বেস্ট হোল্ডিংসের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদী ‘এ+’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’ রেটিং হয়েছে।

কোম্পানিটির গত ২০২১ থেকে ২০২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষিত এবং চলতি বছরের সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




লেনদেনের শীর্ষে বেস্ট হোল্ডিংস

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ৩৯৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেস্ট হোল্ডিংস ৩৯ কোটি ০৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে শীর্ষে জায়গা দখল করেছে।

লেনদেনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা সেন্ট্রাল ফার্মার ৩৪ কোটি ৪৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২৮ কোটি ৪০ লাখ ৬৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করায় তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থান নিয়েছে জেমিনি সি ফুড পিএলসি।

লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- ফরচুন সুজ, ফু ওয়াং সিরামিক, লাভেলো আইসক্রিম, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, মুন্নু ফেব্রিকস, ওরিয়ন ইনফিউশন এবং বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম।




সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে বেস্ট হোল্ডিংস

বিদায়ী সপ্তাহে (১৮-২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনে শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড।

সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৩ কোটি ৬৩ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টাকার অংকে যার বাজার মূল্য ১৪৪ কোটি ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৪.২৭ শতাংশ।

লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২০ লাখ ১৫৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টাকার অংকে যার বাজার মূল্য ১৩৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৪.১১ শতাংশ।

সাপ্তাহিক লেনদেন তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে- ফু-ওয়াং সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪ কোটি ২৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৮২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টাকার অংকে যার বাজার মূল্য ১১৩ কোটি ৪৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৩৭ শতাংশ।

এছাড়া, সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- আফতাব অটোমোবাইলসের ৮০ কোটি ৮৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, লাভেলো আইস্ক্রিমের ৭৯ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা, সেন্ট্রাল ফার্মার ৭৫ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার লাখ ৩০ হাজার টাকা, মুন্নু ফেব্রিক্সের ৭১ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ফরচুন সুজের ৬৫ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, রবি আজিয়েটার ৬২ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ৫৮ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।




লেনদেনের শীর্ষে বেস্ট হোল্ডিংস

মূল্যসূচকের পতনে শেষ হয়েছে আজকের লেনদেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, বেস্ট হোল্ডিংসের ১ কোটি ২৪ লাখ ৬৩ হাজার ২৮৭ টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৪৯ কোটি ২৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রবি আজিয়াটা লিমিটেড। যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকার।

৪৪ কোটি ৯৯ লাখ ২৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন নিয়ে শীর্ষ তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ফু-ওয়াং সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর লেনদেন যথাক্রমে- তৌফিকা ফুডস এবং লাভলো’র ২৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা, ওরিয়ন ইনফিউশনের ২৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের ২৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, ফরচুন সুজের ২১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, মালেক স্পিনিং মিলসের ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আইটি কনসালটেন্টসের ১৯ কোটি ৭ লাখ টাকা, আফতাব অটোমোবাইলসের ১৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ।




বেস্ট হোল্ডিংসের লেনদেন শুরুর তারিখ নির্ধারণ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) সম্পন্ন করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, পুঁজিবাজারে কোম্পানিটি ‘এন’ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে। ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে “BESTHLDNG”। আর কোম্পানি কোড ২৯০০৫। কোম্পানিটি ‘ভ্রমন ও অবকাশ’খাতে যুক্ত হবে।

এর আগে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেয়। তাতে গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বেস্ট হোল্ডিংস প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা গ্রহণ করে। কোম্পানিটির শেয়ারের ভিত্তিমূল্য ছিলো ৩৫ টাকা।




বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওর শেয়ার বরাদ্দ

ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিওতে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়ায় আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সম্মেলন কক্ষে শেয়ার বরাদ্দের এ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

কোম্পানি ও ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৯১ কোটি টাকার শেয়ার সংরক্ষিত ছিল। এর বিপরীতে এক হাজার ২২৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নিবাসী বাংলাদেশীরা (Resident Bangladeshi ) মোট আবেদনের ২০.৮৯ শতাংশ পাবেন। অন্যদিকে অনিবাসী বাংলাদেশীরা (Non-resident Bangladeshi) পাবেন আবেদনের ২৪.৩১ শতাংশ শেয়ার। অর্থাৎ কোনো নিবার্স বিনিয়োগকারী ১০ হাজার টাকার আবেদন করে থাকলে তিনি দুই হাজার ৮৯ টাকার শেয়ার পাবেন। অন্যদিকে অনিবাসী বাংলাদেশী তথা প্রবাসী বিনিয়োগকারী ১০ হাজার টাকার আবেদন করে থাকলে তিনি পাবেন দুই হাজার ৪৩১ টাকার শেয়ার।

গত ১৪ জানুয়ারি নিবাসী ও অনিবাসী বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়। এটি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। এতে সর্বনিম্ন আবেদনের সীমা ছিল ১০ হাজার টাকা; আর সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১৫ লাখ টাকা।

আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত সংখ্যার শেয়ারের চেয়ে বেশি শেয়ার কেনার জন্য আবেদন জমা পড়ায় Pro rata ভিত্তিক তথা আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ করা হয়।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারী তথা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৫ টাকা দরে ২ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারের দর নির্ধারিত হয় ২৪ টাকা।

ডিএসইতে অনুষ্ঠিত বেস্ট হোল্ডিংসের শেয়ার বরাদ্দ অনুষ্ঠানে ডিএসইর চিফ রেগুলেটরি অফিসার খাইরুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক রকিবুল ইসলাম চৌধুরী, বেস্ট হোল্ডিংসের কোম্পানি সচিব আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

বেস্ট হোল্ডিংস মূলত: পরিচিত পাঁচ তারকা হোটেল লো মেরিডিয়ান ঢাকা এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে। তবে এ কোম্পানির মালিকানায় আরও কয়েকটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ চলছে। এগুলো হচ্ছে-এলএম রেসিডেন্স বসুন্ধরা, ম্যারিয়ট ভালুকা, ম্যারিয়ট কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, লাক্সারি কালেকশন ভালুকা, লাক্সারি ভিলা ভালুকা এবং ধামশুর ইকোনোমিক জোন। এর বাইরে কৃষি খাতেও বিনিয়োগ রয়েছে কোম্পানিটির। কোম্পানিটি নোয়াখালী ও ভালুকায় পোল্ট্রি, ডেইরি, ফিশারিজ, লাইভস্টক খামার পরিচালনা করছে।

 

 




বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও আবেদন শুরু

পুঁজিবাজারে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) আবেদন গ্রহণ রোববার (১৪ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে। এই আবেদন গ্রহণ চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর আগে কোম্পানিটির আইপিও আবেদনের তারিখ ৮ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ইলেকট্রনিক বিডিংয়ের মাধ্যমে বেস্ট হোল্ডিংসের শেয়ারের কাট-অব প্রাইস (প্রান্তসীমা মূল্য) ৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছেন যোগ্য বিনিয়োগকারীরা (ইআই)। তবে কাট অব প্রাইসের তুলনায় ৩০ শতাংশ কমে অর্থাৎ ২৪ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী ও অনাবাসী বাংলাদেশিদের কাছে শেয়ার ইস্যু করা হবে। গত ২০ থেকে ২৩ নভেম্বর কোম্পানিটির বিডিং অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৮৫তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড পুঁজিবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ৩৫০ কোটি টাকা তুলবে। বেস্ট হোল্ডিংসের প্রজেক্টগুলোর মধ্যে আছে- লা মেরিডিয়ান, বেস্ট হোটেল লিমিটেড, ধামসোর ইকোনমিক জোন লিমিটেড প্রভৃতি। এসব টাকা দিয়ে কোম্পানিটি বিল্ডিং এবং অন্যান্য সিভিল ওয়ার্ক, মেশিনারিজ এবং ইক্যুইপমেন্ট প্রকিউরমেন্ট ফর লাক্সারি কালেকশন, বিদ্যমান দায় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

২০২৩ সালের ৩০ জুনের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির পুনঃমূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ৫৬.৩৪ টাকা। পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ৩২.২৬ টাকা। শেয়ারপ্রতি মুনাফা ১.২৪ টাকা। বিগত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি মুনাফা ০.৯৫ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে শান্তা ইক্যুয়িটি লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওতে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা আবেদনের সুযোগ

ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। বুধবার (১০ জানুয়ারি) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এই সীমা বেঁধে দিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এর আগে ১০ হাজার টাকা ও এর গুণিতক যে কোনো সংখ্যক শেয়ার কেনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বিনিয়োগকারীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে কমিশন যে কোনো সংখ্যক শেয়ারে আবেদনের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা বেধেঁ দিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।

বিএসইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারী তথা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৫ টাকা দরে ২ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারের দর নির্ধারিত হয়েছে ২৪ টাকা।

ঘোষিত সূচি অনুসারে, আগামী ১৪ জানুয়ারি বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া শুরু হবে। যা চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে সংরক্ষিত আছে ৭ কোটি ৯৭ লাখ ২৩ হাজার শেয়ার।

প্রথমে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও আবেদন জমা নেওয়া সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছিল ৮ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি। পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় তা পরিবর্তন করে ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

বিএসইসি এক নির্দেশনায় আইপিওতে আবেদনের শর্ত শিথিল করে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওতে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার গুণিতক যে কোনো সংখ্যার আবেদনের সুযোগ রাখা হয়।

এদিকে গত ২ জানুয়ারি কিছু বিনিয়োগকারী বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওতে যে কোনো সংখ্যক শেয়ার কেনার সুযোগ বাতিল করার জন্য আবেদন করেন। এ আবেদনে বলা হয়, প্রদত্ত সুযোগের কারণে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুন্ণ হবে। নির্দেশনায় যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তাতে চাইলে একজন বড় বিনিয়োগকারী একাই পুরো শেয়ার কিনে নিতে পারবেন। তাতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তেমন শেয়ার পাবেন না।

বিনিয়োগকারীদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে কমিশন কোম্পানিটির আইপিও আবেদনের সর্বোচ্চ সীমা পুনঃনির্ধারণ করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।

যোগাযোগ করলে বেস্ট হোল্ডিংসের কোম্পানি সচিব আবুল কালাম আজাদ অর্থসূচককে বলেন, বিনিয়োগকারীদের আবেদন বিবেচনায় কমিশন আবেদনের সর্বোচ্চ সীমা ১৫ লাখ টাকা বেঁধে দিয়েছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বেস্ট হোল্ডিংসের কোম্পানি সচিব আবুল কালাম আজাদ অর্থসূচককে বলেন, বিএসইসি আইপিওর আবেদনের সর্বোচ্চ সীমা পুনঃনির্ধারণ করে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা বেঁধে দিয়েছে। তাই একজন বিনিয়োগকারী সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকার জন্য আবেদন করতে পারবেন।




বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও আবেদনের তারিখ পরিবর্তন

ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনপত্র ও চাঁদার টাকা জমা নেওয়ার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হবে আগামী ১৪ জানুয়ারি; যা চলবে ১৮ জানুয়ারি পরযন্ত।

কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে কোম্পানিটি আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি পরযন্ত চাঁদা জমা নেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করেছিল।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারী (Eligible Investor) তথা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। আর এই নিলামের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের কাট-অফ মূল্য (Cut-off Price) নির্ধারিত হয়েছে ৩৫ টাকা। এখান থেকে ৩০ শতাংশ ছাড় দিয়ে ২৪ টাকা দরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বেস্ট হোল্ডিংসের প্রসপেক্টাস অনুসারে, ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য কোম্পানিটিকে ১২ কোটি ৫০ লাখ ৫৫ হাজার শেয়ার ইস্যু করতে হবে। এর মধ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কিনে নিয়েছেন ২ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার।

কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে ১৫ শতাংশ শেয়ার, যার সংখ্যা ১ কোটি ৫৭ লাখ ৫৮ হাজার। তাদেরকে অবশ্য কাট-অফ মূল্যের উপর ২০ শতাংশ প্রিমিয়াম দিতে হবে। অর্থাৎ তাদেরকে ৪২ টাকা দরে এই শেয়ার কিনতে হবে। এই শেয়ারের উপর ২ বছরের লক-ইন থাকবে, যা স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার দিন থেকে গণনা হবে।

আইপিওতে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে ৭ কোটি ৯৭ লাখ ২৩ হাজার শেয়ার।

বর্তমানে বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন ৯২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আইপিওর পর কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ১ হাজার ৫০ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এই অর্থ কোম্পানিটির বিভিন্ন চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন, ব্যাংক ঋণের একাংশ পরিশোধ ও আইপিওর ব্যয় নির্বাহে ব্যবহার করা হবে।




বেস্ট হোল্ডিংসের কাট-অব প্রাইস ৩৫ টাকা

পুঁজিবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৩৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড। এরই ধারাবাহিকতায় বিডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানির শেয়ারের প্রান্তসীমা মূল্য (কাট-অব প্রাইস) নির্ধারণ করা হয়েছে। ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) মাধ্যমে কোম্পানির শেয়ারের কাট-অব প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা।

কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বিডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে ৯৮টি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮৩টি প্রস্তাব সফল হয়েছে। এসব প্রস্তাবের বিপরীতে কোম্পানিটি শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে।

যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় কোম্পানিটি এখন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রস্তাব দিবে। বিএসইসির নির্দেশনা অনুসারে, আট-অব প্রাইস থেকে ৩০ শতাংশ কম দামে তথা ২৪ টাকা দরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব করা হবে। শিগগিরই কোম্পানি পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত প্রসপেক্টাস প্রকাশ করা হবে, যাতে শেয়ার কেনার আবেদন ও টাকা জমা নেওয়ার সময়সূচির উল্লেখ থাকবে।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৮৫তম সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড পুঁজিবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ৩৫০ কোটি টাকা তুলবে। বেস্ট হোল্ডিংসের প্রজেক্টগুলোর মধ্যে আছে—লা মেরিডিয়ান, বেস্ট হোটেল লিমিটেড, ধামসোর ইকোনমিক জোন লিমিটেড প্রভৃতি। এসব টাকা দিয়ে কোম্পানিটি বিল্ডিং এবং অন্যান্য সিভিল ওয়ার্ক, মেশিনারিজ এবং ইক্যুইপমেন্ট প্রকিউরমেন্ট ফর লাক্সারি কালেকশন, বিদ্যমান দায় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

২০২৩ সালের ৩০ জুনের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির পুনঃমূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ৫৬.৩৪ টাকা। পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ৩২.২৬ টাকা। শেয়ারপ্রতি মুনাফা ১.২৪ টাকা। বিগত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি মুনাফা ০.৯৫ টাকা।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে শান্তা ইক্যুয়িটি লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।