থাপনা প্রদান করেন কনভেনার, কমোডটি এক্সচেঞ্জ প্রোজেক্ট মো. মরতুজা আলম, কমোডটি এক্সচেঞ্জ প্রোজেক্ট সদস্য মো. ফয়সাল হুদা, ম্যানেজার মোহাম্মাদ হাবিবুল্লাহ এবং নাহিদ আফরোজ।




লেনদেন নিষ্পত্তির সময়সীমা কমাতে কমিটি করবে বিএসইসি

পুঁজিবাজারের বিদ্যমান শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময়কে আরও দ্রুত সমাধানে এবং বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশ্লিষ্টদের কাজ করার প্রক্রিয়াসহ সুবিধা-অসুবিধা ও ফলাফলের বিষয়ে ডিএসই, সিএসই, সিডিবিএল, পুঁজিবাজারের ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নিয়ে কমিটি করবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

শনিবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনে পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সঙ্গে বিএসইসির এক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, কমিশনার মু. মোহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ, বিএসইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের সব সদস্য, ডিএসইর এমডির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল, সিএসইর সিআরওর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ও সিডিবিএলের এমডির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রাসেদ মাকসুদ বলেন, ‘পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও কল্যাণের স্বার্থে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সংস্কারের জন্য বিএসইসি কাজ করছে। সবার সঙ্গে সমন্বয় করেই বাজারের জন্য ভালো কিছু করতে চাই। বিনিয়োগকারীদের কল্যাণের কথা ভেবে বিএসইসি বাজারে মূলধনী আয়ের ওপর আরোপিত করহার কমানোর বিষয়ে সরকার ও এনবিআরের সঙ্গে কথা বলছে। বিষয়টি সমাধানে আমাদের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই বিষয়টিতে আমরা ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারব বলে আশা করছি।’

বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, পুঁজিবাজারের সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের উন্নয়নে বিএসইসি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং বিএসইসির সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমের আধুনিকায়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

অনুষ্ঠিত সভায় সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও কল্যাণের স্বার্থে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন পলিসি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পুঁজিবাজারের বিদ্যমান করনীতির প্রয়োজনীয় সংস্কার, পুঁজিবাজারের সার্ভেইল্যান্সের মান উন্নয়ন ও সার্ভেইল্যান্সের মাধ্যমে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনাসহ সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থার সংস্কার ও পুঁজিবাজারের বিদ্যমান শেয়ার লেনদেনের সেটলমেন্ট সময়কে আরো দ্রুত করা ও বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশ্লিষ্টদের জন্য সুবিধাজনক করার বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে।

বৈঠকে পুঁজিবাজারের অনিয়ম রোধে এবং কারসাজিকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে সার্ভেইল্যান্স কার্যক্রম আধুনিকায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া বাজারদর কারসাজি ও ইনসাইডার ট্রেডিংসহ অন্যান্য অনিয়ম রোধকল্পে বিএসইসি, ডিএসই, সিএসই সবার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের সার্ভেইল্যান্স কার্যক্রম আরো শক্তিশালীকরণের বিষয়ে মত দেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি পুঁজিবাজারকে আরো গতিশীল করতে ও বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ আগ্রহী করতে বিদ্যমান করনীতির সংস্কার আনতে এবং করহার অধিকতর যৌক্তিকীকরণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত সবাই দেশের পুঁজিবাজারকে সংস্কার ও উন্নয়নের মাধ্যমে আরো ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। দেশের পুঁজিবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে আলোচিত বিষয়গুলোয় দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে এবং এটি শিগগিরই দেশের পুঁজিবাজারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।




সিএসই’র ৮ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের চাপ

দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) দুই ব্যবস্থাপক এবং তিনজন উপ-ব্যবস্থাপকসহ মোট আট কর্মকর্তাকে স্বেচ্ছায় অবসর স্কিমের (ভিআরএস) আওতায় বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছে।

