ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৪ থেকে ২৮ মার্চ) কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ।

শনিবার (৩০ মার্চ) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২৮ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৫.৭৩ শতাংশ। এতে কোম্পানিটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে।

লেনদেনের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেন্ট্রাল ফার্মসিউটিক্যালসের ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৪.৯৪ শতাংশ।

তৃতীয় স্থানে থাকা আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ১৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৪.০৪ শতাংশ।

লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- বেস্ট হোল্ডিংসের ৩.৭১ শতাংশ, গোল্ডেন সনের ৩.২২ শতাংশ, ফু-ওয়াং সিরামিকের ৩.০৪ শতাংশ, শাইনপুকুর সিরামিকের ২.৪৮ শতাংশ, মালেক স্পিনিংয়ের ২.২০ শতাংশ, ফর্চুন সুজের ২.০৪ শতাংশ ও এমারেল্ড অয়েলের ২.০৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।




প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে তালিকাভুক্ত প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি কমিটি ইউনিট হোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিট হোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি ইউনিটে ১ টাকা লভ্যাংশ পাওয়া যাবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ ফেব্রুয়ারি।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ০.৪২ টাকা। গত হিসাব বছরের একই সময়ে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি মুনাফা ছিল ০.০৮ টাকা।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফান্ডটির বাজার দরে ইউনিটপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিইউ) দাঁড়িয়েছে ১৩.৫৭ টাকা।




ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১৪ থেকে ১৮ জানুয়ারি) কোম্পানি মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। আলোচ্য সময়ে শেয়ারের দামও সও বচেয়ে বেশি বেড়েছে কোম্পানিটির। ডিএসইর সাপ্তাহিক পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সপ্তাহজুড়ে ওরিয়ন ইনফিউশনের ৪০ লাখ ১ হাজার ৫২১টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ১৭৬ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সি পার্ল বিচ রিসোর্টের ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭২৩টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ১৫৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

তৃতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ৮২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২৬টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ৯৯ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- দেশবন্ধু পলিমারে ৮৭ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম ৮৬ কোটি ৭৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ৮১ কোটি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকার, বিচ হ্যাচারির ৭৭ কোটি ১৭ লাথ ৮০ হাজার টাকার, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৭৪ কোটি ৯০ লাখ টাকার, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৭৪ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার এবং পাওয়ার গ্রিডের ৭১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।




নাম পরিবর্তন করবে ডিএসই

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) লিমিটেড এর নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড’ এর পরিবর্তে ‘ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি’ রাখা হবে। তবে প্রতিষ্ঠানটির সংক্ষিপ্ত নাম ‘ডিএসই’ হিসাবেই থাকবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৫৪ সালের ২৮ এপ্রিল ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন লিমিটেড নামে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হয় ১৯৫৬ সালে। ১৯৬২ সালের ২৩ জুন নাম পরিবর্তন করে ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড করা হয়। ১৯৬৪ সালের ১৩ মে ওই নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় ডিএসইতে লেনদেন স্থগিত রাখা হয়। ১৯৭৬ সালের ১৬ আগস্ট লেনদেন পুনরায় চালু হয় এবং অদ্যাবধি লেনদেন ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বমানের সেবা ও স্টেকহোল্ডারদের সর্বোচ্চ আস্থা নিশ্চিত করে এ অঞ্চলের নেতৃস্থানীয় এক্সচেঞ্জ এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন ধরনের সিকিউরিটিজ (শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ট্রেজারি বন্ড, ডিবেঞ্চার ও কর্পোরেট বন্ড) লেনদেন হয়ে থাকে।




এলআর গ্লোবাল ফান্ডের নগদ লভ্যাংশ বিতরণ

পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে তালিকাভুক্ত এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান ইউনিট হোল্ডারদের জন্য নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সমাপ্ত সময়ের জন্য ঘোষিত এই লভ্যাংশ পাঠানো হয়।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সিস্টেমসের মাধ্যমে নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য বছরের জন্য কোম্পানিটি ইউনিট হোল্ডারদের শেয়ার প্রতি ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিলো।

