শিক্ষার মানোন্নয়নে কারিকুলাম পর্যালোচনার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে পাঠ্যক্রম ও কারিকুলাম পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রোববার (৮ মার্চ) ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. সুজানা ভাইসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য চলমান প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করব। শুধু অর্থ ব্যয় নয়, বরং এর উপযোগিতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

এসময় বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার মান উন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে দেশের শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বাধ্যতামূলক একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।




প্রাথমিক শিক্ষায় পুরোনো ধারা বদলে ফেলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষায় যে পুরোনো ধারা বিদ্যমান, তা বদলে ফেলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে হলে পুরোনো চিন্তা-ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রাথমিক স্তর থেকে পুরোনো ধারা বদলাতে হবে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সৃজনশীল ও নতুন ভাবনায় এগোতে হবে আমাদের।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব নিয়েই কাজ করছি। শুধু সচিবালয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখলেই হবে না, মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমেও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সুশাসনের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনাই আমাদের লক্ষ্য।

সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার গুণগত মান প্রত্যাশিত পর্যায়ে উন্নীত হয়নি। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, আর তার ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ছাড়া সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন যুগ্মসচিব নুরুন্নাহার। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের রানাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

 




শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, নতুন শিক্ষাক্রমে যেহেতু পরীক্ষা পদ্ধতিতে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তাই এখানে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই।

বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) স্মার্ট স্কুলবাস সার্ভিসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে একজন শিক্ষার্থীর নির্ধারিত কার্যক্রমকে অবশ্যই করতে হবে। সে যদি আগে থেকে জানেও তাকে কী কার্যক্রম করতে হবে…। সেখানে (নতুন শিক্ষাক্রম) কোনো গতি নেই, এখানে ফাঁস হওয়ার কোনো বিষয় নেই।

তিনি বলেন, এটা পাবলিক পরীক্ষা নয়, এটা শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পরীক্ষা। সেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থী প্রকাশ করবে তার শিখনফলটি ও লাইন আউটকাম অর্জিত হয়েছে কি না…।

নওফেল বলেন, এখানে প্রমাণ করার বিষয় নেই, মেধা প্রমাণের বিষয় নেই, শিক্ষক দেখবেন শিক্ষার্থীর শিখনফল অর্জিত হয়েছে কি না। সেখানে একে অপরের থেকে যদি জানার চেষ্টা করে তাতে সমস্যা নেই। তাকে উপস্থাপনার সক্ষমতা যেটা, কমিউনিকেশন্স ও প্রেজেন্টশন স্কিল… সেখানে কিন্তু তাকে নির্ধারিত মাত্রায় পারদর্শিতার যে স্তর, সেটি অতিক্রম করতে হবে। সুতরাং প্রশ্নফাঁস করলেও সেটির কোনো উপকারিতা নেই। একজন শিক্ষার্থীকে অবশ্যই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে পারদর্শিতার স্তর অতিক্রম করতে হবে।




ফলাফল দিয়ে মূল্যায়ন থেকে বেরিয়ে আসতেই নতুন শিক্ষানীতি

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, ফলাফল দিয়ে মূল্যায়ন থেকে বেরিয়ে আসতেই নতুন শিক্ষানীতি। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে ৫২তম জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাকে শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে সান্নিবেশ করবো। নতুন শিক্ষানীতির একটি বিশাল অংশ এক্টিভিটি লার্নিংয়ের মধ্যদিয়ে শিক্ষা অর্জন করবে। সেখানে খেলাধুলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা গর্বিত নতুন সরকারের শুভ সূচনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকার বাইরে কোনো প্রোগ্রাম শিক্ষা নগরীতে করতে পেরে।