আট কর্মকর্তা হলেন- ব্যবস্থাপক মো. নুরুল আজিম ও মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম। উপ-ব্যবস্থাপক নাজিম বিন নজরুল, রাহী ইফতেখার রেজা ও মাসুদা বেগম; সহকারী ব্যবস্থাপক মো. আলী রাগেব; চৌধুরী তানভীর সালাহউদ্দিন এবং সিনিয়র অফিসার শাহিন আক্তার।

সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম সাইফুর রহমান মজুমদার গত ২৭ জুন পৃথকভাবে এই ৮ কর্মকর্তাকে এই সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিতে ৮ কর্মকর্তাকে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অবসর গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। যদি স্বেচ্ছায় অবসর না নেওয়া হয় তাহলে কতৃপক্ষ মানব সম্পদ প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ নিবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী পরিস্থিতিতে সামগ্রিক ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণকে নতুন করে সাজানোর জন্য সিএসইর পরিচালনা পর্ষদ বৈঠকে জনবল রদবদল করার জন্য বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে, সোমবার (০৮ জুলাই) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তাঁর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

চিঠিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এই জোরপূর্বক পদত্যাগে সফল হয়, তাহলে আমরা আমাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সমস্যায় পড়ব, এতে শুধুমাত্র সিএসই’র ভাবমূর্তিই নয়, পুরো শেয়ারবাজারের ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

চিঠিতে তারা আরও বলেন, সিএসই পরিচালনা পর্ষদ সম্প্রতি কর্মীদের জন্য ভিআরএস স্কিম পাস করেছে। দুর্ভাগ্যবশত, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমাদের, আট কর্মচারীকে স্কিমটি গ্রহণ করার জন্য চিঠি দিয়েছেন এবং যদি আমরা স্কিমটি গ্রহণ না করি তাহলে আমাদের আমাদের পদত্যাগের জন্য বাধ্য করবে। সেখানে আমাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বা নিয়ম বা আইন লঙ্ঘন ছাড়াই পদত্যাগ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে তারা দাবি করছেন, সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমাদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করার জন্য চিঠি পাঠিয়েছেন, যা বেআইনি এবং অমানবিক। এছাড়াও সিএসইর শীর্ষ পরিচালনা পর্ষদ শীঘ্রই আমাদের আরও সহকর্মীদের চিঠি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।




দ্বৈত কর প্রত্যাহারসহ বাজেটে সিএসই’র ১০ প্রস্তাব

আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজারে গুণগত মান সম্পন্ন কোম্পানি তালিকাভুক্তি করার প্রত্যাশা রেখেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। এছাড়া লভ্যাংশের উপর দ্বৈত কর প্রত্যাহার করাসহ ১০টি প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

রোববার (২ জুন) সিএসই’র চট্টগ্রামে অবস্থিত প্রধান কার্যালয়ে আসন্ন ২০২৪-২০২৫ বাজেট পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এসময় প্রতিষ্ঠানটি এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন। সিএসই থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সিএসই’র চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম । এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিএসইর পরিচালক মেজর (অব) এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মাদ নকিব উদ্দিন খান, মোহাম্মেদ আখতার পারভেজ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম সাইফুর রহমান মজুমদার । এ সময় সিএসইর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন ।

সিএসইর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম আসন্ন বাজেট নিয়ে মূল বক্তব্য প্রদান করেন । তিনি বলেন, আগামী ৬ জুন অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে আসন্ন ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য বাজেট উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। আমরা আশাকরি, চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সমূহ বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় অর্থমন্ত্রী একটি টেকসই ও গতিশীল বাজেট উপস্থাপন করবেন। একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক বাজার কাঠামো তৈরী করার ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে । জাতীয় সংসদে জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ উপস্থাপনের প্রাক্কালে আমরা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট কৌশল বাজেট কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আপনাদের মাধ্যমে সরকারের নিকট উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করছি।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বাজেট আমাদের দেশের জন্য শুধুমাত্র একটি বাৎসরিক আয় ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত দিক নির্দেশনাও বটে। বর্তমান সরকারের কৌশলগত উন্নয়ন পরিকল্পনায় বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিতকরন এবং ২০৪১ সালে একটি উন্নত রাষ্ট্রে উন্নিতকরনের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তার সাথে সামঞ্জস্য রাখার জন্য একটি যথোপযুক্ত অর্থ বাজার কাঠামো তৈরি করা খুবই গুরুত্বপুর্ণ । একটি টেকসই বাজার কাঠামোর জন্য অর্থ বাজার, পুঁজিবাজার এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাঠামোর একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমাদের আর্থিক বাজার কাঠামো কার্যত অনেকাংশে ব্যাংকব্যবস্থা তথা অর্থবাজারের উপর নির্ভরশীল । যার বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে ইতিমধ্যে প্রতীয়মান হচ্ছে । আগামী বছরের জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজারের গুণগত সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য যথাযথ কৌশল নির্ধারণ করে দিকনির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে ।

সিএসইর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম যেসব প্রত্যাশা তুলে ধরেন:

১। তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা বৃদ্ধি করন: বর্তমানে ৩৪৯ টি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আছে। স্থিতিশীল পুঁজিবাজারের জন্য গুণগত মান সম্পন্ন কোম্পানি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ সংখ্যা একটি সন্তোষজনক সংখ্যায় উন্নীতকরন করা প্রয়োজন।

২। একটি কার্যকর কর্পোরেট বন্ড মার্কেট চালুকরণ: দেশে ক্রমবর্ধমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের লক্ষ্যে একটি স্থিতিশীল শক্তিশালী বন্ড মার্কেট অতীব জরুরী। একটি শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গঠন ও নতুন বন্ডের তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজারে পণ্যের বৈচিত্র্যতা আনয়নের নিমিত্তে বন্ড হতে উদ্ভুত আয়কে কর অব্যহতি প্রদান করা প্রয়োজন।

৩। মার্কেট ক্যাপ জিডিপি রেশিও বৃদ্ধিকরণ: বাংলাদেশের অর্থনীতি সমসাময়িক peer কান্ট্রিগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে মার্কেট ক্যাপ – জিডিপি রেশিও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন । যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে স্থানীয় এবং বিদেশী বিনিয়োগ উৎসাহিত করার একটি প্যারামিটার হিসেবে বিবেচিত হয়।

৪। পুঁজিবাজারের জন্য বাজার মধ্যস্থতাকারী ও বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ: বর্তমানে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে দক্ষ বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্কট রয়েছে । পাশাপাশি বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কম। এই সংখ্যা একটি কাংখিত স্তরে উন্নিত করা প্রয়োজন ।

৫। পুঁজিবাজারের পন্য বৈচিত্র্যকরণ: বর্তমান পুঁজিবাজার শুধুমাত্র ইকুইটি মার্কেট নির্ভর। যার ফলে বাজারে যেমন অনাকাঙ্ক্ষিত অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয় তেমনি এটি পুঁজিবাজার সম্প্রসারণের অন্তরায়। এই লক্ষ্যে কার্যকর কৌশলের মাধ্যমে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন।

সিএসই’র অন্যান্য প্রস্তাবগুলো হলো— তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির কর্পোরেট কর হারের ব্যবধান নূন্যতম ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা, বন্ড থেকে উদ্ভূত আয়কে কর অব্যাহতি দেওয়া, ব্লু বন্ড এবং গ্রীন বন্ডকে সম্পূর্ণ কর অব্যহতি সহ কর রেয়াত প্রদান করা , লভ্যাংশের উপর দ্বৈত কর প্রত্যাহার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর মূলধনী লাভের উপর কর প্রত্যাহার, মিউচুয়াল ফান্ড এবং ইটিএফ ইত্যাদি কালেকটিভ ইনভেস্টমেন্ট স্কীমে কর রেয়াতি সুবিধা বৃদ্ধি করা, মূলধনী লাভের উপর কর কর্তন করা হলে তা চূড়ান্ত করদায় হিসাবে বিবেচনা করা, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড এবং স্মল ক্যাপ বোর্ডে কোম্পানিগুলোকে প্রথম ২ বা ৩ বছরের জন্য কর অব্যাহতি প্রদান, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর উপর সকল ধরনের কর প্রত্যাহারের ঘোষণা প্রদান, কমোডিটি এক্সচেঞ্জকে পাঁচ বছরের জন্য কর অব্যাহতি প্রদান।




সিএসই শরিয়াহ সূচকে নতুন ৬ কোম্পানি যুক্ত

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পারফরম্যান্স পর্যালোচনার ভিত্তিতে সিএসই শরিয়াহ সূচক সমন্বয় করা হয়েছে। সিএসই শরিয়াহ সূচকে নতুন ০৬ টি কোম্পানিকে যুক্ত করা হয়েছে এবং আগের ০৫ টি কোম্পানিকে বাদ দেয়া হয়েছে।

সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, শরিয়াহ সূচকে নতুন করে যুক্ত ছয় কোম্পানি হলো এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড, রহিমা ফুড করপোরেশন ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড।

অন্যদিকে, বাদ যাওয়া পাঁচ কোম্পানি হলো এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস লি., সায়হাম কটন মিলস লি, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি ও স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

এ সূচকে মোট ১২৬টি কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চূড়ান্ত সিএসই শরিয়াহ ইনডেক্স এ অন্তর্ভুক্ত ১২৬ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে আমরা নেটওয়াকিস লিমিটেড, আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড, একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড, এডিএন টেলিকম লিমিটেড, অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড, এএফসি এগ্রো বায়োটেক সিং, অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আমান কটন ফাইব্রাস লিমিটেড, অ্যাম্বে ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেড, অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস, এপেরা ফুড লিমিটেড, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন লিমিটেড, বঙ্গজ লিমিটেড, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড, বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, বাটা ও কোম্পানি (বিডি) লিমিটেড, বিবিএস ক্যাবলস পিএলসি, বিডিকম অনলাইন লিমিটেড, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড, বিচ হ্যাচারি লিমিটেড, বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেড, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ড্যাফোডিল কম্পিউটারস লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড, ড্রাগন সোয়োটার এড স্পিনিং লিমিটেড, ইস্টাল ক্যাবলস লিমিটেড, ই-জেনারেশন লিমিটেড, স্কয়ার নিট কম্পোজিট লিমিটেড, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বিডি লিং, ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ফার ইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ফাইন ফুডস লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ফরচুন সুজ লিমিটেড, ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেড, ডিবিবি পাওয়ার লিমিটেড, গ্লোবাল হেভী কেমিক্যালস লিমিটেড, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, জিকিউ বল পেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গ্রামীণ ফোন লিমিটেড, হাক্কানী পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড, হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, এইচডব্লিউএ ওয়েল টেক্সটাইলস (বিডি) লিমিটেড, ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ইনফরমেশন টেকনোলজি কনসালটেন্ট পিএলসি, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেড, ইসলামী ফাইনাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফেকচারিং লিমিটেড, জেএমআই সিরিঞ্জেস অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইসেস লিমিটেড, কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড, কেডিএস এক্সেসরিজ লিমিটেড, খান ব্রাদারস পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, কোহিনূর কেমিক্যাল কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড, লিগেসি ফুটওয়ার লিমিটেড, লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড, লুব-রেফ (বাংলাদেশ) লিমিটেড, এম এল ডাইং লিমিটেড, মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড, এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড, মুহ সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, নাহি অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল লিমিটেড, ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড, নাভানা সিএনজি লিমিটেড, ওইমেক্স ইলেকট্রোড লিমিটেড, অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেড, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, প্রাইম টেক্সটাইল স্পিনিং মিলস লিমিটেড, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আরএকে সিরামিকস (বিডি) লিং, রহিমা ফুড কর্পোরেশন লিমিটেড, রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড, রেকিট বেনকিজার (বাংলাদেশ) লিমিটেড, রিজেন্ট ট্যাক্সটাইল মিলস লিমিটেড, রবি আজিয়াটা লিমিটেড, সাইহাম টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেড, স্যালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সমতা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেড, শমরিতা হসপিটাল লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, শাহজিবাজার পাওয়ার কোঃ লিমিটেড, শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড, সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেড, সামিট এলায়েন্স পোট লিমিটেড, সামিট পাওয়ার লিমিটেড, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, দ্য ঢাকা ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড, দ্য ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি, তিতাস গ্যাস ট্রান্স, ট্রাস্ট ইসলামি সাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড, ভিএফএস গ্রেড ডাইং লিমিটেড, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড এবং জাহিন স্পিনিং লিমিটেড।