সমাপ্ত হিসাব বছর শেষে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ২৮ পয়সা।




ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বর) কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে লেনদেনের শীর্ষে উঠেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।

ডিএসই’র সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের ৪০ লাখ ২০ হাজার ৫১২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসব শেয়ারের বাজারমূল্য ১৬২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক অ্যাক্সেসরিজ লিমিটেডের ৮ কোটি ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৪৫২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসব শেয়ারের বাজারমূল্য ১৫৮ কোটি ২৮ লাখ ৭০ লাখ টাকা।

তৃতীয় স্থানে থাকা প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেডের ৭ কোটি ৫৯ লাখ ৯১ হাজার ৪৪৬টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসব শেয়ারের বাজারমূল্য ১৩০ কোটি ১০ হাজার টাকা।

লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের ১০৭ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার, খুলনা প্রিন্টিংয়ের ৮৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকার, ইভিন্স টেক্সটাইলের ৮৮ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ৬৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার, সি পার্ল হোটেল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের ৬৬ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকার, ইন্দোবাংলা ফার্মার ৫৩ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার এবং বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ৫৩ কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।




ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষে জিকিউ বলপেন

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর) লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি থাকায় কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইর সাপ্তাহিক বাড়ার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

ডিএসইর সাপ্তাহিক পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, বিদায়ী সপ্তাহের আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারের ক্লোজিং দাম ছিল ১৩০.৪০ টাকায়। আর বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্লোজিং দাম দাঁড়িয়েছে ১৭৩ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৪২.৬০ টাকা বা ৩২.৬৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইর সাপ্তাহিক দাম বাড়ার তালিকার শীর্ষে উঠেছে।

ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে আফতাব অটোমোবাইলসের শেয়ারদর বেড়েছে ২২.৭৫ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকসের ২০.৭০ শতাংশ, লিবরা ইনফিউশনসের ১৮.৪৮ শতাংশ, সমতা লেদারের ১৮.৩০ শতাংশ, এডিএন টেলিকমের ১৩.৮৩ শতাংশ, মুন্নু এগ্রোর ১২.০৯ শতাংশ, সমরিতা হাসপাতালের ১০.১৫ শতাংশ, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্কের ৯.৫৩ শতাংশ এবং ওরিয়ন ইনফিউশনের ৮.৫৬ শতাংশ শেয়ারের দাম বেড়েছে।




২৫ কোটি টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ড আনবে ইমারজিং গ্লোবাল

পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ড আনছে ইমারজিং গ্লোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ফান্ডটির প্রাথমিক আকার হবে ২৫ কোটি টাকা। তবে পরবর্তীতে এটি আরও বাড়ানো হবে।

প্রস্তাবিত ফান্ডটির স্পন্সর-ডিআইটি আইডিয়াল ট্রাস্ট কোওপারেটিভ লিমিটেড, ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করবে বিজিআইসি এবল কাস্টোডিয়ান হিসেবে থাকবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) আইসিবি ক্যাপিটালের সঙ্গে প্রস্তাবিত ফান্ডটি কাস্টোডিয়ান চুক্তি হয়েছে। ইমারজিং গ্লোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন আইসিবি ক্যাপিট্যাল মনেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাজেদা খাতুন এবং ফান্ড ম্যানেজার ইমারজিং গ্লোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ন কবীর।

অনুষ্ঠানে আইসিবির নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান ড. সুর্বন বড়ুয়া মিউচ্যুয়াল ফান্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং তিনি উল্লেখ করেন কোওপারেটিভ সোসাইটিগুলো যদি এই ফান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যায় তাহলে পুঁজিবাজারে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এর ফলে আগামীতে পুঁজিবাজার নতুন গতি পাবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন, ইজিএএমলের এডভাইজার পংকজ কুমার প্রমুখ।




২ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে তালিকাভুক্ত দুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ফান্ডগুলোর ট্রাস্টি কমিটি এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

বুধবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো হলো- ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ডে এবং এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান।

ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স: মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) ০.২০ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১১.০৮ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ ডিসেম্বর।

এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ: মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) ০.২৮৯২ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০.৩৫ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ ডিসেম্বর।




পুঁজিবাজারে ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের লেনদেন শুরু

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড।

মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির লেনদেন মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) শুরু হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) এর আয়োজিত রিং দ্যা বেল অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ফান্ডটির লেনদেন শুরু হয়েছে। এর ফলে পুঁজিবাজারে ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড ১৫৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে।

এদিন ডিএসই আয়োজিত ডেবিউ ট্রেডিং এবং রিং দ্য বেল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসি কমিশনার অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এটিএম তারিকুজ্জামান এবং ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশর (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের গত ১৪ আগস্ট পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তার ৮৮০তম কমিশন সভায় ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করে। ফান্ডটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর এর ট্রাস্টি ও কাস্টোডিয়ানের দায়িত্ব পালন করছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ সংস্থা আইসিবি।

প্রাথমিকভাবে ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০০ কোটি টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তা এতে ১০০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছেন। বাকি ১০০ কোটি টাকা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করার কথা। কিন্তু আইপিওতে নির্ধারিত ইউনিট বিক্রি না হওয়ায় ফান্ডটির আকার দাঁড়িয়েছে ১৫৬ কোটি টাকা।

ফান্ডটি ডিএসইতে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে। ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের ট্রেডিং কোড হবে ‘CAPITECGBF’। ডিএসইতে ফান্ডটির ট্রেডিং কোড হবে ১২২০৫।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) ফান্ডটির বরাদ্দপ্রাপ্ত ইউনিট বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। তার আগে গত সোমবার (৯ অক্টোবর) যোগ্য বিনিয়োগকারী ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইউনিট বরাদ্দ করা হয়েছে। ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) মাধ্যমে যোগ্যতাসম্পন্ন ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইউনিট বরাদ্দ করা হয়।

আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ফান্ডটির ১০০ কোটি টাকার ইউনিট সংক্ষিত ছিল। এর বিপরীতে ৫৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার ইউনিট কেনার জন্য আবেদন জমা পড়ে। সংক্ষিত ইউনিট সংখ্যার চেয়ে কম আবেদন জমা পড়ায় প্রত্যেক আবেদনকারী শতভাগ ইউনিট বরাদ্দ পেয়েছেন।




মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়নে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. মিজানুর রহমান বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়নে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। তবে বর্তমানে শেয়ারবাজারে এই খাতের অংশগ্রহণ খুবই কম। যেটা ১৬ হাজার কোটি টাকার মতো। কিন্তু এটা হওয়া উচিত ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। তবে আগামি ১০ বছরে এই খাত অনেক এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’ উপলক্ষে এসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডস (এএএমসিএমএফ) আয়োজিত রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে ‘রোল অব এসডিজি অ্যানালিটিক্স ইন ক্যাপিটাল মার্কেট-বেজড ডেভেলোপমেন্ট ফাইন্যান্সিং’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আজকের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. মিজানুর রহমান। এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন আরেক কমিশনার ড. শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এএএমসিএমএফ এর সভপাতি ড. হাসান ইমাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের কোঅর্ডিনেটর অ্যান্ড ইকোনোমিস্ট জুবায়ের হোসেন।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া হিসাব মান পরিপালনে কঠোর কমিশন। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে মিউউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে কমিশনার ড. শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নিরসন করে। যা ব্যক্তিগতভাবে করা কঠিন। এজন্য বিনিয়োগকারীদেরকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে বিনিয়োগ করার আহবান করেন তিনি। এসময় তিনি ভালো কোম্পানি বাজারে না আনলে মিউচ্যুয়াল ফান্ড ভালো করবে না বলে যোগ করেন।

রেস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এএএমসিএমএফ এর সভপাতি ড. হাসান ইমাম বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড শেয়ারবাজারের সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। এই খাতটি অনেক বাঁধা বা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও ভালো করছে। শেয়ারবাজার যেখানে নেতিবাচক, সেখানে এই খাতের উন্নতি হয়েছে।

তিনি বলেন, গত অর্থবছরে শেয়ারবাজার নেতিবাচক ছিল। যেই ব্লু চিপস কোম্পানিতে মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হয়, সেই ব্লু চিপস-৩০ সূচকও নেতিবাচক ছিল। এই অবস্থার মধ্যেও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যবসায় ২৮৩ কোটি টাকার নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এমনকি গত ১০ বছরের মধ্যে ৭ বছরই সূচক বৃদ্ধির তুলনায় মিউচ্যুয়াল ফান্ড ভালো করেছে বলে যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আয়ের প্রধান উৎস বিনিয়োগ করা কোম্পানিগুলো থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ এবং ক্যাপিটাল গেইন। কিন্তু গত অর্থবছরে দুই খাতই ছিল মন্দা।

এরমধ্য দিয়েও লভ্যাংশ দিয়ে অ্যাসেট ম্যানেজজাররা দক্ষতার প্রমাণ রেখেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাত ভালো করছে বলে তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর কম নিয়ে অনেকে সমালোচনা করেন উল্লেখ করে হাসান ইমাম বলেন, এই যে কোন কোন ইউনিট দর ৪-৫ টাকা, এটা কিন্তু অ্যাসেট ম্যানেজারদের পারফরমেন্স না। আপনাকে দেখতে হবে ওই ইউনিটের অ্যাসেট কত আছে। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশে সম্পদের তুলনায় অনেক কমে বা ডিসকাউন্টে ইউনিট লেনদেন হয়। যেটা আমেরিকায় সর্বোচ্চ ২০% হয়।

তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর ডিভিডেন্ড ইল্ড বা প্রকৃত লভ্যাংশ ১৫-২০%। যা অন্যসব খাতের শেয়ারে সম্ভব না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করিম বলেন, বন্ডের কূপণ রেট থেকে কর অব্যাহতি দেওয়া দরকার। তাহলে ইউনিটহোল্ডাররা ভালো লভ্যাংশ পাবে।

এলআর গ্লোবালের সিআইও রিয়াজ ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়েছে, সেভাবে শেয়ারবাজার এগোয়নি। এটা শেয়ারবাজারের জন্য খারাপ খবর। এটা সমাধান করা সম্ভব। যার অনেক সুযোগ রয়েছে।




ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের আবেদন শুরু রোববার

ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনায় পুঁজিবাজারে আসছে ‘ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড’। আগামী রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ ফান্ডের সাবস্ক্রিপশন অর্থাৎ আবেদন ও টাকা জমা নেওয়া শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত।

ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে।

বিনিয়োগকারীদের কাছে এ ফান্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার জন্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড দেশের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক রোড শো’র আয়োজন করে। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে একটি রোড শো হয়।

এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম মাহফুজুর রহমান, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কিসমাতুল আহসান, গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল মজিদ, সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ, গ্রামীণ ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেনসহ দেশের অর্থ ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এই মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আকার ২০০ কোটি টাকা। এর প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। ফান্ডটির স্পন্সর বিশ্বের বৃহত্তম ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক। এই ফান্ডের ১০০ কোটি টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীগণের কাছ থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। ফান্ডের ট্রাস্টি এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে থাকছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।




ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন

মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ‘ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড’র খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার (১৪ আগস্ট) বিএসইসির ৮৮০তম কমিশন সভায় এ এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, আজকের সভায় কমিশন মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ‘ক্যাপিটেক গ্রামীণ ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে। উক্ত ফান্ডটির লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২০০ কোটি টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তা হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা প্রদান করেছে এবং বাকি ১০০ কোটি টাকা সকল বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।

ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে ‘ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ফান্ডটির ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করবে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।




