লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের ভারপ্রাপ্ত এমডি হলেন কামরুজ্জামান

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লংকাবাংলা ফাইন্যান্স পিএলসির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এ.কে.এম. কামরুজ্জামান, এফসিএমএ।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ আগামী তিন মাসের জন্য এ.কে.এম. কামরুজ্জামানকে কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি একইসাথে কোম্পানিটির হেড অব অপারেশন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।

গতকাল ২০ মে থেকে তিনি এমডি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।




লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্সের মুনাফা কমেছে

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল থেকে জুন,২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী ৩ মাসে কোম্পানির মুনাফা বাড়লেও দুই প্রান্তিক মিলে মুনাফা কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যমতে, চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এপ্রিল থেকে জুন,২৩ পর্যন্ত ৩ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১৫ পয়সা।

এদিকে, জানুয়ারি থেকে জুন,২৩ পর্যন্ত ৬ মাসে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৩২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা হয়েছিল ৫৮ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির মুনাফা কমেছে।

গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদ মূল্য ছিল ১৮ টাকা ৫৩ পয়সা।




২০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি লংকাবাংলা ফাইন্যান্স পিএলসি ৪র্থ জিরো-কুপন বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বন্ড ছেড়ে কোম্পানিটি ২০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

মঙ্গলবার (১৬ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে সোমবার (১৫ মে) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে বন্ড ছাড়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই বৈঠকে ৩১ মার্চ, ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৩-মার্চ’২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা হয়।

তথ্য মতে, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স বন্ড ছেড়ে তারল্য প্রবাহ বাড়িয়ে চলমান অর্থায়ন চাহিদা পূরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ছাড়ার এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় লংকাবাংলা ফাইন্যান্স। বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫৩৮ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। সে হিসাবে কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩৮ হাজার ৬২৩টি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকের হাতে ৩৩.৫৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২২.৫৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে ০.৬৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৪৩.২৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। সোমবার (১৫ মে) কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ২৬ টাকায়।




লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের বন্ড সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন

লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড সম্প্রতি ৩ হাজার মিলিয়ন টাকার প্রাইভেটলি প্লেসড নন-কনভার্টিবল, জিরো কুপন বন্ডের সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন করেছে।

একাধিক ব্যক্তি বিনিয়োগকারী, কর্পোরেট, ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পেনশন ও গ্র্যাচুয়িটি ফান্ড এই ইস্যুতে সাবস্ক্রিপশন করে। এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স তার চতুর্থ বন্ড ইস্যু সম্পন্ন করল। বন্ডটি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডেবট সিকিউরিটিজ) রুলস ২০২১-এর আলোকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে ডিমেটেরিয়ালাইজ্ড ফর্মে ইস্যু করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে লেনদেন হবে।

উক্ত বন্ডের ট্রাস্টি ও লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যথাক্রমে আইআইডিএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও গ্রিন ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড। লংকাবাংলা ফাইন্যান্স সক্রিয়ভাবে বন্ড ইস্যু ও অন্যান্য বহুমুখী বিকল্প দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে অর্থায়নের নানাবিধ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। পক্ষান্তরে, বিএসইসি দেশের বন্ড বাজারের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। জিরো কুপন বন্ড ফেইস ভ্যালুর ওপর ডিসকাউন্টে ইস্যু করা হয় এবং মেয়াদান্তে ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীকে সম্পূর্ণ ফেইস ভ্যালু প্রদান করে। বর্তমানে জিরো কুপন বন্ড থেকে অর্জিত আয় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ব্যতীত সকল ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর জন্য সম্পূর্ণ করমুক্ত।