ওয়েব কোটসের কিউআইওর আবেদন শুরু

পুঁজিবাজারে এসএমই প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া ওয়েব কোটস পিএলসি এর কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) আবেদন গ্রহণ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে। এ আবেদন গ্রহণ চলবে ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর বিএসইসির ৮৯০তম কমিশন সভায় কোম্পানির কিউআইও অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ) রুলস, ২০২২ অনুযায়ী ওয়েব কোটস পিএলসির ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ৫ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে কিউআইওর মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের নিকট ইস্যু করা হবে।

কিউআইও’র মাধ্যমে পুঁজি উত্তোলন করে কোম্পানিটি নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়, কার্যকরি মূলধন, ঋণ পরিশোধ ও ইস্যু ব্যবস্থাপনা খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানির ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়কালের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৫০ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫.৯২ টাকা।

এসএমই প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর ইস্যুয়ার কোম্পানি কোন বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে সোনালী ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।




সূচকের উত্থানে ১ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা লেনদেন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সূচকের উত্থানের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসই ও সিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন বেশ বেড়েছে।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমলেও সিএসইতে বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২৩.৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসই শরিয়া সূচক ৮.৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১০.৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১৪৮টি কোম্পানির, কমেছে ২১৪টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৪টির।

মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ১ হাজার ৬৫১ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৬৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স ৪১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১০ হাজার ৮৩৬ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭০.৪০ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ১০২ পয়েন্টে, শরিয়া সূচক ৪.৫১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৬২ পয়েন্টে এবং সিএসই৩০ সূচক ১১.৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৩৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিন সিএসইতে ৩০৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১৩৬টি কোম্পানির, কমেছে ১৩২টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৭টির। দিন শেষে সিএসইতে ২৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৯ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।




বারাকা পাওয়ারের কর্পোরেট পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা

পুঁজিবাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বারাকা পাওয়া লিমিটেডের কর্পোরেট পরিচালক শেয়ার বিক্রয় করার ঘোষণা দিয়েছে।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানির কর্পোরেট পরিচালক ফিউশন হোল্ডিংসের কাছে ১ কোটি ৯৪ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯২টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৩ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে।

আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ঘোষণাকৃত শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাবলিক ও ব্লক মার্কেটে বিক্রি সম্পন্ন করবে।




৩ কোম্পানির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

কোম্পানি তিনটি হলো- শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও মেঘনা কনডেন্স মিল্ক লিমিটেড।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ: কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ: কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

মেঘনা কনডেন্স মিল্ক: কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ৩০ জানুয়ারি দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।




ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের ক্যাটাগরি পরিবর্তন

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘এন’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি ৩০ জুন, ২০২৩ সালের অর্ধবার্ষিকী আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ দিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে কোম্পানিটি ‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।

এর আগে কোম্পানিটি সমাপ্ত হিসাব বছরের লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করেছে।




সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজে সচিব নিয়োগ

পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটির নতুন কোম্পানি সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শেখ বিন আবেদিন।

সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন ৭৯ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১টি। এর মধ্যে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৩১.৬৫ শতাংশ, প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৮.৬২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫৯.৭৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।




বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার সম্মতি পেলো আইসিবি

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) লিমিটেডের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের দেওয়ার সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ আলোচ্য হিসাব বছরে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২.৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আর বাকি ২.৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ।

আগামী ২১ ডিসেম্বর কোম্পানির বোনাস লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আইসিবি।




রূপালী ব্যাংকের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করা হয়েছে।

কোম্পানিটিকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের রেটিং অনুযায়ী, রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ+’ এবং আর স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এসটি-১’।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় তথ্যে ভিত্তিতে এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নাম পরিবর্তনের অনুমতি ডিএসইর