এসইএমএল লেকচার শরিয়া ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে তালিকাভুক্ত এসইএমএল লেকচার আইবিবিএল শরিয়া ফান্ডের ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য সাড়ে ৪ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে রোববার (৬ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটির বৈঠকে সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.২৪ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০.৪৭ টাকা।

ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ আগস্ট।




৮ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি কামিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (৬ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.৪২ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ৯.৯৭ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

আইসিবি সোনালী ব্যাংক ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ২.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.২২ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০.৩০ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

আইসিবি অগ্রণী ব্যাংক ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ইউনিটহোল্ডারদের জন‌্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.১৪ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০.৮৩ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

ফনিক্স ফাইন্যান্স ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.৩৮ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ৯.৭৬ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

আইএফআইএল ইসলামিক ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.৪২ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ৯.৭৫ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

আইসিবি এমপ্লয়েজ ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.৩৪ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ৯.৬৬ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৩ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ১০.৪০ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।

আইসিবি এএমসিএল তৃতীয় ফান্ড: ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি মুনাফা (ইপিইউ) হয়েছে ০.৩৬ টাকা। আর ২০২৩ সালের ৩০ জুন ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিইউ) বাজার মূল্য অনুযায়ী দাঁড়িয়েছে ৯.৩২ টাকা। ইউনিটহোল্ডারদের মাঝে লভ্যাংশ বিতরণে ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ আগস্ট।




লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের বন্ড সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন

লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড সম্প্রতি ৩ হাজার মিলিয়ন টাকার প্রাইভেটলি প্লেসড নন-কনভার্টিবল, জিরো কুপন বন্ডের সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন করেছে।

একাধিক ব্যক্তি বিনিয়োগকারী, কর্পোরেট, ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পেনশন ও গ্র্যাচুয়িটি ফান্ড এই ইস্যুতে সাবস্ক্রিপশন করে। এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স তার চতুর্থ বন্ড ইস্যু সম্পন্ন করল। বন্ডটি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডেবট সিকিউরিটিজ) রুলস ২০২১-এর আলোকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে ডিমেটেরিয়ালাইজ্ড ফর্মে ইস্যু করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে লেনদেন হবে।

উক্ত বন্ডের ট্রাস্টি ও লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যথাক্রমে আইআইডিএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও গ্রিন ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড। লংকাবাংলা ফাইন্যান্স সক্রিয়ভাবে বন্ড ইস্যু ও অন্যান্য বহুমুখী বিকল্প দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে অর্থায়নের নানাবিধ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। পক্ষান্তরে, বিএসইসি দেশের বন্ড বাজারের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। জিরো কুপন বন্ড ফেইস ভ্যালুর ওপর ডিসকাউন্টে ইস্যু করা হয় এবং মেয়াদান্তে ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীকে সম্পূর্ণ ফেইস ভ্যালু প্রদান করে। বর্তমানে জিরো কুপন বন্ড থেকে অর্জিত আয় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ব্যতীত সকল ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর জন্য সম্পূর্ণ করমুক্ত।




দুই ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন দিল বিএসইসি

বে-মেয়াদি দুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ফান্ড দুইটি হলো- ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ড ও বিএমএসএল ন্যাশনাল হাউজিং গ্রোথ ফান্ড।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিএসইসির চেয়ারম্যান আধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের ৮৬২তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইউসিবি ইনকাম পালস ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ৫ কোটি টাকা প্রদান করবে। যা ফান্ডের প্রাথমিক আকারের ১০ শতাংশ। বাকি ৪৫ কোটি টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হলো ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।

এদিকে, বিএমএসএল ন্যাশনাল হাউজিং গ্রোথ ফান্ডের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যাক্তা ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ২.৫ কোটি টাকা প্রদান করেছে। বাকি ২২.৫ কোটি টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীগণের জন্য উন্মক্ত থাকবে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। উক্ত ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হলো বিএমএসএল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। ফান্ডের ট্রাস্টি এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে যথাক্রমে বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।