মেঘনা লাইফের বার্ষিক সাধারণ সভায় ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয়।

কোম্পানির চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ভাইস চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল), পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, এ.এন.এম. ফজলুল করিম মুন্সী, মো. মঈন উদ্দিন, শারমিন নাসির, দিলরুবা শারমিন, প্রফেসর আনসার আলী ও মোহাম্মদ আহসান ইবনে কবির সহ অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ এবং মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এন.সি. রুদ্র্র সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

কোম্পানিটি ২০২৩ সালে ৩৮৩.০০ কোটি টাকা মোট প্রিমিয়াম অর্জন করেন। কোম্পানির মোট সম্পদের পরিমাণ ১৮৪২.৯৭ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে ৪৪৬.৪১ কোটি টাকা বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। ২০২৩ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ১.৫৬ টাকা।

সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, কোম্পানির কার্যক্রম শুরুর পর হতে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গ্রাহকের মৃত্যুদাবি বাবদ ১১৩.৪৭ কোটি টাকা, কিস্তি বীমার সুবিধা বাবদ ১৪৪১.৭৮ কোটি টাকা, মেয়াদ পূর্তি দাবি বাবদ ১৪২২.৫৯ কোটি টাকা এবং বোনাস বাবদ ৭৭৬.৪৯ কোটি টাকা সহ সর্বমোট ৩৭৫৪.৩৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। এই পরিসখ্যানই বলে দেয় মেঘনা লাইফ দাবি পরিশোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ২০২৪ সালের জন্য যথাযথ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং কোম্পানির ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা এবং কোম্পানির সকল স্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারী, বীমাকর্মী, পলিসিহোল্ডার ও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সভায় সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।




মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারের বীমা খাতে তালিকাভুক্ত মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের এ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.৫০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

রোববার (৩০ জুন) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটি পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ আগস্ট। এ জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৮ জুলাই।

এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেনের কোনো মূল্যসীমা থাকবে না।




দুই প্রান্তিকে কমেছে মেঘনা লাইফের ফান্ডের পরিমাণ

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৩) ও দ্বিতীয় প্রান্তিকের ( এপ্রিল-জুন, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ কমেছে।

রোববার (১৩ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর তা প্রকাশ করা হয়।

চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭১৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮১৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ৯৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা কমেছে।

এছাড়া, চলতি হিসাব বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৯৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৫৬ কোটি ৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ৬২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা কমেছে।




ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষে খান ব্রাদার্স

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে কোম্পানির দর বেড়েছে ৩০ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বমোট ৪৬ কোটি ৯১ লাখ ৫ হাজার টাকা লেনদেন করে। যা গড়ে প্রতিদিন ৯ কোটি ৩৮ লাখ ২১ হাজার টাকা।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক অক্সেসরিজের শেয়ার দর বেড়েছে ২২ দশমিক ২২ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বমোট ১৭ কোটি ১৬ হাজার টাকা লেনদেন করে। যা গড়ে প্রতিদিন ৩ কোটি ৪০ লাখ ৩ হাজার ২০০ টাকা।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা সেন্ট্রাল ফার্মার শেয়ার দর বেড়েছে ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বমোট ১৯ কোটি ৫০ লাখ ৯ হাজার টাকা লেনদেন করে। যা গড়ে প্রতিদিন ৩ কোটি ৯০ লাখ ১ হাজার ৮০০ টাকা।

তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে– মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৪.৬৬ শতাংশ, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ১৩.২৪ শতাংশ, মাইডাস ফাইন্যান্সের ১২.৭৫ শতাংশ, প্রাইম ইসলামী লাইফের ১২.৩৩ শতাংশ, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের ১১.৯৯ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ১১.৭৪ শতাংশ এবং জাহিন স্পিনিংয়ের ১১.১১ শতাংশ।

 




সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই বাড়ছে ৩ কোম্পানির শেয়ারদর

কোনো প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে। উভয় পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই-সিএসই) এমন তথ্য জানিয়েছে কোম্পানি তিনটির কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৫ জুন) ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানি তিনটি হলো-পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেড।

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স
কোনো প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে। শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই ও সিএসই সম্প্রতি ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডস লিমিটেডকে চিঠি পাঠায়। ওই চিঠির জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হযয়েছে, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই কোম্পানির শেয়ারের দাম এভাবে বাড়ছে। তাদের কাছে শেয়ারের দাম বাড়ার কারণ জানা নেই।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত ২২ মে কোম্পানির শেয়ার দর ছিল ৬৭.৬০ টাকা। আর ৪ জুন কোম্পানির শেয়ার দর ৯১.৬০ টাকায় উন্নীত হয়। এভাবে কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষ।

মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স
কোনো প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে। শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই ও সিএসই সম্প্রতি ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে চিঠি পাঠায়। ওই চিঠির জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হযয়েছে, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই কোম্পানির শেয়ারের দাম এভাবে বাড়ছে। তাদের কাছে শেয়ারের দাম বাড়ার কারণ জানা নেই।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত ৩১ মে কোম্পানির শেয়ার দর ছিল ৮৫.৩০ টাকা। আর ৪ জুন কোম্পানির শেয়ার দর ১০৩.১০ টাকায় উন্নীত হয়। এভাবে কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষ।

ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ
কোনো প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে। শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই ও সিএসই সম্প্রতি সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে চিঠি পাঠায়। ওই চিঠির জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হযয়েছে, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই কোম্পানির শেয়ারের দাম এভাবে বাড়ছে। তাদের কাছে শেয়ারের দাম বাড়ার কারণ জানা নেই।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত ১ মাসে ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৩৯.৮০ টাকা থেকে ৫৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এভাবে কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।