বন্ডের মাধ্যেমে ৮০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি আরও একটি সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করবে। প্রস্তাবিত বন্ডটি ইস্যুর মাধ্যমে মার্কেন্টাইল বাজার থেকে ৮০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। টিয়ার টু মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করতে এই অর্থ ব্যবহার করবে ব্যাংকটি।

বন্ডটির নাম- মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৩য় সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। এর আগে মার্কেন্টাইল ব্যাংক আরও দুটি সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করেছে।

সোমবার (২৩ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২২ জুন অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তথ্য অনুসারে, আলোচিত বন্ডটি হবে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৩য় সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। মেয়াদ শেষে এর পূর্ণ অবসায়ন ঘটবে। বন্ডটি শেয়ারে রূপান্তর-অযোগ্য। অর্থাৎ এর কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তর হবে না। এই বন্ডের বিপরীতে কোনো জামানত থাকবে না। এর সুদের হার হবে ভাসমান। বন্ডটি হবে কুপনযুক্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ইস্যু করার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।




ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিংয়ের বন্ডে আবেদন গ্রহণ শুরু

পুঁজিবাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন পিএলসির বন্ডের আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। বন্ডটিতে আবেদন গ্রহণ বুধবার (১০ জানুয়ারি) শুরু হয়েছে। এ আবেদন গ্রহণ চলবে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, এই বন্ড ছেড়ে কোম্পানিটি ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। গত ১ অক্টোবর বন্ড ইস্যুর বিষয়ে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছ থেকে সম্মতিপত্র পেয়েছে।

আলোচিত বন্ডের নাম ‘ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং কনভার্টিবল বন্ড’। এর মেয়াদ হবে ৭ বছর। এর সুদের হার ৭ শতাংশ। এটি হবে আনসিকিউরড এবং কানভার্টিবল। এই বন্ডের পুরোটাই চাইলে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের শেয়ারে রূপান্ত করা যাবে।

আলোচিত বন্ডের ২০ কোটি টাকার ইউনিট বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বরাদ্দ করা হবে। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বরাদ্দ করা হবে ১৫ কোটি টাকার বন্ড। বন্ডের অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে।

বন্ড ইস্যুর মঅধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ তিনটি নতুন সিএনজি স্টেশন স্থাপন, ৫টি এলপিজি স্টেশন স্থাপন এবং ৫টি মাদার-ডটার সিএনজি স্টেশন স্থাপনে ব্যয় করা হবে।




ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিংয়ের বন্ডে আবেদন শুরু ১০ জানুয়ারি

পুঁজিবাজারে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন পিএলসির বন্ডের আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। বন্ডটিতে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি। আবেদন গ্রহণ চলবে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এই বন্ড ছেড়ে কোম্পানিটি ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। গত ১ অক্টোবর বন্ড ইস্যুর বিষয়ে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছ থেকে সম্মতিপত্র পেয়েছে।

আলোচিত বন্ডের নাম ‘ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং কনভার্টিবল বন্ড’। এর মেয়াদ হবে ৭ বছর। এর সুদের হার ৭ শতাংশ। এটি হবে আনসিকিউরড এবং কানভার্টিবল। এই বন্ডের পুরোটাই চাইলে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে।

আলোচিত বন্ডের ২০ কোটি টাকার ইউনিট বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বরাদ্দ করা হবে। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বরাদ্দ করা হবে ১৫ কোটি টাকার বন্ড। বন্ডের অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে।

বন্ড ইস্যুর মঅধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ তিনটি নতুন সিএনজি স্টেশন স্থাপন, ৫টি এলপিজি স্টেশন স্থাপন এবং ৫টি মাদার-ডটার সিএনজি স্টেশন স্থাপনে ব্যয় করা হবে।




সাউথইস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসিকে ‘সাউথইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট পারপেচ্যুয়াল বন্ড’ ইস্যু করার অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই বন্ড ছেড়ে ব্যাংকটি পুঁজিবাজার থেকে ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৮৯১তম কমিশন সভায় ব্যাংকটির বন্ড ইস্যু করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্ডটির ৪৫০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ কোটি টাকা পাবলিক অফারের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। আলোচিত বন্ডের কুপন রেট হবে ৬ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে।

বন্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ৫ হাজার টাকা। বন্ডটির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দ্বারা ব্যাংকটি তার টায়ার-১ মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করবে।

উল্লিখিত বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। আর এর অ্যারেঞ্জারের দ্বায়িত্বে থাকবে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডে, সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড এবং সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড।

উক্ত বন্ডটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড এবং ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং আন্ডার রাইটার হিসেবে কাজ করছে রূপালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। বন্ডটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে।




আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন বন্ডের ট্রাস্টি সভা ১৩ ডিসেম্বর

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন বন্ডের ট্রাস্টি সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ডের ট্রাস্টি সভা আগামী ১৩ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সভায় বন্ডটির অর্ধবার্ষিকীর মুনাফা এবং রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে।

এর আগে বন্ডটি ইউনিটহোল্ডারদের ৫.২৫ শতাংশ মুনাফা ঘোষণা করেছিল।




বন্ড ছেড়ে ৭০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে পূবালী ব্যাংক

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পূবালী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ চতুর্থ সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বন্ড ছেড়ে ব্যাংকটি পুঁজিবাজার থেকে ৭০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের ১৪০৭তম বৈঠকে বন্ড ইস্যু সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, বন্ডটির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দ্বারা ব্যাংকটি তার টায়ার-ll মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করবে। এর উদ্দেশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অনুসারে ব্যাংকটির ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করা। তবে প্রস্তাবিত বন্ডের মেয়াদ ও সুদের হার কত হবে সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ইস্যু সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।




পাঁচশ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে এবি ব্যাংক

বন্ড ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে ব্যাংক খাতের কোম্পানি এবি ব্যাংক লিমিটেড। সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে এই অর্থ উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বন্ডটির নাম হচ্ছে ‘এবি ব্যাংক সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড-ভি’। ব্যাংকটি টিয়ার-২ শর্তপূরণে বন্ড ইস্যু করবে। পর্ষদ অনুমোদনের পর এবার চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করবে ব্যাংকটি। সংস্থা দুটির সম্মতির পরপর বন্ড ইস্যু করে অর্থ উত্তোলন করবে।

১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৮৭৮ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। ৮৭ কোটি ৮১ লাখ ৩২ হাজার ১০৭টি শেয়ারের ব্যাংকটি সর্বশেষ ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল। তার আগের বছর ৫ শতাংশ (৩ শতাংশ বোনাস ও ২ শতাংশ নগদ) লভ্যাংশ দিয়েছিল।




প্রাণ এগ্রোর ২৬২ কোটি টাকার বন্ড কিনেছে মেটলাইফ

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান প্রাণ এগ্রো ২৬২ কোটি টাকার অনশোর বন্ডের লেনদেন সফলভাবে শেষ করেছে। আট বছর মেয়াদি এ বন্ডের মাধ্যমে পাওয়া অর্থ কোম্পানির অবকাঠামো সম্প্রসারণে ব্যবহার করা হবে। এ বন্ডে পুরো বিনিয়োগ করেছে মেটলাইফ বাংলাদেশ। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু’তে বন্ড ক্লোজিং উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, যুক্তরাজ্য সরকারের ডেপুটি ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর ড. ডানকান ওভারভিল্ড, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, মেটলাইফের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এলিনা বোটারোভা, গ্যারান্টকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব এশিয়া নিশান্ত কুমার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে প্রাণের উৎপাদিত কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ অর্থায়নের মাধ্যমে চাহিদাকৃত পণ্যের জোগান দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের আর্থিক খাতে মেটলাইফের মোট বিনিয়োগ ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। আমরা এমন বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজি, যা গ্রাহকদের সেবা দিতে আমাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা জোরদার করে এবং একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে।’

গ্যারান্টকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লেইথ আল ফালাকি বলেন, ‘প্রাণ এগ্রোর সঙ্গে দ্বিতীয় লেনদেন সম্পন্ন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ২০২১ সালে প্রাণ এগ্রো প্রথম অনশোর বন্ড ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহ করে, যার শতভাগ জামানতকারী ছিল গ্যারান্টকো এবং বিনিয়োগকারী ছিল মেটলাইফ।’

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার ফখরুল আহসান এবং মেটলাইফ বাংলাদেশের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আলা উদ্দিনসহ বন্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।




 ১৫০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে নাভানা ফার্মা

পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ আংশিক রূপান্তরযোগ্য বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বন্ড ছেড়ে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

সোমবার (১২ জুন) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, এ বন্ডের মেয়াদকাল হবে ৫ বছর। এটি হবে আংশিক রূপান্তরোযগ্য বন্ড। অর্থাৎ এই বন্ডের অংশ বিশেষ শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে। এটি একইসঙ্গে ফুললি রিডিমেবল। মেয়াদ শেষে এই বন্ডের সম্পূর্ণ অবসায়ন হবে। আলোচিত বন্ডটি হবে কুপনযুক্ত। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময় পর পর বন্ডধারীকে প্রাপ্য সুদ পরিশোধ করা হবে। আর এর সুদের হার হবে ভাসমান। প্রতি ৬ মাস পর পর বন্ডধারীকে প্রাপ্য সুদ প্রদান করা হবে। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এই বন্ড বরাদ্দ করা হবে।

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস বন্ডটির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ আংশিক ব্যাংক ঋণ রিশোধে ব্যয় করবে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ইস্যু সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তবে তারও আগে প্রয়োজন হবে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি। তাই বন্ড ইস্যুর বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের মতামত নিতে আগামী ৩১ জুলাই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। ওই দিন দুপুর ১২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঘোষিত ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এই ইজিএমে যোগদানের যোগ্যতা নির্ধারণে আগামী ৫ জুলাই রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।




বন্ড ছেড়ে ৬০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করবে এক্সিম ব্যাংক

বন্ড ছেড়ে আরও ৬০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড। অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকার এই কোম্পানিটির মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করে এই টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির তথ্য মতে, ২০০৪ সালে তালিকাভুক্ত এক্সিম ব্যাংকের ১৭২তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৬০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করা হবে। এটি হবে ব্যাংকটির পঞ্চম বন্ড। এর আগে আরও চারবার বন্ড ছেড়ে মূলধন সংগ্রহ করা হয়েছে।

সভায় বলা হয়, এ বন্ডের অর্থ দিয়ে ব্যাংকটি তাদের টায়ার-টু মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করবে। মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড এই বন্ডটির মেয়াদ হবে ৭ বছর। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে অনুমোদন চাইবে ব্যাংকটি।

ব্যাংকটি ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে ব্যাংকিটির ১৪৪কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪টি শেয়ার বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা ১৪৪কোটি ৭৫ লাখ লভ্যাংশ পাবেন। এর আগের বছরও একই সমান লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। বৃহস্পতিবার সর্বশেষ ব্যাংকটির শেয়ারের মূল্য ছিল১০ টাকা ৪০ পয়সা।