রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ফ্রান্স

ফ্রান্সের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান লেচারভি বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ফ্রান্স।

পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিনের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বুধবার (১৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

বৈঠকে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এবং মিয়ানমারের ক্রমবর্ধমান সংঘাতময় পরিস্থিতি তাদের আলোচনায় স্থান পায়। পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (এফডিএমএন) নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় বাংলাদেশের হতাশা প্রকাশ করে সংকটের দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন।

তিনি মিয়ানমারে চলমান সশস্ত্র সংঘাতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিশেষ দূত লেচারভি রোহিঙ্গা জনগণের প্রতি বাংলাদেশের চলমান মানবিক সহায়তার জন্য ফ্রান্সের প্রশংসা ব্যক্ত করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন করার জন্য ফ্রান্সের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি সীমান্তজুড়ে, বিশেষ করে রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত মোকাবিলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন, মিয়ানমারে রাজনৈতিক সংলাপ এবং এই ধরনের সংলাপে রোহিঙ্গা ইস্যুকে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে কথা বলেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ রোহিঙ্গা সংকটের জটিলতা, মিয়ানমারে সশস্ত্র সংঘাত, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ভূমিকা এবং রোহিঙ্গা জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করে।




মিয়ানমারে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান

মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এবং বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নিয়েছে চারটি বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ দূতাবাস, ইয়াঙ্গুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, গত ২০ থেকে ২২ ডিসেম্বর মান্দালয় আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমআরসিসিআই) উদ্যোগে মিয়ানমারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বিনিয়োগ ও বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এবং বিনিয়োগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল মিয়ানমারে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারের মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। মান্দালয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান বাণিজ্য সংযোগস্থল এবং এর শিল্প ব্যবস্থা এই অঞ্চলের দেশসমূহের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার সহায়ক।

বাংলাদেশের চারটি কোম্পানি, এএনজে অ্যাপেক্স কনসালটেন্সি সার্ভিসেস লিমিটেড, রোশনি মিয়ানমার কোম্পানি লিমিটেড, ফার্স্ট গ্রিনহিল লজিস্টিকস লিমিটেড এবং সিএফ গ্লোবাল মেলায় নিজেদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করে। এসব প্রতিষ্ঠান মোবাইল টাওয়ার নির্মাণে লজিস্টিকস এবং সাপ্লাই চেইন, অ্যাক্রেডিটেশন ও সার্টিফিকেশন সেবা দিয়ে থাকে।

বাংলাদেশ দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সিলর শাহেদুল আকবর খান বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের মেলায় অংশগ্রহণ সমন্বয় সাধন করেন। এই সম্মেলনের অংশ হিসেবে কৃষি ও গবাদিপশু বিষয়ক ফোরাম এবং পর্যটন ও জ্বালানী বিষয়ক ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়। মিয়ানমারে দায়িত্বরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মো. মনোয়ার হোসেন কৃষি ও গবাদিপশু বিষয়ক ফোরামে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে পরিপূরক কৃষিপণ্য ও কৃষি প্রযুক্তি বিনিময়ের তুলনামূলক সুবিধা আলোচনা করেন।

মেলায় বাংলাদেশ, চিন, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, হংকং ও তাইওয়ানের ২৬২টি ব্যবসা ও উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের স্টল নির্মাণ করা হয়। প্রদর্শিত পণ্যের তালিকায় রয়েছে খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য, কৃষিপণ্য, লজিস্টিকস ও সাপ্লাই চেইন, বিনিয়োগ সম্ভাবনা, স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট পণ্য এবং কৃষি যন্ত্রপাতি।

মান্দালয় ট্রেড ফেয়ার-২০২৩ এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ মিয়ানমারে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন পথ উন্মোচনে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং দুই দেশের শিল্প ক্ষেত্রে যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা যায়।




বাংলাদেশের স‌ঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালু কর‌তে চায় মিয়ানমার

মিয়ানমার-বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আগ্রহের কথা জানিয়েছে মিয়ানমার। শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমের স‌ঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকা‌লে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়ে এ কথা জানান।

এ সময় এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি শমী কায়সার ও পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক র‌য়ে‌ছে। প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। প্রতিবেশী হওয়া সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ খুবই কম। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারের তাগিদ দেওয়া হয়।

সভায় মাহবুবুল আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য চলে আসছে। একসময় চট্টগ্রাম থেকে নৌ-পথে ইয়াঙ্গুনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পন্ন হতো। কিন্তু বেশ কিছু কারণে বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের হার কিছুটা কমে এসেছে। দুই দেশের সম্ভাবনাময় অনেক খাত থাকলেও সেই সুযোগ আমরা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। রোহিঙ্গা সমস্যাসহ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান করলে বাণিজ্যিকভাবে উভয় দেশই লাভবান হবে।

এ সময় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এফবিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, তৈরি পোশাক, ওষুধ শিল্প,সিরামিক,পাট,চামড়াজাত পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যে বিশ্বব্যাপী দারুণ সুনাম কুড়িয়েছে বাংলাদেশ। মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে এসব পণ্য আমদানি করতে পারে। পাশাপাশি চাল, পেঁয়াজ, মসলাসহ বিভিন্ন পণ্য মিয়ানমার থেকে আমদানি করতে পারে বাংলাদেশ। এছাড়াও, এদেশের জ্বালানির চাহিদা পূরণে মিয়ানমার এগিয়ে আসতে পারে।

এ সময় বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ঐতিহাসিকভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে এসেছে। ১৯৭১ সালে যে ৫টি দেশ বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়, সেই ৫টি দেশের মধ্যে একটি মিয়ানমার। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে মিয়ানমার আগ্রহী।

এ সময় মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে মিয়ানমারের আগ্রহের কথাও জানান রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়ে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমার সরকার বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।




শিগগির ৩ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

পাইলট প্রকল্পের আওতায় শিগগির কিছু রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে দেশটি নিবন্ধিত তিন হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে চায়। গতকাল সোমবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোয় উভয় দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠকে থাকা এক কূটনীতিক বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে ভালো আলোচনা হয়েছে। তারা যত শিগগির সম্ভব প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায়। সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রথম ধাপে নিবন্ধিত তিন হাজার রোহিঙ্গা দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটা যত দ্রুত সম্ভব হতে পারে। তবে ঠিক কবে এই প্রত্যাবাসন শুরু হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। দ্বিতীয় ধাপে পাঁচ হাজার এবং তার পরের ধাপে সাত হাজার রোহিঙ্গাকে তারা ফেরত নিতে পারে। যদিও এ সংখ্যক রোহিঙ্গাকেই যে তারা নির্দিষ্ট করে ফেরত নেবে, তা নিশ্চিত করে বলা ঠিক হবে না।

প্রত্যাবাসন শুরুর আগে রোহিঙ্গাদের মনোবল বাড়াতে হবে উল্লেখ করে এ কূটনীতিক বলেন, যাদের প্রত্যাবাসন করা হবে, আগে তাদের মনোবল বাড়াতে হবে। তারপর তাদের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় যেতে চায় তাদের পাঠানো হবে। আমরা টেকসই প্রত্যাবাসন করতে চাই। যেন প্রথম ধাপের পর পরবর্তী ধাপেও রোহিঙ্গারা যেতে থাকে। মিয়ানমার থেকে একটি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারে এসে রোহিঙ্গাদের মনোবল বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করার কথা রয়েছে।

মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের কক্সবাজার সফরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কূটনীতিক বলেন, তারা আসবে। আমরা চাই, তারা এসে রোহিঙ্গাদের আগ্রহী করে তুলুক; তাদের নিশ্চয়তা দিক। প্রত্যাবাসনের আগে আমাদের মূল লক্ষ্য রোহিঙ্গাদের মনোবল বৃদ্ধি করা।

জানা গেছে, নেপিদোয় বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার অনু বিভাগের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। রোহিঙ্গাদের আস্থা ফেরানো ও নিরাপদ বোধ করাতে নেপিদো কী কী পদক্ষেপ নেবে, বৈঠকে সে বিষয়ে জোর আলোচনা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মূল প্রশ্ন, তারা ফিরে যেতে নিরাপদ বোধ করছে কিনা। রোহিঙ্গারা যদি নিরাপদ বোধ না করে, তাহলে জোর করে ফেরত পাঠাবে না বাংলাদেশ। কারণ স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন চায় ঢাকা। প্রত্যাবাসনে রাজি হওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য বেশ কিছু ঘর তৈরি করেছে মিয়ানমার সরকার। তবে সেগুলো দেখে এসে প্রত্যাবাসনে অনাগ্রহের কথা জানিয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা। এখন তাদের আস্থা অর্জনে নেপিদো থেকে আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা। এর মধ্যে একটি হলো– প্রত্যাবাসনের পর রোহিঙ্গাদের এককালীন অর্থ দেওয়া হবে এবং ইচ্ছা করলে তারা নিজ গ্রামেও যেতে পারবে। মিয়ানমারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। তবে শুরুতেই রোহিঙ্গারা তাদের গ্রামে যেতে পারবে না। মিয়ানমার সরকারের দেওয়া ঘরবাড়িতে তাদের তিন মাস থাকতে হবে। এর পর নিজ গ্রামে স্থানান্তর করা হবে। আর কেউ যদি সরকারি ঘরবাড়িতে থেকে যেতে চায়, সে ব্যবস্থাও করবে মিয়ানমার সরকার।




এবার চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে মিয়ানমার

ভারতের পর এবার চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার। আগামী দেড় মাস এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির চাল ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন মিয়ানমার রাইস ফেডারেশন (এমআরএফ)।

এআরএফের এক জ্যেষ্ঠ সদস্য রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে আপাতত চাল রপ্তানি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষ থেকে আগামী ৪৫ দিন এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম চাল রপ্তানিকারক দেশ মিয়ানমার। দেশটি বছরে ২০ লাখ টনের বেশি চাল রপ্তানি করে। বাংলাদেশও মিয়ানমার থেকে চাল আমদানি করে থাকে।

গত মাসে বাসমতি ব্যতীত অন্য সব চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। এ নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে চলতি মাসেই আন্তর্জাতিক বাজারে চালের সরবরাহ কমেছে ১ কোটি টন। শতকরা হিসেবে এ ঘাটতির হার ২০ শতাংশ।

এদিকে, ভারত চাল রপ্তানি স্থগিতের পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের চালের দাম। সূত্র: রয়টার্স