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানিটির নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাংকটি দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কাছে নাম পরিবর্তনের অনুমতি চায়। এরই ধরাবাহিকতায় সার্বিক দিক বিবেচনা করে ব্যাংকটির নাম পরিবর্তন করার অনুমতি দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটির নাম ‘ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড’ এর পরিবর্তে ‘ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি’ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ডিএসই। সোমবার (২৭ নভেম্বর) থেকে কোম্পানির নতুন নাম কার্যকর হবে।

নাম পরিবর্তন ছাড়া অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।




সিএসইর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) এর ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) চট্টগ্রামে অবস্থিত সিএসই এর প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিএসই-এর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহীম।

সিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এ বার্ষিক সাধারণ সভায় সিএসইর পরিচালকবৃন্দ আব্দুল হালিম চৌধুরী, মনজুরুল আহসান বুলবুল, ইশতার মহল, মোহাম্মাদ নকিব উদ্দিন খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), মো. গোলাম ফারুক এবং কোম্পানি সেক্রেটারি, রাজীব সাহা উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ২০২২-২০২৩ সালের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের জন্য অনুমোদন দেন। আর সিএসইর দুটি শেয়ারহোল্ডার ডিরেক্টর পদের জন্য আয়োজিত নির্বাচনে শেয়ারহোল্ডাররা ভোট প্রদান করেন। নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোহসেনউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নির্বাচন পরিচালনা করেন।

শেয়ারহোল্ডাররা পিএইচপি স্টক অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মেদ আখতার পারভেজ চৌধুরী এবং বি.কে. ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক, মেজর (অবঃ) এমদাদুল ইসলামকে সিএসইর পরিচালক হিসাবে নির্বাচিত করেন।




সিএসইর নতুন এমডি সাইফুর রহমান মজুমদার

চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জ (সিএসই) পিএলসির নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এম সাইফুর রহমান মজুমদার।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৮৮তম কমিশন সভায় এ নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, এম সাইফুর রহমান মজুমদার সিএসই’র পরিচালনা বিধান, ২০১৩ অনুযায়ী এমডি পদে নিযুক্ত হবেন। তিনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিএসইর সাবেক এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগের জন্য তিন জনের নাম চূড়ান্ত করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিতে পাঠায় সিএসই। তারা হলেন- ডিএসইর সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, সিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. গোলাম ফারুক এবং সিএসইর সেটলমেন্ট ও লিস্টিং বিভাগের প্রধান একেএম শাহরোজ আলম। সার্বিক দিক বিবেচনা করে বিএসইসি সাইফুর রহমান মজুমদারকে নতুন এমডি হিসেবে অনুমোদন দেয়।

এম সাইফুর রহমান মজুমদার ১৯৯২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) সিএমএ শেষ করেন।

এরপর ১৯৯৮ সালে শেষ করেন ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) সিএ। সিএ পড়ার সময় রহমান হক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসে কর্ম জীবন শুরু করেন সাইফুর রহমান মজুমদার।




ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩২ শতাংশই ব্লক মার্কেটে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ৪২৬ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে ১৩৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩২ শতাংশ। তবে ডিএসইতে গতকাল আগের দিনের তুলনায় লেনদেন বাড়লেও সূচক কমেছে।

ডিএসই সূত্র অনুযায়ী, গতকাল এক্সচেঞ্জটিতে ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের। কোম্পানিটির ৩৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার এদিন ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে। এর পরই রয়েছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট। গতকাল কোম্পানিটির ২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির ১৮ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে।

 

তথ্য অনুসারে, গতকাল দিন শেষে আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২৩০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইর ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ গতকাল দশমিক ৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ১৩০ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গতকাল দিন শেষে ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৫০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, আলহাজ টেক্সটাইল মিলস, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, বসুন্ধরা পেপার মিলস ও প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারের।

ডিএসইতে গতকাল ৪২৬ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেনের বিপরীতে আগের কার্যদিবসে ছিল ৩৬৭ কোটি টাকা। গতকাল এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ২৮৩টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ২৯টির, কমেছে ১০৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৪৭টির।

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২১ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্যাংক খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ দশমিক ২ শতাংশ দখলে নিয়েছে ভ্রমণ খাত। ১১ দশমিক ৮ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বীমা খাত। মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৩ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল খাদ্য খাত। আর ওষুধ ও রসায়ন খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। গতকাল ডিএসইতে ইতিবাচক রিটার্নের দিক দিয়ে শীর্ষে ছিল ভ্রমণ ও অবকাশ ও পাট খাত। আর নেতিবাচক রিটার্নের দিক দিয়ে শীর্ষে ছিল কাগজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও সাধারণ বীমা খাত।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) নির্বাচিত সূচক সিএসসিএক্স গতকাল সাড়ে ৪ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১১ হাজার ৪৬ পয়েন্টে। সিএসইর সব শেয়ারের সূচক সিএএসপিআই গতকাল ৭ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৪৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের কার্যদিবসে সূচকটির অবস্থান ছিল ১৮ হাজার ৪৭৮ পয়েন্টে। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ১২৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৫টির, কমেছে ৫৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪৫টির। গতকাল সিএসইতে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে।




শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সিএসইর লভ্যাংশ ঘোষণা

শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে দেশের চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)। প্রতিষ্ঠানটি আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে। ২০২৩ সালের গত ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত স্টক এক্সচেঞ্জটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সর্বশেষ হিসাব বছরে সিএসইর শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৪ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৬১ টাকা।

গত ৩০ জুন ২০২৩ তারিখে সিএসইর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১২.০১ টাকা।

শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিতে ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য সিএসইর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছ ১৮ অক্টোবর।




অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের পর্ষদ সভা ২৬ সেপ্টেম্বর

পুঁজিবাজারে ট্যানারি খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, পরিচালনা পর্ষদ সভায় ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে কোম্পানিটি তা প্রকাশ করবে। আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে।

আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল।




সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। রেটিং করেছে আরগুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড (এসিআরএসএল)।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে জানা গেছে, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং ‘এ-’ হয়েছে। স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে এসটি-৩।

সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেন, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্য অনুযায়ী কোম্পানিটির এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ

পুঁজিবাজারের বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ প্রদান করেছে কোম্পানিটি।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.২০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৫২ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৪.৩০ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০.৬৮ টাকা।




সিএসই’র সাবেক এমডি মামুন-উর-রশিদ’র ইন্তেকাল

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মামুন-উর-রশিদ (৬৬) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। সিএসই থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, ভাই-বোনসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ঢাকার গুলশান সোসাইটি মসজিদ প্রাঙ্গণে বাদ এশা মরহুমের প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা গ্রামের ইলিয়াস খাঁর বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে যোগ দেন মামুন-উর-রশিদ। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন মামুন-উর-রশিদ। তার আগে তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।




চার্টার্ড লাইফের এজিএমের সময় পরিবর্তন

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির এজিএম বেলা ১১টার পরিবর্তে দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, কোম্পানির ১০তম এজিএম পূর্ব ঘোষিত বেলা ১১টার পরিবর্তে দুপুর ১২টায় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির এজিএম আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.২৪ টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২০ টাকা ছিল।




 কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের হিসেবে প্রেরণ

পুঁজিবাজারের বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ প্রদান করেছে কোম্পানিটি।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডাররা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৬ টাকা। আগের হিসাববছরের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ২.৩৭ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০.৭২ টাকা।




৯৪ দফা বাড়ল পিপলস লিজিংয়ের লেনদেন বন্ধের মেয়াদ

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসের শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ৯৪ দফা কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হলো।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন আরও ১৫ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে হিসেবে ৭ থেকে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

এর আগে, সর্বশেষ ৯৩ দফায় ১৬ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ ছিল। এর আগে আরও ৯১ দফা কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

প্রথম দফায় ২০১৯ সালের ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর ১৫ দিন পরপর কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে যাচ্ছে ডিএসই। তাতে এ কোম্পানিতে আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।