নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত ১৩১ কোম্পানি

দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৩১টি কোম্পানি কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড, ২০১৮ অনুযায়ী তাদের পরিচালনা পর্ষদে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ওইসব প্রতিষ্ঠানে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিতে কোম্পানি সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (৩ মে) অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোম্পানি সচিবদের আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কর্পোরেট গভর্নেন্স পরিপালন ও কোম্পানির পর্ষদে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে এই নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

বৈঠকে বলা হয়, কমিশনের কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড, ২০১৮ এর শর্ত নং ১(২) (এ) সংশোধনপূর্বক তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে একজন নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করে ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল গেজেট প্রকাশিত হয় এবং এক বছরের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে একজন নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু ওই সময়েই অনেকগুলো কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে নারী স্বতন্ত্র পরিচালন নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

এমতাবস্থায় বৈঠকে কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড, ২০১৮ অনুযায়ী ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা, ব্যবসায়িক সংগঠনের সদস্য, কর্পোরেট লিডার, সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারি চাকরিজীবী (অবসরপ্রাপ্ত/চাকরিরত), প্রফেশনাল ডিগ্রিধারী, হাইকোর্ট ডিভিশনে নিয়োজিত আইনজীবী পেশায় নিয়োজিত আছেন, এমন নারীদের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ সম্পন্ন করে কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড, ২০১৮ পরিপালনের অনুরোধ করা হয় এবং আগামী ৩০ জুনের মধ্যে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পাশাপাশি বৈঠকে, আগামী ৩০ জুন ২০২৬ এর পরে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের শর্ত পরিপালনে ব্যর্থ হলে কমিশন ব্যর্থ কোম্পানির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে মর্মে সভায় বিশেষভাবে অবহিত করা হয়।

জানা গেছে, সম্প্রতি দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কাছে তাদের এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদের নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের তথ্য চায় কমিশন। ডিএসইর দাখিল করা হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী ১৬৩টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি এরইমধ্যে পরিচালনা পর্ষদে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে। আর ১৩১টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড, ২০১৮ অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের শর্ত পরিপালনে ব্যর্থ হয়েছে।




শেয়ারবাজারে দুষ্টচক্র তৈরি হয়েছে : আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিন ধরে একটি দুষ্টচক্র সক্রিয় রয়েছে, যা বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের একটি ‘ভালোর চক্র’ বা ভার্চ্যুয়াস সাইকেল গড়ে তুলতে হবে।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয়ে পুঁজিবাজার বিষয়ক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি। কর্মশালাটি আয়োজন করে ইআরএফ ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রোকারেজ হাউস মালিকদের সংগঠন ডিবিএ।

আমীর খসরু বলেন, শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। পাশাপাশি তাদের দক্ষতার ঘাটতিও রয়েছে। এই দুর্বলতা শুধু শেয়ারবাজার নয়, গোটা আর্থিক খাতকেই নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে।

তিনি অর্থনৈতিক খাতকে গণতান্ত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, রাজনৈতিক গণতন্ত্রের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও গণতন্ত্রায়ণ প্রয়োজন, নইলে জনগণের অংশগ্রহণ এবং আস্থা অর্জন সম্ভব নয়।

তিনি দাবি করেন, বিএনপির শাসনামলে শেয়ারবাজার বা আর্থিক খাতে কোনো বড় ধরনের স্ক্যান্ডালের ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু বিগত সরকারগুলোর সময়ে অর্থনৈতিক খাত ধ্বংসের মুখে পড়েছে। ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসিতে রাজনৈতিক নিয়োগ দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রী থাকার সময় তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল আমদানির অনুমোদন প্রক্রিয়া ইপিবি থেকে সরিয়ে বিজিএমইএর হাতে তুলে দেন, যার ফলে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়। একইভাবে ভবিষ্যতে সরকারি অনেক ব্যবসা-বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বেসরকারি খাতের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান।

সবশেষে আমীর খসরু বলেন, বিএনপি সরকারে এলে পুঁজিবাজারকে ধারণ করেই উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করবে, কারণ সত্যিকারের উন্নয়ন জনগণের অংশগ্রহণ ও আস্থার মাধ্যমে সম্ভব।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমান, ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ডিএসই পরিচালক মিনহাজ মান্নান, পুঁজিবাজার প্রতিবেদকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) সভাপতি গোলাম সামদানী ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মানিক মুনতাসির।

ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারকে জাতীয় অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে আরও বাজারমুখী করতে হবে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান বলেন, বাজারে নতুন এবং ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হচ্ছে না। গত ৯ মাসে মাত্র একটি কোম্পানি বাজারে এসেছে, যা বাজারের জন্য উদ্বেগজনক।




শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ হয়েছে এক লাখ কোটি টাকা

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেয়ারবাজার থেকে এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। এ তথ্য উঠে এসেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়েছে, প্রতারণা, কারসাজিসহ প্লেসমেন্ট শেয়ার এবং আইপিও বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে জালিয়াতির মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

তিন মাসের অনুসন্ধান শেষে রোববার (১ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। এ কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

শ্বেতপত্র প্রতিবেদনে প্রতিবেদনে বলা হয়, শেয়ারবাজারে প্রভাবশালী উদ্যোক্তা গোষ্ঠী, ইস্যু ম্যানেজার, নিরীক্ষক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কারসাজির একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। বাজারের মধ্যস্থতাকারী দেউলিয়া হয়েছে, তাদের ইক্যুইটি ৩০ হাজার কোটি টাকা নেতিবাচক হয়েছে।

যারা ব্যাংক খাতের অপরাধী, তারা শেয়ারবাজারে আস্থা নষ্ট করার পেছনেও ছিল বলে শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) একটি স্বার্থান্বেষী মহলের হস্তক্ষেপের কারণে নিজেদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে প্রধান করে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।

এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন– বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এ কে এনামুল হক, বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো কাজী ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ম তামিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শরমিন্দ নীলোর্মি ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার তাসনিম আরিফা সিদ্দিকী।




সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

বিদায়ী সপ্তাহের বুধবার (২২ মে) বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বন্ধ ছিল দেশের শেয়ারবাজার। ফলে বিদায়ী সপ্তাহে (১৯-২৩ মে) শেয়ারবাজারে চার কর্মদিবস লেনদেন হয়েছে।

এই চার কর্মদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৪১১টি প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে ২৮টির দর বেড়েছে, ৩৩৮টির দর কমেছে, ২০টির দর অপরিবর্তিত ছিল এবং ২৫টির লেনদেন হয়নি।

সপ্তাহটিতে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে মিথুন নিটিং এন্ড ডাইং লিমিটেডের। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৮.৭৪ শতাংশ। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এই তথ্য জানা গেছে।

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রায়াল ফাইন্যান্সের ২৮.১৩ শতাংশ, ইয়াকিন পলিমারের ২২.৪০ শতাংশ, একটিভ ফাইন কেমিক্যালসের ১৪.২৯ শতাংশ, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ১২.২৩ শতাংশ, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ৯.৬৮ শতাংশ, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ৮.৭৩ শতাংশ, ওরিয়ন ফার্মার ৮.৭৩ শতাংশ, দুলামিয়া কটনের ৮.২৪ শতাংশ এবং আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবলি মিউচুয়াল ফান্ডের ৭.৫১ শতাংশ শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে।




৮ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৮ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডস লিমিটেড : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৩০ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৩০ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

ফু ওয়াং ফুড লিমিটেড : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৩০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৩০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৩০ এপ্রিল বিকাল ৫ টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ২৯ এপ্রিল বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড : কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ৩০ এপ্রিল বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।




অর্থনৈতিক উন্নয়ন টেকসই করতে শেয়ারবাজারের বিকাশ দরকার : বিএসইসি চেয়ারম্যান

অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে টেকসই করতে হলে শেয়ারবাজারের আরও বিকাশ দরকার বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

তিনি বলেন, গত দুই যুগের অধিক সময় ধরে আমাদের শেয়ারবাজারকে পিছিয়ে রাখা হয়েছিল। এই বাজার অনেক টেকনিক্যাল। তাছাড়া এর গুরুত্বও অনেকে অনুধাবন করতে পারতেন না। কিন্তু শেয়ারবাজার সে জায়গা থেকে বের হয়ে এসেছে। বাজারের ব্যাপ্তি অনেক বেড়েছে। নতুন নতুন প্রোডাক্ট চালু হচ্ছে। তবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে টেকসই করতে হলে এই বাজারের আরও বিকাশ দরকার।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের উদ্বোধনী লেনদেন এবং রিং দ্যা বেল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএসইসির কমিশনার ড. মিজানুর রহমান৷ স্বাগত বক্তব্য রাখেন

ডিএসই’র লিস্টিং বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এটিএম তারিকুজ্জামান।

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, একটি গতিময় শেয়ারবাজার ও এর স্থিতিশীলতার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড জরুরি। নির্বাচনের পর অর্থনীতিতে যে গতি সঞ্চার হবে, তার চাহিদা পূরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে অবশ্যই মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাত ও শেয়ারবাজারকে অনেকদূর নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান অন্ধভাবে ব্যবসায়ীদের সমালোচনা না করে যৌক্তিকভাবে বিশ্লেষণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অনেকে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে তারা লাভ করেন। বিষয়টিকে এভাবে দেখা ঠিক নয়। কারণ ব্যবসায়ীরা লাভ না করতে পারলে ব্যাংকের ঋণ শোধ করতে পারবেন না। প্রতিষ্ঠান খেলাপি হয়ে বন্ধ হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীরা লাভ করে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন। তাতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ে। নতুন নতুন কর্মসংস্থান হয়। তাতে দেশ এগিয়ে যায়। তাই ব্যবসায়ীদেরকে লাভ করার সুযোগ দিতে হবে।

বিএসইসির কমিশনার ড. মিজানুর রহমান বলেন, আমরা গত সাড়ে তিন বছরে বেশ কিছু মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছি৷ ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের আকার ১৫৬ কোটি টাকা৷ এই ফান্ডে স্বচ্ছতার জায়গা নিশ্চিত করেছি৷ আমাদের মূল উদ্দেশ্য বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা৷ দিনশেষে বিনিয়োগকারী লাভের হিসাব করবে৷

স্বাগত বক্তব্যে ডিএসইর এমডি এটিএম তারিকুজ্জামান বলেন, একটি নতুন ফান্ড বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করে৷ আমরা বিশ্বাস করি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সেক্টরের এই ইউনিট ফান্ড শেয়ারবাজারের গভীরতা বৃদ্ধি করবে৷ পূর্বে ক্যাপিটেক-এর আরও ৩টি ওপেন এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে। আজকের ফান্ডটি তাদের প্রথম ক্লোজ এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ডগুলোতে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষা করে দক্ষভাবে পরিচালনা করার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।

পরে তালিকাভুক্তিকরণ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়৷ ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ এবং ক্যাপিটেক এ্যাসেট ম্যানেজম্যান্ট লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সুমিত পাল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তালিকাভুক্তিকরণ চুক্তি স্বাক্ষর করেন৷

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ক্যাপিটেক এ্যাসেট ম্যানেজম্যান্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান রহমান বলেন, বর্তমানে শেয়ারবাজার বিনিয়োগ অনুকুল অবস্থায় রয়েছে এবং একটি উপযোগী সময়ে ফান্ডটি এসেছে। এমন সময়ে সঠিকভাবে ফান্ডের অর্থ বিনিয়োগ করা হলে এখান থেকে ভাল রিটার্ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা খাইরুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের শেয়ারবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আকার ক্রমেই বড় হচ্ছে৷ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ছাড়া শেয়ারবাজার উন্নয়ন সম্ভব নয়৷ পৃথিবীর সব স্টক এক্সচেঞ্জেই মিউচ্যুয়াল ফান্ডের একটি বড় বাজার রয়েছে৷ আমরা চাই দেশের শেয়াারবাজার বড় হোক এবং সকল ধরনের রুলস রেগুলেশনস পরিপালন করে এ সেক্টর আরও এগিয়ে যাক৷ ডিএসই’র পক্ষ থেকে যে কোনো ধরণের সহযোগিরতা করতে আমরা প্রস্তুত৷

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর পরিচালক শরীফ আনোয়ার হোসেন, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম. সাইফুর রহমান মজুমদার এফসিএ, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা সাত্বিক আহমদ শাহ, ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজুর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্রা।




চার কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৪ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি ৪টি হলো- আরগন ডেনিমস, ইভিন্স টেক্সটাইল, বিডি ল্যাম্পস এবং জেএমআই হসপিটাল লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, আগামী ১৮ অক্টোবর বিকাল ৩টায় বিডি ল্যাম্পস ও আরগন ডেনিমস, ৪টায় ইভিন্স টেক্সটাইল এবং ৫টায় জেএমআই হসপিটালের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় এসব কোম্পানির ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরের সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হবে।




৩ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি ২টি হলো- গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, রহিমা ফুড এবং পেনিনসুলা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, আগামী ১২ অক্টোবর বিকাল ৩টায় গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স এবং সাড়ে ৪টায় পেনিনসুলার বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

অন্যদিকে, সভায় পেনিনসুলার ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরের সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হবে।

 

এদিকে, আগামী ২২ অক্টোবর বিকাল ৪টায় রহিমা ফুডরে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

 




ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন লাভেলো আইস্ক্রিমের

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করে প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করেছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড। কোম্পানিটির দীর্ঘমমেয়াদি রেটিং হয়েছে ‘এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এসটি-২।’

কোম্পানিটির ৩০ জুন ২০২২ ও ৩১ মার্চ ২০২৩ সমাপ্ত সময়ের আর্থিক প্রতিবেদেন এবং অন্যান্য তথ্য অনুযায়ী কোম্পানিটির এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা

শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ২ উদ্যোক্তা পরিচালক অ্যাসোসিয়েটেড বিল্ডার্স কর্পোরেশন ও রাশেদ আহমেদ চৌধুরী । কোম্পানিটির কর্পোরেট উদ্যোক্তা পরিচালক অ্যাসোসিয়েটেড বিল্ডার্স কর্পোরেশন কোম্পানির ২১ লাখ ৩৬ হাজার ৩০০ শেয়ার বেচবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এই কর্পোরেট উদ্যোক্তার কাছে কোম্পানির মোট ১ কোটি ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪১০টি শেয়ার আছে। কোম্পানির আরেক পরিচালক রাশেদ আহমেদ চৌধুরী ২১ লাখ ৩৬ হাজার ৩০০ শেয়ার কিনবে।

আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ডিএসইর পাবলিক মার্কেটে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারবে এই উদ্যোক্তা পরিচালকেরা।




বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ পেনিনসুলার

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দ্য পেনিনসুলার বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ১২ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৩টায় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সভায় ৩০ জুন ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।

আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।




এজিএমের নতুন তারিখ নির্ধারণ ন্যাশনাল ব্যাংকের

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ব্যাংকের এজিএমের (বার্ষিক সাধারণ সভা) নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকটির স্থগিত হওয়া ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য গত ২৬ জুলাই ৪০তম এজিএম করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু অনিবার্য কারণে এজিএম স্থগিত করা হলে পুনরায় সভার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আলোচ্য বাংকটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।




ডিভিডেন্ড প্রেরণ দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের

সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড প্রেরণ করা হয়েছে। কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত সময়ের জন্য ঘোষিত ডিভিডেন্ড বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, কোম্পানিটি ক্যাশ ডিভিডেন্ড বিইএফটিএন সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটি ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।




২ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা

শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত ২ কোম্পাানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- অ্যাপেক্স স্পিনিং মিলস লিমিটেড এবং অ্যাপেক্স ফুড লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, অ্যাপেক্স স্পিনিং মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৫১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৪৫ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৬৪ টাকা ৩৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫৮ টাকা ৩৮ পয়সা।

আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৩ কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ অক্টোবর।

 

এদিকে, অ্যাপেক্স ফুড লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৯১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ১৪ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৩৬ টাকা ২০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১২৬ টাকা ১৮ পয়সা।

আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৩ কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ অক্টোবর। উল্লেখ্য, আগের বছরও কোম্পানিটি ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।




শেয়ার লেনদেন শুরু ইউনিয়ন ক্যাপিটালের

রেকর্ড ডেটের পর আগামীকাল ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের বছর শেয়ার প্রতি লোকসান ৮ টাকা ৩ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি দায় দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

 

আগামী ২৮ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।




সাড়ে ৭৪ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা

সাড়ে ৭৪ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের কর্পোরেট উদ্যোক্তা ফকির নিটওয়্যার লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কাছে থাকা ৪ কোটি ০৫ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭টি শেয়ারের মধ্য থেকে ৭২ লাখ ৫০ হাজারটি এবং জামান এগ্রো ফিশারিজ লিমিটেড (যেখানে ফকির আখতারুজ্জামান জামান এগ্রো ফিশারিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক) ০১ লাখ ০৮ হাজার ১৫০টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংকটির প্রায় ৭৪ লাখ শেয়ার আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এই শেয়ার পাবলিক ও ব্লক মার্কেটে বিক্রি সম্পন্ন করবেন এই দুই কর্পোরেট ও উদ্যোক্তা পরিচালক।




বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ এপেক্স টেনারীর

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এপেক্স টেনারীর বোর্ড সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ১০ অক্টোবর বিকেল ৩টায় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সভায় ৩০ জুন ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।




দেশবন্ধু পলিমারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা

শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত দেশবন্ধু পলিমারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পািনটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্র এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৭ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৯ টাকা ২০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৮ টাকা ৯৩ পয়সা।

আগামী ২৭ নভেম্বর ২০২৩ কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ অক্টোবর।

 

উল্লেখ্য, আগের বছর কোম্পানিটি ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।




সূচকের বড় পতন, বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমেছে

আজ ঢাকার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। দিনের প্রথম এক ঘণ্টা ৪০ মিনিটে যত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে বেশির ভাগ কোম্পানির দাম কমেছে; বেড়েছে হাতে গোনা দু-একটি কোম্পানির। প্রথম এক ঘণ্টায় মাত্র দুটি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন মূল্যস্তরে আটকে আছে বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার।

বাজারের দরপতন সম্পর্কে ব্রোকারেজ হাউসগুলো বলছে, সকাল থেকে সব শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাজার পড়তির দিকে থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাধারণত শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, সেটাই আজ দেখা যাচ্ছে। দরপতন ঘটছে সে কারণেই।

এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরেই বাজারে এক ধরনের মন্দাভাব দেখা যাচ্ছে। লেনদেন ও সূচক-উভয় ক্ষেত্রেই তা দেখা যাচ্ছে। লেনদেন ৪০০ কোটি টাকার নিচে নেমে গেছে। ফলে বাজারে এক ধরনের তারল্য সংকট তৈরি হয়েছে। সে কারণে বাজারে ক্রেতা কমে গেছে। যাদের হাতে শেয়ার আছে, তাঁরা অধিক লোকসানের ভয়ে আগেভাগে শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন।

যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম মূল্যস্তরে আটকে আছে, তারা লেনদেন করতে পারছে না। যাঁরা লেনদেন করতে পারছেন, তাঁরা বড় ধরনের লোকসান এড়াতে আগেভাগে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আপাতত বিনিয়োগকারীদের আশাবাদী হওয়ার মতো সংবাদ বাজারে নেই। নতুন বিনিয়োগ নিয়ে তা-ই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাজারে নতুন বিনিয়োগ না আসলে শিগগিরই বাজারের মন্দাভাব কাটবে বলে তাঁরা মনে করছেন না।

আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত তিনটি সূচকই ছিল নিম্নগামী। ডিএসইএক্স সূচকের পতন হয়েছে ৩১ দশমিক ২৬ পয়েন্ট; ডিএসইএস সূচকের পতন হয়েছে ৫ দশমিক ৭ পয়েন্ট আর ডিএস ৩০ সূচকের পতন হয়েছে ১৪ দশমিক ১১ পয়েন্ট।
দিনের প্রথম এক ঘণ্টা ৫০ মিনিটে লেনদেন হয়েছে ১৯৫ কোটি টাকার শেয়ার।




সপ্তাহ শুরুতেই সূচক বেড়েছে শেয়ারবাজারে

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২৫ জুন) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।  এর মাধ্যমে টানা তিন কার্যদিবস মূল্যসূচক বাড়লো।

মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। আর দাম বাড়ার থেকে দাম কমার তালিকায় রয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। অবশ্য দাম বাড়া বা কমার থেকে দাম অপরিবর্তিত থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি।

এদিন শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমার মাধ্যমে। ফলে মূল্যসূচক কমে শুরু হয় দিনের লেনদেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়। এতে লেনদেনের আধাঘণ্টার মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক বাড়ে ৪ পয়েন্ট।

কিন্তু এরপর দাম বাড়ার তালিকা থেকে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দরপতনের তালিকায় চলে আসে। ফলে সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। লেনদেনের এক ঘণ্টার মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক ৫ পয়েন্ট কমে যায়।

অবশ্য লেনদেনের শেষ ঘণ্টায় আবার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ে। এতে সবকটি মূল্যসূচক বেড়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে ৮৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। বিপরীতে ৮৮টির দাম কমেছে। আর ১৮০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩২৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৮৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সবকটি মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে দিনভর লেনদেন হয়েছে ৬৩৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৭৮৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ১৪৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪১ কোটি ৫৮ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা খান ব্রাদার পিপি ওভেন ব্যাগের ১৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইটিসি।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে-ইস্টার্ন হাউজিং, এমারেল্ড অয়েল, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, জেমিনি সি ফুড এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন।




এমকে ফুটওয়্যারের কিউআইও আবেদন শুরু ১১ জুন

শেয়ারবাজারে এসএমই প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া এমকে ফুটওয়্যার পিএলসির কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) আবেদন গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির কিউআইও আবেদন গ্রহণ আগামী ১১ জুন সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে। চলবে ১৫ জুন বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

সোমবার (২৯ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসির ৮৫৮তম কমিশন সভায় কোম্পানির কিউআইও অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ) রুলস, ২০২২ অনুযায়ী এমকে ফুটওয়্যার ১ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ১০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে কিউআইওর মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে ইস্যু করা হবে।

পুঁজি উত্তোলন করে কোম্পানিটি বিদ্যমান যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানির ২০২১ সালের ১ জুলাই হতে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়কালের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ডাইলুটেড শেয়ারপ্রতি মুনাফ (ইপিএস) ৩.১৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া ১২.৯৫ টাকা।

এসএমই প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের তারিখ হতে পরবর্তী ৩ বছর ইস্যুয়ার কোম্পানি কোনো বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও আন্ডার রাইটারের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।