১ ফেব্রুয়ারি পর্যটন মেলা শুরু

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে তিনদিনের দ্বাদশ বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিজম ফেয়ার (বিটটিএফ)। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এ মেলা।

আন্তর্জাতিক এই মেলার আয়োজন করছে দেশের পর্যটন শিল্পের বাণিজ্য সংগঠন ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।

আজ রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পর্যটন মেলার সার্বিক তথ্য তুলে ধরা হয় টোয়াবের পক্ষ থেকে।

এবারের আসরের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন টোয়াবের সভাপতি শিবলুল আজম কোরেশী এবং বিমানের বিপণন ও বিক্রয় পরিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।

আয়োজকরা জানান, এবারের পর্যটন মেলায় দেশি-বিদেশি প্রায় ১০০টি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান ১৫৩টি বুথ এবং প্যাভিলিয়নে তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে। মেলা চলাকালে অংশগ্রহণকারী সব সংস্থার দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় ট্যুর প্যাকেজ ও বিশেষ ছাড়ে বিমানের টিকিট কেনার সুযোগ থাকবে। মেলায় ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও ভিয়েতনামের ট্যুরিজম প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি শিবলুল আজম কোরেশী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন— এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী, টোয়াবের পরিচালক (বানিজ্য ও মেলা) মো. আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক জামিল আহমেদ, ঢাকা রিজিওন ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. নাইমুল হক, মেলার কো-স্পন্সর সাইমন হলিডেজের সিইও আফসিয়া জান্নাত সালেহ, টোয়াবের সদ্য সাবেক সভাপতি মো. রাফেউজ্জামান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহকারী পরিচালক মো. বোরহান উদ্দিন, টোয়াবের প্রথম সহ-সভাপতি মো. এ. রউফ, টোয়াবের সহ-সভাপতি মো. সাহেদ উল্লাহ, টোয়াবের পরিচালক (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) মো. মনসুর আলম পারভেজ, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও গবেষনা) আবুল ফয়সাল মো. সায়েম, পরিচালক (আইন বিষয়ক) মো. নূরুজ্জামান সুমন, পরিচালক মো. সজীবুল-আল-রাজীব, পরিচালক এস এম বিল্লাল হোসেন সুমন, পরিচালক মো. ইব্রাহীম খলিল নোমান, পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।




হজ-ওমরাহ পালন সহজ করতে ঢাকায় হচ্ছে নুসুক প্ল্যাটফর্ম

সৌদি আরব ভ্রমণ আরও সহজ করতে বাংলাদেশিদের জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নুসুক চালু করেছে সৌদি সরকার। এর মাধ্যমে সৌদি আরব ভ্রমণে বাংলাদেশিরা ৯৬ ঘণ্টার (চার দিন) স্টপওভার ভিসা নিয়ে ওমরাহ করতে পারবেন। মক্কা-মদিনা ছাড়াও যেকোনো শহরেও তারা ঘুরতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ উপলক্ষে নুসুকের আয়োজনে রোড শো আয়োজন করে সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রোড শো-তে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশি ও সৌদি ব্যবসায়ীদের পর্যটন সংশ্লিষ্ট ১০০টি প্রতিষ্ঠান।

এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে দেশটির হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রী ড. তৌফিক আল রাবিয়াহ জানান, সৌদি আরব ভ্রমণে বাংলাদেশিরা ৯৬ ঘণ্টার (চার দিন) স্টপওভার ভিসা নিয়ে ওমরাহ করতে পারবেন। মক্কা-মদিনা ছাড়াও যে কোনো শহরেও তারা ঘুরতে পারবেন। এ ছাড়া অভিভাবক ছাড়াও কোনো বাংলাদেশি নারী যেতে পারবেন সৌদি আরবে।

তিনি আরও বলেন, ওমরাহ ভিসার ৯০ দিন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশিরা প্রয়োজনে ৯৬ ঘণ্টা বা চার দিনের স্টপওভার ভিসা নিয়েও ওমরাহ পালন করতে পারবেন। ২৪ ঘণ্টাই ই-ভিসা সেবা মিলবে নুসুক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। এতে ভ্রমণকারীরা তাদের ওমরাহ, হজ ছাড়াও পরিদর্শন স্থান ভ্রমণে নিজেদের মতো সাজিয়ে নিতে স্বচ্ছন্দবোধ করবেন।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৩ লাখ ৩২ হাজার পর্যটককে স্বাগত জানিয়েছে সৌদি আরব, যা এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি।

এর আগে এশিয়া প্যাসিফিক মার্কেটের নুসুক প্রেসিডেন্ট আলহাসান আলদাববাগ বলেছেন, ‘এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঢাকা আমাদের শীর্ষ পাঁচটি বাজারের একটি। সুতরাং সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ লক্ষ্য অর্জনে এই বাজারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘সৌদি আরব এ বছর সাত লাখ বাংলাদেশিকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে। আর ২০৩০ সালে এই সংখ্যা ২৬ লাখে পৌঁছাবে।’

চলতি বছরের শুরুতে সৌদি পর্যটন কর্তৃপক্ষ মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে নুসুক প্ল্যাটফর্ম চালু করেছিল। এই প্ল্যাটফর্মটি মুসল্লিদের মক্কা ও মদিনা এবং এর বাইরে পবিত্র শহরগুলোতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে এবং এ সংক্রান্ত নানা সেবা গ্রহণের সুযোগ দিয়ে থাকে।

বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। দেশটিতে ১৫০ মিলিয়ন মানুষই মুসলিম ধর্মাবলম্বী। প্রতিবছর লাখ লাখ বাংলাদেশি হজ ও ওমরাহ করার জন্য সৌদি আরবে যান।




এফবিসিসিআই নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) ২০২৩-২০২৫ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে।

সোমবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে আগামী ২ আগস্ট এফবিসিসিআই সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি ও ছয়জন সহসভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এফবিসিসিআই পরিচালনা পর্ষদের মোট ৮০ জন পরিচালকের মধ্যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে ১৭ জন করে মোট ৩৪ জন পরিচালক হিসেবে ইতোমধ্যে মনোনীত হয়েছেন। এর বাইরে চেম্বার গ্রুপ ২৩ জন ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন থেকে ২৩টি পদে সম্মিলিত নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও চেম্বার গ্রুপের ২৩টি পদের বিপরীতে ২৩টি মনোনয়ন পত্র জমা পড়ায় চেম্বার গ্রুপের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের ২৩ পদের বিপরীতে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৯ জন। এর মধ্যে পরিচালক প্রার্থী হিসেবে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ প্যানেল থেকে ২৩ জন, সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ প্যানেল থেকে ২৩ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন।

এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন জানান, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সঠিক নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে চায় এফবিসিসিআইয়ের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ। তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু ও অংগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র নির্বাচন বোর্ড গঠন করেছে এফবিসিসিআই। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য থাকবে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া। আমি সব ভোটারদের শৃঙ্খলা বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

এর আগে ভোট প্রদানবিষয়ক নির্দেশনায় এফবিসিসিআই নির্বাচন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোট দেওয়ার জন্য একজন ভোটারকে একটি মাত্র ব্যালট পেপার সরবরাহ করবে পোলিং অফিসাররা। কোনো ভোটারকে ডুপ্লিকেট বা অতিরিক্ত ব্যালট দেওয়া হবে না। ব্যালট পেপার সরবরাহের সময় ভোটারের কাছ থেকে তার ভোটার আইডি কার্ড রেখে দেওয়া হবে, যা আর ফেরত দেওয়া হবে না। একজন ভোটার ব্যালট পেপারে উল্লিখিত প্রার্থীদের মধ্যে ২৩ জনকে ভোট দিতে পারবেন। ২৩ জনের কম বা বেশি প্রার্থীকে ভোট দিলে ব্যালটটি বাতিল বলে গণ্য হবে।

নির্বাচন বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটার ছাড়া অন্য কারো নির্বাচন কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার থাকবে না। নির্ধারিত ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া কোনো প্রার্থী বা ভোটার কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

ভোটের দিন আজ নির্বাচন কেন্দ্রের ১০০ গজের মধ্যে কোনো প্রচার-প্রচারণা, মিছিল বা শোডাউন করতে পারবেন না প্রার্থীরা। নির্বাচন কেন্দ্র বা তার আশপাশে কোনো প্রার্থী ভোটারদের উপহার সামগ্রী প্রদান করতে পারবেন না, এমনকি প্রার্থী বা ভোটার নির্বাচন কেন্দ্রে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা বিপজ্জনক বস্তু বহন করতে পারবেন না।

ভোট শুরুর ১৫ মিনিট আগে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স উন্মুক্ত করে প্রদর্শন করা হবে এবং সিলগালা করে ব্যালট বাক্স বন্ধ করা হবে।

এফবিসিসিআইয়ের ২০২৩-২০২৫ মেয়াদের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সাবেক সভাপতি এ. মতিন চৌধুরী। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন-এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক মো. শামছুল আলম ও অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক কে এম এন মঞ্জুরুল হক।




তিন খাতে বিনিয়োগ করবে চীন : টিপু মুনশি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, অ্যাগ্রো প্রসেসিং এবং ই-কমার্স খাতে চীন বিনিয়োগ করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। শনিবার (১১ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট ২০২৩’ শীর্ষ সম্মেলনে চীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এ বিজনেস সামিটের আয়োজন করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের বড় রপ্তানিকারক দেশের একটি। তারা বলছে, তোমাদের দেশে আরও বিনিয়োগ করতে চাই। আমরা বলছি, তোমাদের জন্য সব কিছু ওপেন, তোমরা আসো, দেখো, আমাদের এখানে অনেকগুলো আইটেম আছে, যেখানে বিনিয়োগ করলে তোমাদের জন্য ভালো হবে।

তিনি বলেন, গত ৪০ বছর ধরে তোমাদের কাছ থেকে আমদানি করছি, এখন আমাদের দেশে বিনিয়োগ করতে পারো। তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, অ্যাগ্রো প্রসেসিং এবং ই-কমার্স খাতে বিনিয়োগ করবে, সেজন্য ব্যবসায়ীদের নিয়ে এসেছে, তারা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলবে। তারপর বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

এর আগে শনিবার সকালে বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ৩০০ কোটি মানুষের আঞ্চলিক বাজারের কেন্দ্রস্থল হতে পারে। পূর্ব-প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধন হিসেবে যোগাযোগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। আমরা যে পারি, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে সেটা প্রমাণ করেছি। এই সেতু শুধু বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলেই নয়, এ সেতু আমাদের আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাড়াবে। ন্যূনতম ১.২ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, গত ডিসেম্বরে আমরা মেট্রোরেল যুগে প্রবেশ করেছি। এসব সাফল্যের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ এখন ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত হতে চায়। এটা আমাদের লক্ষ্য। আমরা আমাদের রূপকল্প ২০৪১ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন শুরু করেছি। বেসরকারি, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা সম্পন্ন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে একটি কৌশলগত পথরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতি বছর যদি গড়ে ৫ শতাংশের বেশি হারে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখা যায়, তাহলে ২০৪০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে সক্ষম হবে বলে আশা করি।

সরকার প্রধান বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। করোনায় পুরো বিশ্ব থমকে গেলেও আমাদের অর্থনীতি থামেনি। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে উন্নয়নের রোল মডেল।

তিনি বলেন, আমাদের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৯ম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। যুক্তরাজ্য বা জার্মানির মতো প্রতিষ্ঠিত বাজারগুলোকে এবং বর্তমানে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করি। আমি জানি, এটা একটু বেশি উচ্চ আকাঙ্ক্ষা, তারপরও উচ্চ আকাঙ্ক্ষা করতে তো কোনো আপত্তি নেই। ২০২৫ সাল বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান ধনীর সংখ্যা হবে ৩ কোটি ৪০ লাখ। ২০৪০ সালের মধ্যে আনুমানিক মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়াবে ৫ হাজার ৮৮০ মার্কিন ডলার।

বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিনিয়োগ ও ব্যবসার পরিবেশের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। সেটি আরও সংস্কার ও ব্যবসাবান্ধব করা হবে। লাল ফিতার দৌরাত্ম্য সরিয়ে দেওয়া হবে। (যে বিষয়ে) সিদ্ধান্ত হবে, সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবায়ন হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, করোনায় পুরো বিশ্ব থমকে গেলেও আমাদের অর্থনীতি থামেনি। ২০০৬ এর ৬০ বিলিয়ন ডলারের জিডিপি এখন ৪৬৫ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে।