বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ

বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে কখনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ) । সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী।

শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বলেন, আজকে যদি আমরা বঙ্গবন্ধুকে লালন না করি। তাকে যদি চর্চা না করি। তাকে যদি আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে না রাখি। তাহলে জাতির পিতার বিষয়টি আমাদের ভেতরে গ্রোথিত হবে না। আমরা আমাদের জাতিকে বুঝতে পারব না। আমাদেরকে বুঝতে পারব না। দেশকে বুঝতে পারব না। দেশের উন্নয়ন কখনো তাকে বাদ দিয়ে সম্ভব নয়। সে জন্য বঙ্গবন্ধুকে লালন করা আমাদের জন্য খুবই জরুরি, খুবই প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে নিঃশেষ করা যায়নি। বঙ্গবন্ধু এখন আমাদের মাঝে আছেন। তিনি চির ভাস্মর। তিনি দেদীপ্যমান। তিনি আমাদের ভেতরে, আমাদের অন্তরে, আমাদের সর্বোত্র বিরাজমান। তাই আমি বলতে চাই, সূর্য কখনো ডুবে না; কেবল ডুবে যাই আমরা। হারিয়ে যাই সূর্যের আড়ালে।

শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বলেন, বঙ্গবন্ধু সূর্যের মতো দেদীপ্যমান, উজ্জ্বল আমাদের সবার হৃদয়ে। তিনি চির জাগরুক। তিনি বাঙালী জাতির পিতা। তিনি সর্বক্ষণ আমাদের সাথে থাকবেন, আছেন। তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়ে যাবেন। আমরা তাকে অনুসরণ করব সহযোদ্ধা হিসেবে। দেশটাকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব উন্নতির দিকে।

তিনি বলেন, আমরা ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা এসডিজি’র সকল লক্ষ্য বাস্তবায়ন করব। আমরা ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হব। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু আজীবন লালন করেছেন একটি উন্নত দেশ সৃষ্টি করার জন্য। তিনি হৃদয়ে ধারণ করতেন শুধু বাংলাদেশকে এবং একটি সুখী সমৃদ্ধ সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার তিনি স্বপ্ন দেখতেন।

শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলেছি। শুধু আজকের দিনে আমাদের হৃদয়ে রাখতে হবে এই জিনিস যে, বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে রাখব, তার সোনার বাংলাদেশকে আমরা হৃদয়ে লালন করব এবং সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলব।




 বিআইএ’র প্রেসিডেন্ট হলেন শেখ কবির হোসেন

বীমা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট পদে শেখ কবির হোসেন পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৩-২৪ সালের জন্য তিনি সংগঠনটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন। এ নিয়ে টানা সাতবার তিনি বিআইএ’র প্রেসিডেন্ট হলেন।

সোমবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শেখ কবির হোসেনকে বিআইএ’র প্রেসেডেন্ট নির্বাচিত করা হয় বলে সংগঠনটি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিআইএ’র নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি। বোর্ডের অন্য দুই সদস্য হলেন- নিজাম উদ্দিন আহমেদ ও মোস্তফা গোলাম কুদ্দুছ। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন মেজর জেনারেল আবদুল হাফিজ মল্লিক, পিএসসি (অব.)। নির্বাচন বোর্ডের সচিবের দায়িত্বে ছিলেন বিআইএ’র সেক্রেটারি জেনারেল নিশীথ কুমার সরকার।

শেখ কবির হোসেন বর্তমানে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স ও ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেম্বার অব গভর্নরস।

এছাড়া শেখ কবির হোসেন লায়ন্স ক্লাবের সঙ্গে জড়িত। তিনি লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনালের সাবেক আন্তর্জাতিক পরিচালক হিসেবে দেশে-বিদেশে লায়ন আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি একাধিক স্কুল-কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষী। তিনি আগারগাঁয়ে অবস্থিত লায়ন চক্ষু হাসপাতালেরও অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।

দেশের একমাত্র ইসলামী চক্ষু হাসপাতালের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান, সিডিবিএল’র চেয়ারম্যান, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান।




জাতীয় বীমা দিবসে বিশেষ সম্মাননা পেল গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স

জাতীয় বীমা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বিশেষ সম্মাননা পেল গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারটি গ্রহণ করেন গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, ফারজানা চৌধুরী।

এসময় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় বীমা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশের ইন্স্যুরেন্স খাতের অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ও জাতির সার্বিক অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য বীমার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে ২০২০ সাল থেকে ১ মার্চকে বাংলাদেশের জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন এনং সেই থেকে প্রতি বছর এদিনে পালিত হচ্ছে জাতীয় বীমা দিবস। ২০২০ সাল থেকে এই দিনে, বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্ব এবং বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি বছর এই জাতীয় প্ল্যাটফর্মে বীমা খাতে তাদের অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এবছর গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স ছাড়াও আরো তিনটি বীমা প্রতিষ্ঠান এই বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছে।