বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের মুনাফা কমেছে

পুঁজিবাজারে বিবিধ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) কমেছে।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে রোববার (১০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

তথ্য মতে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৩.৩০ টাকা। গত হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ছিল ৩.৯৮ টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) কমেছে ০.৬৮ টাকা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৭.২৪ টাকা। গত হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৬.৬১ টাকা।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছি ৮৯.৯৭ টাকা।




সূচকের পতনে ডিএসইতে লেনদেন ৫০০ কোটির নিচে

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) কমেছে সব সূচকের মান। কমেছে ডিএসইতে লেনদেন।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত দিনের চেয়ে ১৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ৮ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৫২ দশমিক ৫২ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭২ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে এদিন কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। লেনদেন হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় শেয়ার। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৩৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ১৫৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স। এ ছাড়া ফু-ওয়াং ফুডস, সি পার্ল, জে এম আই হসপিটাল রিকুইসিট ম্যানুফ্যাকচারিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, রহিমা ফুড কর্পোরেশন, কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স, খান ব্রাদার্স, দেশবন্ধু পলিমার ও প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৩৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টি কোম্পানির, কমেছে ৯৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।




অর্ধবার্ষিকে মুনাফা বেড়েছে বিএসসির

পুঁজিবাজারে বিবিধ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) চলতি হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিক (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২২) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকে মুনাফা ১.৫৭ শতাংশ বেড়েছে।

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের ৬ মাস বা অর্ধবার্ষিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৮.৪১ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৮.২৮ টাকা। এ হিসাবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১৩ টাকা বা ১.৫৭ শতাংশ।

এদিকে, কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৪.৪৩ টাকা হয়েছে। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৩.৯৪ টাকা। এ হিসাবে ইপিএস বেড়েছে ০.৪৯ টাকা বা ১২.৪৩ শতাংশ।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৯.৯৭ টাকা।




সপ্তাহজুড়ে ৩ কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

বিদায়ী সপ্তাহে আর্থিক প্রতিবেদকন প্রকাশ করেছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩ কোম্পানি। কোম্পানিগুলো হলো- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, আরামিট সিমেন্ট এবং আরিামিট লিমিটেড। এই তিন কোম্পানি দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২২) সমাপ্ত অর্থবছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন: কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৪৩ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৯৪ পয়সা। আয় বেড়েছে ১২.৪৩ শতাংশের বেশি।

অর্থবছরেরর দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২২) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৪১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮ টাকা ২৮ পয়সা। আয় বেড়েছে ১.৫৭ শতাংশের বেশি।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭২ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১১ টাকা ৫৭ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭৯ টাকা ৯৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭২ টাকা ৫২ পয়সা।

আরামিট সিমেন্ট: কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ০৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২২) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৬৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৪ টাকা ১১ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৯৩ পয়সা।

আরামিট লিমিটেড: কোম্পানিটির শেয়ার আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯৮ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২২) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১২ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫৩ টাকা ৬০ পয়সা।