রূপালী ইন্স্যুরেন্সকে জরিমানা
বীমা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ না দেয়ায় রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
একইসঙ্গে কোম্পানিটিকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে পুনরায় কোম্পানিটিকে আরো পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বীমা খাতের সর্বোচ্চ এই অভিভাবক সংস্থা।
জরিমানার এই অর্থ আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নামে পে-অর্ডার করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মো. সোলায়মান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গত ২৯ জানুয়ারি বীমা কোম্পানিটিকে পাঠানো হয়েছে। বীমা আইন ২০১০ এর ১৩০ ধারা মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইডিআরএ।
আইডিআরএ বলছে, ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ না করে বীমা আইন ২০১০ এর ৮০ ধারা লঙ্ঘন করেছে রূপালী ইন্স্যুরেন্স। এই প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষের ১৭৮তম সভায় বীমা কোম্পানিটির বিষয়ে বীমা আইন ২০১০ এর ১৩০ ধারা মোতাবেক ৩টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্তগুলো হলো-
বিগত ২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ হতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ না করায় রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা; আগামী ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে; ৬০ দিনের মধ্যে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ করা না হলে পুনরায় কোম্পানিটিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।
বীমা আইন ২০১০ এর ৮০ ধারার (৪) উপধারা অনুযায়ী, কোনো বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার পদ একাধারে ৩ (তিন) মাসের অধিক সময়ের জন্য শূন্য রাখা যায়না। তবে কর্তৃপক্ষ অপরিহার্য পরিস্থিতি বিবেচনায় উক্ত সময় সীমা আরো ৩ (তিন) মাস বর্ধিত করিতে পারেন। উপধারা (৫) এ বলা হয়েছে, উপ-ধারা (৪) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার পদ পূরণ করা না হলে কর্তৃপক্ষ কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য একজন প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে এবং কর্তৃপক্ষ যেইরূপ নির্ধারণ করবে কোম্পানি তদানুযায়ী উক্ত প্রশাসকের বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদির যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করবে।