টেকনো ড্রাগসের আইপিওতে রেকর্ড আবেদন

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসা টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেকর্ড আবেদন জমা পড়েছে। ব্যক্তিশ্রেণির সাধারণ বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা মিলে এ পরিমাণ অর্থ জমা দিয়েছেন কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার পেতে। তবে কোম্পানিটির আইপিওতে এই দুই শ্রেণির বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আইপিওতে কোম্পানিটির শেয়ার পেতে দেশে বসবাসকারী ও প্রবাসী মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ২৩৯ জন বিনিয়োগকারী শেয়ারের জন্য আবেদন করেছেন। এসব আবেদনকারী কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে সম্মিলিতভাবে জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে দেশে বসবাসকারী ১ লাখ ১০ হাজার ৬৩৬ জন বিনিয়োগকারী জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। আর ১ হাজার ৬০৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশি জমা দিয়েছেন প্রায় ৭৬ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শর্ত অনুযায়ী, টেকনো ড্রাগসের আইপিওতে একজন বিনিয়োগকারীর সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য আবেদনের সুযোগ ছিল। বরাদ্দকৃত শেয়ারের মধ্য থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আবেদনের অনুপাত মিলিয়ে এখন শেয়ার বরাদ্দ করা হবে।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে দরপ্রস্তাবের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের বিক্রয়মূল্য বা অফার প্রাইস নির্ধারিত হয় ৩৪ টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ওই দামেই কোম্পানিটির শেয়ার কিনেছেন। আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭৬ লাখ ৯২ হাজার শেয়ার। ব্যক্তিশ্রেণির সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানিটির প্রতিটি আইপিও শেয়ারের দাম ছিল ২৪ টাকা। দেশে বসবাসকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আইপিওতে বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ ৭৬ হাজার ৯২৩টি শেয়ার।

টেকনো ড্রাগস সব মিলিয়ে শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে ২৬ কোটি টাকা, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে ৫৬ কোটি টাকা। আর কোম্পানির কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৮ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ার। তবে কোম্পানির কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৮ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫ কোটি টাকার শেয়ারের। ফলে বাকি ১৩ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ার নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বরাদ্দ করা হবে।




এনআরবি ব্যাংকের আইপিও’র আবেদন সীমার পরিবর্তন

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় থাকা এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন সীমায় পরিবর্তন এনেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটির আইপিওতে শেয়ার কিনতে বিনিয়োগকারীরা যত খুশি তত টাকার আবেদন করতে পারবেন।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সাধারণত আইপিওর শেয়ার ক্রয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। যার উপর ভিত্তি করে সমান সংখ্যক শেয়ার পেতেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তবে এবার এনআরবি ব্যাংকের আইপিওর শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ দিয়েছে বিএসইসি।

আগামী ২৮ জানুয়ারি ব্যাংকটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ জানুয়ারি। এর আগে বিএসইসির ৮৮৭তম কমিশন সভায় এনআরবি ব্যাংককে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১০ কোটি শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহীত অর্থ ব্যাংকটি সরকারি সিকিউরিটিজে ৯২ কোটি টাকা, সেকেন্ডারি মার্কেটে ৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং আইপিও ব্যয় মেটাতে ৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

প্রসঙ্গত, কোম্পানিটির আইপিও শেয়ারে আবেদনের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা এবং অনাবাসী বাংলাদেশিদের ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শেষ  হবে বৃহস্পতিবার

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামীকাল ২৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার শেষ হবে। এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হয়েছিল।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বিএসইসির নির্দেশনা মোতাবেক কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনের জন্য প্রত্যেক দেশী বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। আর অনাবাসী বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ থাকতে হবে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির এ আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

জানা গেছে, বিএসইসির পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ অনুসারে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির আইপিও প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

 




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু ২১ ডিসেম্বর

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। এ আবেদন গ্রহণ চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, বিএসইসির নির্দেশনা মোতাবেক কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনের জন্য প্রত্যেক দেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। আর অনাবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ থাকতে হবে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির এ আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিএসইসির পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ অনুসারে, সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির আইপিও প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




টেকনো ড্রাগসের ‘রোড শো’ আজ

বুক-বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেছে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড। এর জন্য আজ বিকেল ৩টায় রাজধানীর বিজয়নগরে হোটেল ৭১- এ কোম্পানিটি একটি ‘রোড শো’ আয়োজন করেছে।

টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের কোম্পানি সচিব দেবাশিস দাস গুপ্তা রাইজিংবিডিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তথ্যমতে, রোড শোতে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এবং পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড অ্যান্ড কালেক্টিভ ইনভেস্টমেন্ট স্কিম, স্টক ডিলার, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, ফান্ড ম্যানেজার, অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড, যৌথ বিনিয়োগ স্কিম, বিদেশি বিনিয়োগকারীসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উপস্থিত থাকবেন।

জানা গেছে, কোম্পানিটি নরসিংদীর কারখানার মানোন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য ২৫ কোটি টাকা, গাজীপুরে কারখানার নির্মাণ কাজের জন্য ১৫ কোটি টাকা, যন্ত্রপাতি সংগ্রহের জন্য ২৭ কোটি টাকা, ঋণ পরিশোধের জন্য ৩০ কোটি টাকা এবং আইপিও খরচ বাবদ ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে চায়। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল। আর বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ইস্যুটির নিবন্ধক।

কোম্পানিটির ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৭৩.৩৫ কোটি টাকা আয় করেছ, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫০২.৮৫ কোটি টাকা। কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ছিল ১৯.৫৫ কোটি টাকা, যা আগের বছর ছিল ৪৭.৯৮ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ০৮ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিলো ৫ টাকা ১০ পয়সা। আলোচ্য সময়ে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৫৭ পয়সায়।

ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেড ১৯৯৬ সালে প্রয়োজনীয় ভেটেরিনারি ওষুধ তৈরির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। কোম্পানিটি বাংলাদেশের বাজারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্যান্সার প্রতিরোধী অণু প্রবর্তনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছে। ২০১৫ সালে বর্ধিত চাহিদা মেটাতে, কোম্পানিটি গাজীপুরে অত্যাধুনিক কারখানা স্থাপন করে। কোম্পানিটি হরমোনের ওষুধের একটি প্রধান প্রস্তুতকারক, সরকারের কাছে সবচেয়ে বড় ইনজেকশনযোগ্য হরমোন ওষুধ সরবরাহকারী এবং বিশ্বের পঞ্চম গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্ট প্রস্তুতকারক এবং বাংলাদেশে এটি প্রথম।




পুঁজিবাজারে আসছে টেকনো ড্রাগস

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতের প্রাথমিক পাবলিক অফারিংয়ের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসছে ওষুধ কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেড। কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এ লক্ষ্যে আগামী ১৪ অক্টোবর ঢাকায় একটি রোড শো করবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পুঁজিবাজারে থেকে টাকা নিয়ে কোম্পানিটি কারখানা নির্মাণ ও সংস্কার করবে। যন্ত্রপাতি কেনা, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও বরাদ্দ বাবদ খরচ করবে। নরসিংদী জেলায় অবস্থিত কোম্পানিটি যাত্রা শুরু করে ১৯৯৬ সালে।

প্রিমিয়ামের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এই টাকার মধ্যে ১৫ কোটি টাকা দিয়ে গাজীপুরে বিকে বাড়িতে নতুন কারখানা তৈরি করবে। নরসিংদির কারখানা সংস্কারে ব্যয় করবে ২৫ কোটি টাকা। নতুন যন্ত্রপাতি কিনবে ২৭ কোটি টাকার। কোম্পানি ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যবহার করবে ৩০ কোটি টাকা। আর ৩ কোটি টাকা খরচ করবে আইপিও বাবদ।

২০১০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানটি জুলাই ২০২২ থেকে ৩০ জুন ২০৩০ সালে আয় হয়েছে ২৭৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তাতে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা। ৩০ জুন বছরে কোম্পানির পুনঃমূল্যায়নের পর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএনভি) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৭৪ পয়সা।

দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ওষুধ প্রস্তুতকারকারী প্রতিষ্ঠানটির এর আগের বছর আয় হয়েছিল ৫০২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সেই বছর কর-পরবর্তী প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ৪৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। সে বছর শেয়ার প্রতি আয়(ইপিএস) ছিল ৫ টাকা ১০ পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়াই এনএভি ছিল ২২ টাকা ৫৭ পয়সা।

পুঁজিবাজারে আসার আগে নিয়ম অনুসারে টেকনো ড্রাগস আগামী ১৪ অক্টোবর ঢাকায় রোডশোর আয়োজন করছে। যেখানে এটি প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কোম্পানটিকে তুলে ধরবে। রোড শোতে, মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার, মিউচুয়াল ফান্ড ও যৌথ বিনিয়োগ স্কিম এবং স্টক ডিলারসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা রোডশোতে অংশ নেবেন।

এরপর কোম্পানির বিডিং অনুমোদনের পর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ের মাধ্যমে শেয়ারের জন্য একটি অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ১০ শতাংশ কমে প্রাথমিক শেয়ার কিনতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানটিকে বাজারে আনতে ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে। আর বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ইস্যুটির রেজিস্টার হিসেবে কাজ করছে।