ফু-ওয়াং ফুডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফু-ওয়াং ফুডস পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি বিকাল ০৩ টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৪-ডিসেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান, ডিএসইতে লেনদেন ছাড়াল ৬০০ কোটি

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেড়েছে সব কটি সূচকের মান। তবে সিএসইতে লেনদেন কমলেও; বেড়েছে ডিএসইতে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন ছাড়িয়েছে ৬০০ কোটি টাকা।

রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

ডিএসইতে রোববার বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন ছাড়িয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। এদিন লেনদেন হয়েছে ৬১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার, আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৬ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার।

ডিএসইতে এদিন বেড়েছে সব কটি সূচকের মানও। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১২ দশমিক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩১১ দশমিক ৬০ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ৫ দশমিক ১৭ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৪৬ দশমিক ৭৮ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস সূচক ১ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭৩ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

এছাড়া রোববার ডিএসইতে ৩৩২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ১২২টি কোম্পানির, কমেছে ৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুডস। এছাড়া ইস্টার্ন হাউজিং, ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স, খান ব্রাদার্স, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, জেমিনী সী ফুড, রূপালি লাইফ ইন্সুরেন্স, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও ডেফোডিল কম্পিউটারস ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)

অন্যদিকে দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতেও এদিন বেড়েছে সব সূচকের মান। রোববার সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩০ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৬৩ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসসিএক্স সূচক ১৯ দশমিক ২০ পয়েন্ট ও সিএসই-৫০ সূচক ১ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১ হাজার ১৫৮ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে ও ১ হাজার ৩০৯ দশমিক ৭৪ পয়েন্টে।

আর সিএসই-৩০ সূচক ২৪ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪১৪ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসআই সূচক অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭৫ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৬ পয়েন্ট।

তবে সিএসইতে রোববার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার। আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৬ কোটি ৬ লাখ টাকা।

সিএসইতে ১৭০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৭৩টির, কমেছে ২১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৬টির কোম্পানির শেয়ারদর।




সূচকের পতন, আবারও ৪০০ কোটির নিচে ডিএসইর লেনদেন

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে সব কটি সূচকের মান। পাশাপাশি লেনদেন কমেছে উভয় শেয়ারবাজারেই। আর ডিএসইতে লেনদেন নেমেছে ৪০০ কোটির নিচে।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

ডিএসইতে মঙ্গলবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ৩৯১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার। এর আগে চলতি মাসের ২০ আগস্ট সবশেষ ৪০০ কোটির নিচে নেমেছিল ডিএসইর লেনদেন। আর গত কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪০ কোটি ০৯ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ১৪৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

এদিন ডিএসইতে কমেছে সবকটি সূচকের মানও। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৮ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৯০ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসইএস সূচক ১ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭১ দশমিক ৪১ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ৫ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৩৮ দশমিক ৫৫ পয়েন্টে।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুডস। এ ছাড়া এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স, জেমিনী সী ফুড, সোনালী পেপার এন্ড বোর্ড মিলস, ইস্টার্ন হাউজিং, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, খান ব্রাদার্স ও এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

ডিএসইতে মঙ্গলবার ৩২০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টি কোম্পানির, কমেছে ১২৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)

অন্যদিকে দেশের অপর শেয়ারবাজার সিএসইতেও মঙ্গলবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকার। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১০ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

সিএসইতে এদিন কমেছে সব কটি সূচকের মানও। সিএএসপিআই সূচক ২১ দশমিক ২৩ পয়েন্ট ও সিএসসিএক্স সূচক ১৪ দশমিক ০৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬০৫ দশমিক ৭৪ পয়েন্টে ও ১১ হাজার ১২২ দশমিক ৪৮ পয়েন্টে।

এ ছাড়া সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ১ দশমিক ৪১ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ১ হাজার ৩০৮ দশমিক ১৭ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ১৪ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট ও সিএসআই সূচক ১ দশমিক ০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩৯০ দশমিক ৯২ পয়েন্টে ও ১ হাজার ১৭৪ দশমিক ০২ পয়েন্টে।

সিএসইতে ১৬০ টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০টির, কমেছে ৬৪টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৬টি কোম্পানির শেয়ার দর।




শেষ কার্যদিবসে ডিএসই‌‌’র লেনদেন আবারও ৪০০ কোটির নিচে

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারের পর শেষ কার্যদিবসে আবারও ৪০০ কোটির নিচে নামল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ। এ ছাড়া কমেছে একটি সূচকের মান।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ৩৮০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার। আর গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪১৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৩৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৩৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার।

তবে ডিএসইতে এদিন একটি বাদে বেড়েছে সব কটি সূচকের মান। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের চেয়ে শূন্য দশমিক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৯৭ দশমিক ২৪ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএস-৩০ সূচক শূন্য দশমিক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৪২ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

তবে কমেছে ডিএসইএস সূচকের মান। সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৯৭ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৬৮ দশমিক ০৫ পয়েন্টে।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুডস। এ ছাড়া আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, খান ব্রাদার্স, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, সোনালী পেপার এন্ড বোর্ড মিলস, দেশবন্ধু পলিমার, রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স, সি পার্ল, লিগাসি ফুটওয়ার ও লিগাসি ফুটওয়ার ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩২৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭২টি কোম্পানির, কমেছে ৮৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।




সূচকের পতনে ডিএসইতে লেনদেন ৫০০ কোটির নিচে

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) কমেছে সব সূচকের মান। কমেছে ডিএসইতে লেনদেন।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত দিনের চেয়ে ১৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ৮ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৫২ দশমিক ৫২ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭২ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে এদিন কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। লেনদেন হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় শেয়ার। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৩৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ১৫৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স। এ ছাড়া ফু-ওয়াং ফুডস, সি পার্ল, জে এম আই হসপিটাল রিকুইসিট ম্যানুফ্যাকচারিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, রহিমা ফুড কর্পোরেশন, কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স, খান ব্রাদার্স, দেশবন্ধু পলিমার ও প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৩৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টি কোম্পানির, কমেছে ৯৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।




ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষে ফু-ওয়াং ফুডস

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (৯ থেকে ১৩ জুলাই) লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।

ডিএসইর সাপ্তাহিক পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, বিদায়ী সপ্তাহের আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের শেয়ারের ক্লোজিং দাম ছিল ৩২ টাকা। আর বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্লোজিং দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪২.৯০ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১০.৯০ টাকা বা ৩৪.০৬ শতাংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের শেয়ার ডিএসইর সাপ্তাহিক দাম বাড়ার তালিকার শীর্ষে উঠেছে।

ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালসের ২৯.৬৬ শতাংশ, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ২০.৯১ শতাংশ, রূপালী ব্যাংকের ১৭.০১ শতাংশ, ফু-ওয়াং সিরামিকের ১৫.২২ শতাংশ, ইয়াকিন পলিমারের ১২.৯৬ শতাংশ, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনের ১২.৩৩ শতাংশ, খুলনা প্রিন্টিংয়ের ১১.৪৮ শতাংশ, ওরিয়ন ইসফিউশনের ১০.৭৯ শতাংশ এবং ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ১০ শতাংশের শেয়ারের দাম বেড়েছে।




সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই বাড়ছে ফু-ওয়াং ফুডসের শেয়ারদর

কোনো প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়া বা বিনা কারণেই পুঁজিবাজারে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। দেশের উভয় পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই-সিএসই) এমন তথ্য জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৯ জুলাই) ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

শেয়ার দর অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে গত ৬ জুলাই ডিএসই ও সিএসই কোম্পানিকে নোটিশ পাঠায়। ওই নোটিশের জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ছে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সিএসইতে গত ৫ জুন কোম্পানির শেয়ার দর ছিল ৯.৭০ টাকা। আর ৪ জুলাই কোম্পানির শেয়ার দর ১৪.৫০ টাকায় উন্নীত হয়। এভাবে শেয়ারের দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে সিএসই কর্তৃপক্ষ।

ডিএসইতে গত ৫ জুন কোম্পানির শেয়ার দর ছিল ২৩.৫০ টাকা। ৬ জুলাই কোম্পানির শেয়ার দর ৩২ টাকায় উন্নীত হয়। এভাবে অস্বাভাবিক শেয়ার দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষ।