অবন্টিত লভ্যাংশ পুরোপুরি হস্তান্তর করেনি বিডি থাই

ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে অবন্টিত লভ্যাংশ পুরোপুরি হস্তান্তর করেনি পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড (বিডি থাই)। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা থাকলেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তা পরিপালন করেনি। একইসঙ্গে কোম্পানিটি শ্রম আইন পরিপালন করছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কোম্পানির ২০২২-২৩ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষায় এসব তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষক।

বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার অবন্টিত লভ্যাংশ রয়েছে বলে জানিয়েছে নিরীক্ষক। যার একটি অংশে পৃথক ব্যাংক হিসাবে রাখা হয়েছে। যা বিগত তিন বছরের বেশি সময় ধরে অপ্রদানকৃত অবস্থায় রয়েছে। এরপর কোম্পানিটি বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে অবন্টিত লভ্যাংশ হস্তান্তর করেনি। তবে এই কোম্পানি কর্তৃপক্ষ অবন্টিত লভ্যাংশের কিছু অংশ সিএমএসএফে হস্তান্তর করেছে বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।

এদিকে, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম কর্তৃপক্ষ শ্রম আইনের ধারা ২৩৫, ২৪২ ও ২৪৮ পরিপালন করছে না বলে জানিয়েছে নিরীক্ষক। কোম্পানিতে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড (ডব্লিউপিপিএফ) রয়েছে। যা শ্রমিকদেরকে হস্তান্তর করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড। কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১২৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণির উদ্যোক্তা বা পরিচালক ব্যতিত বিনিয়োগকারীদের মালিকানা রয়েছে ৬৯.৬৮ শতাংশ।




দর বাড়ার কারণ নেই বিডি থাইয়ের

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের (বিডি থাই) অস্বাভাবিক শেয়ারের দাম বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য বা কারণ নেই। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এমন তথ্য জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সম্প্রতি কোম্পানিটির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই চিঠি পাঠায়। ওই চিঠির জবাবে কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ ডিএসইকে জানিয়েছে, কোনো প্রকার অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারের দাম বাড়ছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত ৩০ নভেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ছিল ১৫.৫০ টাকায়। আর ১১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২১.৪০ টাকায়। অর্থাৎ এই কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৫.৯০ টাকা বা ৩৮.০৬ বেড়েছে। এইভাবে শেয়ারের দাম বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।