জেড ক্যাটাগরিতে রানার অটো

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি রানার অটোমোবাইলসে পিএলসির শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, কোম্পানিটির শেয়ার ‘এ’ ক্যাটাগারি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করে ডিএসই। আজ বুধবার (০৯ অক্টোবর) থেকে কোম্পানিটির শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করেছে।

এর আগে চলতি বছরের ২০ মে দুর্বল কোম্পানির বিষয়ে পৃথক দুই নির্দেশনা জারি করে বিএসইসি। বিএসইসির সেই আদেশ অনুযায়ী রানার অটোমোবাইলসকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।




বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার পেল রানার অটোমোবাইলস

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার ২০২২’ পেয়েছে রানার অটোমোবাইলস পিএলসি। সোমবার (২ অক্টোবর) ওসমানী মিলনায়তনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন রানার অটোমোবাইলস পিএলসি’র চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান।

এসময় শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুনসহ অন্যান্য অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য বেসরকারি শিল্পখাত অনেক অবদান রেখে যাচ্ছে। তিনি আশা করেন আগামী ৪র্থ শিল্প বিপ্লব ও আমাদের এই সকল শিল্পখাতের হাত ধরে আসবে।

পুরস্কার গ্রহণ শেষে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্রপতির এই পুরস্কার আমাদের প্রেরণা। এই পুরস্কার আমি আমার সকল কর্মীকে উৎসর্গ করলাম যারা নিরলস পরিশ্রম করে রানার অটোমোবাইল পিএলসি-কে এই পুরস্কার এনে দিয়েছেন।

রানার গ্রুপ বাংলাদেশের প্রথমসারির একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যা ২০০০ সাল থেকে সুনাম ও সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের অর্থনীতিতে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলেছে। রানার গ্রুপের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান রানার অটোমোবাইলস পিএলসি ২০১১ সাল থেকে ময়মনসিংহের ভালুকায় দেশের সর্ববৃহৎ এবং বিশ্বমানের নিজস্ব মোটর সাইকেল কারখানায় বাংলাদেশী ‌‌রানার ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল এবং যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও বিপণন করছে।

 




রানার অটোমোবাইলসের ২৬৮ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস পিএলসির বন্ড ছাড়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই বন্ডের মাধ্যমে কোম্পানিটি বাজার থেকে ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে কোম্পানিটি।

সোমবার (১৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৮৭২তম কমিশন সভায় এ বন্ডটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রানার অটোমোবাইলসের ৭ বছর মেয়াদী ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বন্ড অনুমোদন করা হয়েছে। এ বন্ডের বৈশিষ্ট্য আনসিকিউরড, রিডিমবল, নন-কনভার্টিবল, গ্যারান্টেড, সাসটেইনেবিলিটি বন্ড। বন্ডের কুপন হার ৮.৫০ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে নির্ধারিত হবে। বহুজাতিক ও দেশীয় বিমা কোম্পানি, ব্যাংক,আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেটস ও উচ্চ সম্পদশালী একক বিনিয়োগকারীদের মাঝে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বন্ডটি ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে উত্ত কোম্পানি কাস্টমারদের ঋণ সুবিধা, সোলার প্ল্যান্ট নির্মাণ এবং বন্ড ইস্যু সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় বহন করা হবে। এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য দশ লক্ষ টাকা। বন্ডটির ট্রাস্টি ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি এবং লিড অ্যারেঞ্জার গ্রিন ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড।




 ২৬৮ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে রানার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড বন্ড ইস্যু করে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার সংগ্রহ করবে। বর্তমান বিনিময় হার অনুসারে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এই বন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ রানার অটোমোবাইলস তাদের এলপিজি, সিএনজি এবং বিদ্যুৎ চালিত থ্রি-হুইলারের গ্রাহক পরিধি বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করবে। এছাড়া, এর একটি অংশ দিয়ে ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন রুফটপ সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনে বিনিয়োগ করা হবে। আর এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থ্রি-হুইলার উৎপাদন কারখানার চাহিদা পূরণে কাজে লাগানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বুধবার (১০ মে) ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৭৫তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রানার অটো ইন্টারন্যাশনালি সার্টিফায়েড সাস্টেনেবিলিটি বন্ড নামের এই বন্ডটিকে সাস্টেনেবল বন্ড হিসেবে সার্টিফাই করেছে আন্তর্জাতিক রেটিং এজেন্সি মুডি’স। এটি হবে আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা প্রত্যায়িত দেশের প্রথম সাস্টেনেবল বন্ড। আর বন্ডটির গ্যারান্টারের দায়িত্ব পালন করবে গ্যারান্টকো।

তথ্য মতে, আলোচিত বন্ডটি হবে নন-কনভার্টেবল, আন-সিকিউরড, ট্রান্সফারেবল, রিডিমেবল, গ্যারান্টিড, সার্টিফাইড সাস্টেইনেবিলিটি বন্ড। অর্থাৎ এই বন্ডের কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে না। এর বিপরীতে কোনো জামানতও রাখা হবে না। বন্ডটি হবে হস্তান্তরযোগ্য। মেয়াদ শেষে এর অবসায়ন ঘটবে।

আলোচিত বন্ডের মেয়াদ হবে ৭ বছর। আর এর সুদের হার হবে ৮.৫০ শতাংশ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে।

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, কর্পোরেট ও উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মাঝে বন্ডটি বরাদ্দ করা হবে।

বন্ডটির লিড অ্যারেঞ্জার এবং উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবে গ্রিনডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি।