অক্ষত মালামালের তালিকা প্রকাশ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে অক্ষত মালামালের তালিকা প্রকাশ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। শাহজালাল বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ করে বাংলাদেশ বিমান।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বেলা সোয়া ১১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের সামনে বাতাসে পোড়া গন্ধ। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি রাখা হয়েছে। পাশে ৮ নম্বর গেট সংলগ্ন দেয়ালে একটি তালিকা লাগাচ্ছেন বিমানের কর্মীরা। এ তালিকা দেখতে ভিড় করছেন আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা।

এ সময় কথা বলে জানা যায়, তালিকাটি বিজিএমইএ’র মালামালের। আগুনে বিজিএমইএ’র মালামাল তেমন পোড়েনি। এমন পাঁচ শতাধিক মালামালের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

এ তালিকা দেখে মালামাল খুঁজে পেয়েছেন রাজধানীর মিরপুরের ভিশন এপারসেল’র মালিক আব্দুর রহিম। তিনি ৮০৮ ডলার দিয়ে চীন থেকে ফেব্রিক্সের পণ্য এনেছিলেন। এর মধ্যে ৫টি পেয়েছেন। বাকিগুলোর খোঁজ পাচ্ছেন না।

আব্দুর রহিম বলেন, মালামাল খুঁজে পেতে দুই দিন ধরে এয়ারপোর্ট এলাকায় আসছি। আজ তা খুঁজে পেয়েছি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কর্মী খন্দকার নাহিদ হোসেন জাগো নিউজকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় বিজিএমইএ’র অধিকাংশ মালামাল অ্যাপ্রোন এরিয়াতে ছিল। তাদের মালামাল তেমন ক্ষতি হয়নি। এছাড়াও অ্যাপ্রোন এরিয়াতে অন্য যাদের মালামাল ছিল সেগুলো ভালো আছে। এসব মালামালের একটি তালিকা দেয়ালে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মালিকরা ব্যাংকের নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে এনবিআরের মাধ্যমে সেগুলো নিতে পারবেন। বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেট এলাকায় কাউকে কাউকে মালামাল ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।




শাহজালাল বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জ উদ্বোধন

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নবনির্মিত ভিভিআইপি লাউঞ্জ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে পূর্বনির্ধারিত সরকারি সফরে জাপান যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী এটি উদ্বোধন করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার।

তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের পাশে ভিভিআইপি লাউঞ্জটি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৭টা ৫৬ মিনিটে তাকে বহন করা প্লেনটি জাপানের উদ্দেশে রওনা হয়।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫-২৮ এপ্রিল জাপানে সরকারি সফর করবেন। এরপর বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাসের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটন যাবেন। সেখান থেকে তিনি ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস এবং কুইন কনসর্ট ক্যামিলার রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

এ ছাড়াও জাপান সফরে দেশটির সঙ্গে প্রতিরক্ষাসহ ৮টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জাপান পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। ২৬ এপ্রিল তিনি জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। একই দিন সন্ধ্যায় জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠক হবে।