কনফিডেন্স সিমেন্টের বোনাস লভ্যাংশের বিএসইসির সম্মতি

পুঁজিবাজারে সিমেন্ট খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ শেয়াহোল্ডারদের দেওয়ার সম্মতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়াহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ আলোচ্য বছরে ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আর বাকি ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ।

আগামী ১৬ জানুয়ারি কোম্পানির বোনাস লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।




বিডি মনোস্পুলের বোনাস লভ্যাংশে বিএসইসির সম্মতি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি মনোস্পুল পেপার লিমিটেড ৩০ জুন,২০২৩ সমাপ্ত হিসাব বছরের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশে সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটি আলোচ্য বছরে ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ বোনাস।

কোম্পানিটির বোনাস লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড তারিখ আগামী ১০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।




জিপিএইচ ইস্পাত বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার সম্মতি পেলো

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের প্রদানের বিষয়টি সম্মতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ২৮ অক্টোবর কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে বলে ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। বাকি ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। তবে কোম্পানির স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালকরা কেবল বোনাস পাবেন।

বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করা হলে তাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির অনুমোদন প্রয়োজন হয়। বিএসইসির অনুমোদন প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি বোনাস শেয়ারের জন্য আগামী ৭ ডিসেম্বরকে রেকর্ড তারিখ ঘোষণা করেছে।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন করলে ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ করা হবে।

উল্লেখ, নগদ লভ্যাংশের জন্য ঘোষিত রেকর্ড তারিখ ছিল ২৩ অক্টোবর।




বোনাস লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ৩ ব্যাংক

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত ৩টি ব্যংকের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১০ জুলাই) সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংক ৩টি হলো-ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড।

ব্যাংকগুলো ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশের শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে ৪ জুলাই বিও হিসাবে পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, আলোচ্য বছরে ঢাকা ব্যাংক ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৬ শতাংশ বোনাস। ইউসিবি ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ বোনাস। আর এনআরবিসি ব্যাংক ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৪ শতাংশ বোনাস।




সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারের বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এই লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ জুন) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২০ জুলাই। বুধবার কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কোনো সীমা থাকছে না।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৩০ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ২.০৫ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১.৯৩ টাকা।

এর আগের হিসাব বছরে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।




এনসিসি ব্যাংককে বোনাস লভ্যাংশ প্রদানে বিএসইসির সম্মতি

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এনসিসি ব্যাংক লিমিটেডের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (৩১ মে) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এনসিসি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে।

আইন অনুযায়ী বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানি বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না। তাই বোনাস শেয়ার ঘোষণার পর তা প্রদানের লক্ষ্যে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতির জন্য আবেদন করে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি এনসিসি ব্যাংক লিমিটেডকে বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের সম্মতি দিয়েছে।

বোনাস লভ্যাংশ বিতরণে কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ জুন।




ঢাকা ব্যাংককে বোনাস লভ্যাংশ প্রদানে বিএসইসির সম্মতি

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

তথ্য মতে, ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে।

আইন অনুযায়ী বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোনও কোম্পানি বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না। তাই বোনাস শেয়ার ঘোষণার পর তা প্রদানের লক্ষ্যে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতির জন্য আবেদন করে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডকে বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের সম্মতি দিয়েছে।

বোনাস লভ্যাংশ বিতরণে কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট ছিল ২২ মে।




বোনাস লভ্যাংশ প্রদানেস ম্মতি পায়নি ঢাকা ব্যাংক

পুঁজিবাজারে ব্যাংকখাতে তালিকাভুক্ত ঢাকা ব্যাংকের সমাপ্ত হিসাব বছরের (৩১ ডিসেম্বর, ২০২২) ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ সংক্রান্ত সম্মতি এখনো দেয়নি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সর্বশেষ সমাপ্ত বছরের জন্য ঢাকা ব্যাংক ১২ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিলো। যার মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে। কোম্পানিটির লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড তারিখ আগামি ২২ মে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বোনাস লভ্যাংশ সংক্রান্ত সম্মতি এখনো দেয়নি বিএসইসি। এর ফলে পূর্ব ঘোষিত কোম্পানিটির নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে। কিন্তু সম্মতি না পাওয়ায় বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করতে পারছে না ব্যাংকটি।

আইন অনুযায়ী বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানি বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না। তাই বোনাস শেয়ার ঘোষণার পর তা প্রদানের লক্ষ্যে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতির জন্য আবেদন করে।




বোনাস  লভ্যাংশ  দিয়ে  জরিমানা গুনছে ৪ ব্যাংক

শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে শুধুমাত্র বোনাস  লভ্যাংশ দিয়ে জরিমানা গুণতে হচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের চার ব্যাংককে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে- এবি ব্যাংক লিমিটেড, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

আইনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে কমপক্ষে বোনাস লভ্যাংশের সমপরিমাণ নগদ লভ্যাংশ দিতে হবে। যদি বোনাসের পরিমাণ নগদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পুরো বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। এ হিসাবে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত আয়করের শাস্তির কবলে পড়তে হবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই আইনটি বাজেটে প্রণয়ন করা হয়।

আইন অনুসারে, এবি ব্যাংকে ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, ওয়ান ব্যাংকের প্রায় ৫ কোটি এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

লভ্যাংশ মুনাফা হিসেবে বোনাস শেয়ার দেওয়া নিয়ে চার ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ বলছেন, ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুনাফার টাকা ব্যাংকের মূলধনকে আরও শক্তিশালী করবে।

এবি ব্যাংক

জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত ২০২২ সালে এবি ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ৭১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৮ হাজার ৪৭৯ টাকা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকটির পর্ষদ নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ কারণে ১৭ কোটি ২২ লাখ টাকার বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

পাশাপাশি নিয়ম অনুসারে মুনাফার ৩০ শতাংশের কম লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে ব্যাংকটি। কম লভ্যাংশ ঘোষণা করায় ৫৪ কোটি ২৪ লাখ টাকার উপর ১০ শতাংশ হারে আরও ৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। সবমিলিয়ে দুই কারণে ব্যাংকটিকে শাস্তিস্বরুপ ৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক

বিদায়ী বছরের ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬৫ পয়সা করে। তাতে কর-পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। সেখান থেকে ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য শুধুমাত্র ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

১০ শতাংশ হারে ব্যাংকটির মুনাফার টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এই টাকা পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে ব্যবহার হবে। এছাড়াও মুনাফার ১৪৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা নিয়ম অনুসারে রিজার্ভ ফান্ডে রাখা হবে।

এবি ব্যাংকের মতো এই ব্যাংকটি নগদ শেয়ার না দিয়ে শুধু বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আইন লঙ্ঘন করেছে। আয়করের আওতায় শাস্তি হিসেবে ৮৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার উপরে ১০ শতাংশ হারে ৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

ওয়ান ব্যাংক

শেয়ার প্রতি ৭৩ পয়সা করে বেড়ে ২০২২ সালে ওয়ান ব্যাংকের মোট মুনাফা হয়েছে ১৫৫ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার ৫৪১ টাকা। এই মুনাফা থেকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটি। অর্থাৎ ৪৯ কোটি ৩ লাখ ৭১ হাজার ২৩৯ টাকার শেয়ার লভ্যাংশ দেবে। মুনাফার টাকায় ব্যাংকটির মূলধন বাড়াবে।

নগদ শেয়ার লভ্যাংশ না দিয়ে শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ায় বোনাস শেয়ারের ৪৯ কোটি ৩ লাখ ৭১ হাজার ২৩৯ টাকার মুনাফার উপর ১০ শতাংশ হারে অর্থাৎ প্রায় ৫ কোটি টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে কোম্পানিকে।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক

অপরদিকে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ২০২২ সালে মোট মুনাফা হয়েছে ২৯৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে কেবল ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। তাতে কোম্পানির বোনাস শেয়ারের টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই টাকার উপরে ১০ শতাংশ হারে জরিমানা করা হয়েছে। তাতে জরিমানার অর্থ আছে ১০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এই জরিমানা দিতে হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে। এছাড়া ব্যাংকটির ১৮৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা রিজার্ভ ফান্ডসহ রিটেইন আর্নিংস রাখা হবে।

আয়কর অধ্যাদেশ নতুন ধারা ১৬ এফ সংযোজন

অর্থ আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে আয়কর অধ্যাদেশে নতুন ধারা ১৬ সংযোজন করা হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত কোম্পানিকে স্টক ডিভিডেন্ডের কমপক্ষে সমপরিমাণ ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করতে হবে। যদি স্টক ডিভিডেন্ড প্রদানের পরিমাণ ক্যাশ ডিভিডেন্ডের চেয়ে বেশি হয় তাহলে যে পরিমাণ স্টক ডিভিডেন্ড প্রদান করা হবে বা হয়েছে তার পুরোটার উপরে ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। কোম্পানিকে সংশ্লিষ্ট কর বছরের আয়কর রিটার্ন দাখিলের পূর্বে পরিশোধ করতে হবে। এ কর কোম্পানি অন্য কোনো কর দায়িতার সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে না।

সুতরাং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে কমপক্ষে বোনাস লভ্যাংশের সমপরিমাণ নগদ লভ্যাংশ দিতে হবে। যদি বোনাসের পরিমাণ নগদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পুরো বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।




পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

 

পুঁজিবাজারের বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ২.৫০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এই লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩১ মে সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ এপ্রিল।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৬.০৯ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৬.৯৩ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৬.৮৮ টাকা।

 

এর আগের হিসাব বছরে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ রয়েছে।