অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সহযোগিতা জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-আমিরাত

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দু’দেশের মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৈদেশিক বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ড. থানি বিন আহমেদ আল জাইউদির মধ্যে বৈঠকে এ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এ বৈঠকে পারস্পরিক সমৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারে উভয় দেশের অভিন্ন প্রত্যাশার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ মে) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সমুদ্র বন্দর ব্যবস্থাপনা, বিমান চলাচল, অবকাঠামো নির্মাণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য নতুন প্রযুক্তির ওপর বিশেষ মনোযোগ দিয়ে জ্বালানি সুরক্ষাসহ সহযোগিতার নতুন এবং উদীয়মান ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণের ওপর জোর দেন। অর্থমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের পর্যায়ে উন্নীতর ওপর জোর দেন।

উভয় দেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে দুই মন্ত্রী যৌথ ব্যবসায়িক কাউন্সিল সক্রিয় করার এবং নিকট ভবিষ্যতে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (সিইপিএ) সমাপ্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ করতে এবং পারস্পরিক সুবিধার জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে একটি উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী মাসে বাংলাদেশ সফর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের পক্ষ এডিএফডি (আবুধাবি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন বাড়ানোর জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় বিষয় ছাড়াও মন্ত্রীরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করেন, অভিন্ন সংকট মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য বহুপক্ষীয় সহযোগিতা ও সমন্বয়ের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর এবং ইআরডির অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার হোসেন বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। এসময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রীকে তার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সহায়তা করেন।

অর্থমন্ত্রী ৭-৯ মে আবুধাবিতে নির্ধারিত ১৩তম এআইএম (বার্ষিক বিনিয়োগ সভা) কংগ্রেস-২০২৪ এ যোগ দিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে রয়েছেন। এবারের প্রতিপাদ্য ‘অ্যাডাপ্ট টু এ শিফটিং ইনভেস্টমেন্ট ল্যান্ডস্কেপ: হার্নেসিং নিউ পটেনশিয়াল ফর গ্লোবাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট’।

অর্থমন্ত্রী আজ সকালে কংগ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবং অন্যান্য কয়েকটি অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। এআইএম কংগ্রেস হলো- এআএম গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের একটি উদ্যোগ, একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা কার্যকর প্রচার কৌশলগুলো বৃদ্ধি করে এবং অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা ও সম্প্রসারণের সুযোগগুলোকে সহজতর করে বিশ্বের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মন্ত্রী, শিল্প নেতা, নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এবং বিশেষজ্ঞসহ ১৭৫টি দেশের ১০ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনী কৌশল এবং সুযোগগুলো অন্বেষণ করতে এখানে সমবেত হয়েছেন।




২ লাখ ৪০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

মরক্কো, সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২ লাখ মেট্রিক টন সার ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৪০ হাজার টন সার কেনা হবে। যেখানে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ১৮৩ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ৬৫০ টাকা।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় মরক্কোর ওসিপি এস এ থেকে ৩টি লটে ৪০ হাজার করে এক লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার কেনার পৃথক তিনটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেখানে ব্যয় হবে ৭৫১ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১০৮ কোটি ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে কাতারের মুনতাজাত থেকে সপ্তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক প্রিল্ড ইউরিয়া সার ১০৮ কোটি ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১০৮ কোটি ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে বিসিআইসি কর্তৃক কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশ এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১০৪ কোটি ৯১ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিসিআইসি কর্তৃক চট্টগ্রামের টিএসপিসিএল-এর জন্য ১০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক এসিড মেসার্স সান ইন্টারন্যাশনাল এফজেডই, ইউএই স্থানীয় এজেন্ট মেসার্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনপুট থেকে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকায় কেনার অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।




ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গোল্ডেন ভিসা দেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

এখন থেকে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের গোল্ডেন ভিসা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সবচেয়ে ধনী প্রদেশ দুবাই আমিরাতের সরকার। দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামাদ বিন মোহাম্মদ শনিবার (১৫ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি সরকারি আদেশ জারি করেন।

ওই আদেশে বলা হয়, যারা ভিসা পাওয়ার শর্ত পূরণ করতে পারবেন তারা সহজেই দুবাইয়ে থাকার জন্য ১০ বছর মেয়াদি গোল্ডেন ভিসা পাবেন। অর্থাৎ, যেসব ইমাম, মুয়াজ্জিন, ইসলামিক চিন্তাবিদ, মুফতি দুবাইয়ে কমপক্ষে ২০ বছর ধর্মীয় জ্ঞান বিতরণ ও চর্চা করেছেন তাদেরকে এ ভিসা দেওয়া হবে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানাতে এমন ঘোষণা দিয়েছেন ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামাদ বিন মোহাম্মদ। এছাড়া ঈদ উপলক্ষ্যে ইসলামিক ব্যক্তিত্বদের উপহার দেওয়ার ঘোষণাও এসেছে ক্রাউন প্রিন্সের পক্ষ থেকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ। বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি নাগরিক ও আরব আমিরাতে দীর্ঘদিন বসবাস করা বিদেশি নাগরিকদের এ বিশেষ ভিসা দেওয়া হয়। যারা এ ভিসা পান তারা দেশটির প্রায় সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

প্রথমে বেসরকারি ও আবাসন খাতের বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তি, আবিষ্কারক, বিজ্ঞানী, ডাক্তার ও বিশেষ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের এ ভিসা দেওয়া হতো। কিন্তু তিন বছর পর অন্যদেরও গোল্ডেন ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আমিরাত সরকার।




প্রোটেক্টিভ লাইফকে আমিরাতে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেয়নি আইডিআরএ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একক ও স্বাস্থ্যবীমা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি চেয়ে প্রোটেক্টিভ ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের করা আবেদন নাকচ করে দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
কর্তৃপক্ষের ১৫৫ তম সভায় অনুমোদন না দেয়ার এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে সূত্র জানিয়েছে।

বীমা আইনে আরব আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য বীমা কার্যক্রম পরিচালনার কোনো বিধান না থাকা ও আবেদনকারী কোম্পানির সার্বিক আর্থিক অবস্থা এবং কার্যক্রম বিস্তারিত পর্যালোচনাক্রমে অনুমোদন না দেয়ার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে সভার কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়।

একইসঙ্গে বিষয়টি অবহিত করে প্রোটেক্টিভ ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে চিঠি পঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চিঠি পাননি বলে ব্যাংক বীমা অর্থনীতিকে জানিয়েছেন কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. কিশোর বিশ্বাস।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে একক ও স্বাস্থ্যবীমা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি চেয়ে সম্প্রতি আইডিআরএ আবেদন করে প্রোটেক্টিভ ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স।




ঢাকায় বিজনেস সামিটে যোগ দিচ্ছে ১৭ দেশের প্রতিনিধি

বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ১১-১৩ মার্চ হবে এই সামিট। যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, চীন, ভুটান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ সাতটি দেশের মন্ত্রী, ১২টি বহুজাতিক কোম্পানির সিইওসহ বিশ্বের ১৭টির বেশি দেশ থেকে দুই শতাধিক বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দল অংশ নিচ্ছে এই সামিটে।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে হবে এটি।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) এফবিসিসিআই ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান সংগঠনের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সামর্থ্য, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে এই সামিট ভূমিকা রাখবে।

বিজনেস সামিট দেশের জন্য একটি ব্র্যান্ডিং উল্লেখ করে জসিম উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সামিটে যোগ দিতে এরই মধ্যে ৭৫০ জন রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এছাড়া রেজিস্ট্রেশনের বাইরেও অনেকে সামিটে যোগ দেবেন। দেশ-বিদেশের যে ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন তারা ভালো একটা অঙ্কের নিবন্ধন ফি প্রদান করে অংশ নিচ্ছেন। এ থেকেই বোঝা যায়, বাংলাদেশের ব্যবসার পরিবেশ নিয়ে এখন মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি। তারা এখানে ব্যবসা করতে চায়। এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।

আরও পড়ুন: কমেছে লেনদেন, সূচক মিশ্র

এফবিসিসিআই সভাপতি জানান, বাংলাদেশ বিজনেস সামিটে ব্যবসায়ী নেতা, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন। সেই সঙ্গে তারা বাংলাদেশ এবং বিশ্ব অর্থনীতি সম্পর্কে আলোচনা করবেন। যা বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক গতিকে ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার অর্থাৎ ১১ মার্চ সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

এফবিসিসিআই’র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরি বাবু, সহ-সভাপতি এম এ মোমেন, মো. আমিন হেলালী, সালাউদ্দিন আলমগীর, মো. হাবীব উল্লাহ ডন, এম এ রাজ্জাক খান রাজ ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।