মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন

শেয়ারবাজারে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সম্প্রতি কোম্পানির পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে কোম্পানিতে চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করা হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

বিএসইসির নিয়োগ দেওয়া স্বতন্ত্র পরিচালকেরা হলেন- অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব অমলেন্দু মুখার্জি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মাশরিক হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং এমএনএ অ্যাসোসিয়েটসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নুরুল আলম।

মেঘনা পেট শেয়ারবাজারে দুর্বলভিত্তির কোম্পানি। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো ধরনের লভ্যাংশ দিতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় নতুন করে চারজনকে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়ে কোম্পানিটি সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। নতুন নিয়োগ দেওয়া পরিচালকদের মধ্য থেকে একজনকে চেয়ার‌ম্যানের দায়িত্ব দেওয়ারও নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি।




চার কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চারটি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৩) ও নয় মাসের (জুলাই, ২০২২ থেকে মার্চ, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য প্রান্তিকের ৯ মাসে কোম্পানিগুলোর শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক
কোম্পানিটির তৃতীয় প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ০.৪২ টাকা। গত হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১.৬৪ টাকা। তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১.৫৮ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫.৩৪ টাকা। এদিকে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭১.৬৭ টাকা।

মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ
কোম্পানিটি তৃতীয় প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ০.০৫২ টাকা। গত হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ০.০৬ টাকা। তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ০.১৭৩ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ০.১৮৪ টাকা। এদিকে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫.০২ টাকা।

ন্যাশনাল পলিমার
কোম্পানিটির তৃতীয় প্রান্তিকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৩ টাকা। গত হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৬২ টাকা। তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১.০১ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ১.৮৯ টাকা। এদিকে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮.৬৩ টাকা।

একমি ল্যাবরেটরিজ
কোম্পানিটির তৃতীয় প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৩ টাকা। গত হিসাব বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ২.৩৮ টাকা। তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৭.৮৯ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৭.৫৫ টাকা। এদিকে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০৭.৪৮ টাকা।