বিডি ল্যাম্পসের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটিকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের রেটিং অনুযায়ী, বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ-’। আর স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এসটি-১’।

২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের এ ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




টিউবলাইটের যন্ত্রাংশ উৎপাদন করবে বিডি ল্যাম্পস

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বিদ্যমান কারখানায় নতুন প্রডাকশন লাইন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি নরসিংদীতে নিজস্ব কারখানায় টিউবলাইটের প্লাস্টিক পার্টস উৎপাদনের জন্য উৎপাদন লাইন স্থাপন করবে। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা। বিডি ল্যাম্পস ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে প্রকল্পের ব্যয় মেটাবে।

বিডি ল্যাম্পস জিএলএস বাল্ব আউটসোর্স করবে এবং জিএলএস প্রডাকশন লাইন বন্ধ করবে। কোম্পানিটি আশা করছে, এখান থেকে রাজস্ব ছাড়া ৩৭ লাখ টাকা মুনাফা হবে।

গত বছরে বিডি ল্যাম্পসের বিক্রি ৫০ শতাংশ কম হয়েছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় জিএলএস বাল্প উৎপাদন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি।




বড় লোকসানে বিডি ল্যাম্পস

মুনাফা থেকে বড় লোকসানের মুখে পড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ ল্যাম্পস লিমিটেড (বিডি ল্যাম্পস)। কোম্পানির ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২১ পয়সা। অথচ ২০২২ সালের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা মুনাফা (ইপিএস) হয়েছিল ১ টাকা ৫৩ পয়সা।

সে হিসেবে ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ৩ টাকা ৭৪ পয়সা।

শুধু মাত্র তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসানের কারণে চলতি অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে গত তিন প্রান্তিক তথা ৯ মাসে (জুলাই ২০২২ থেকে মার্চ ২০২৩ সময়ে) কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ০৭ পয়সা। যা ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় বা মুনাফা ছিল ৫ টাকা ৬৬ পয়সা।

এর ফলে ২০২১ এবং ২০২২ সালের পর আবারও লোকসানের মুখে পড়েছে কোম্পানিটি। গত দুই যথাক্রমে কোম্পানির ইপিএস ছিল ৫ টাকা ১০ পয়সা এবং ৮ টাকা ৭৮ পয়সা। সে বছর শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ অর্থাৎ ২ টাকা করে লভ্যাংশ দিয়েছিল।

তবে তার আগের বছর ২০২০ সালে লোকসান ছিল ৯ টাকা ৮৮ পয়সা।

চলতি অর্থবছরের ৩১ মার্চ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮১ টাকা ২৫ পয়সা।

১৯৮১ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ২৬ হাজার ৫১টি। কোম্পানির শেয়ার বুধবার দিনের শুরুতে লেনদেন হয় ২৬৯ টাকা ৩০ পয়সাতে।