ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের এমডিকে তিন মাসের বাধ্যতামূলক ছুটি

দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলীকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়েছে। মূলত চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপকে অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ ছাড়ে তার দায়িত্বে অবহেলা পায় কর্তৃপক্ষ। রোববার থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটিতে থাকবেন তিনি।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৮৩তম পর্ষদ সভায় তার ছুটি অনুমোদন করে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ। আর পরবর্তী এমডি না আসা পর্যন্ত নতুন করে এমডির চলতি দায়িত্ব (সিসি) পালন করবেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. কাওসার উল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রামভিত্তিক আলোচিত এস আলমের গ্রুপকে অর্থ লোপাটে সহায়তা করার অভিযোগে বিশেষ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করে ব্যাংক। সেখানে এমডিসহ আরও কয়েক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ আনা হয়। তার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এমডি সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলীকে তিন মাসে জন্য বাধ্যতামমূলক ছুটি দেওয়া হয়।




ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাংকটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

বুধবার (৩১ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল) রেটিংস অনুযায়ী ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের দীর্ঘমেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এ+’। আর স্বল্পমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এসটি-২’।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের বোনাস শেয়ার অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডকে বোনাস দেওয়ার সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (১৭ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর ২০২২ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এরপর কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিএসইসির কাছে আবেদন জমা দেয়। বিএসইসি সেই আবেদনে সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

বিদায়ী বছরের কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল দুই টাকা ৮১ পয়সা। এতে কোম্পানির মোট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯৩ কোটি ৯২ লাখ ৮২ হাজার ৮২০ টাকা।

ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেবে। এর আগের বছর ২০২১ সালে ছিল শেয়ার প্রতি আয় ৩ টাকা ২০ পয়সা। সে বছর মুনাফা হয়েছিল ৩৩৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার টাকার।




বোনাস  লভ্যাংশ  দিয়ে  জরিমানা গুনছে ৪ ব্যাংক

শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে শুধুমাত্র বোনাস  লভ্যাংশ দিয়ে জরিমানা গুণতে হচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের চার ব্যাংককে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে- এবি ব্যাংক লিমিটেড, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

আইনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে কমপক্ষে বোনাস লভ্যাংশের সমপরিমাণ নগদ লভ্যাংশ দিতে হবে। যদি বোনাসের পরিমাণ নগদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পুরো বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। এ হিসাবে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত আয়করের শাস্তির কবলে পড়তে হবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই আইনটি বাজেটে প্রণয়ন করা হয়।

আইন অনুসারে, এবি ব্যাংকে ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, ওয়ান ব্যাংকের প্রায় ৫ কোটি এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ১০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

লভ্যাংশ মুনাফা হিসেবে বোনাস শেয়ার দেওয়া নিয়ে চার ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ বলছেন, ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুনাফার টাকা ব্যাংকের মূলধনকে আরও শক্তিশালী করবে।

এবি ব্যাংক

জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত ২০২২ সালে এবি ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ৭১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৮ হাজার ৪৭৯ টাকা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকটির পর্ষদ নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ কারণে ১৭ কোটি ২২ লাখ টাকার বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

পাশাপাশি নিয়ম অনুসারে মুনাফার ৩০ শতাংশের কম লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে ব্যাংকটি। কম লভ্যাংশ ঘোষণা করায় ৫৪ কোটি ২৪ লাখ টাকার উপর ১০ শতাংশ হারে আরও ৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। সবমিলিয়ে দুই কারণে ব্যাংকটিকে শাস্তিস্বরুপ ৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক

বিদায়ী বছরের ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬৫ পয়সা করে। তাতে কর-পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ দাঁড়ায় ২৩৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। সেখান থেকে ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য শুধুমাত্র ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

১০ শতাংশ হারে ব্যাংকটির মুনাফার টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এই টাকা পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে ব্যবহার হবে। এছাড়াও মুনাফার ১৪৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা নিয়ম অনুসারে রিজার্ভ ফান্ডে রাখা হবে।

এবি ব্যাংকের মতো এই ব্যাংকটি নগদ শেয়ার না দিয়ে শুধু বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আইন লঙ্ঘন করেছে। আয়করের আওতায় শাস্তি হিসেবে ৮৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার উপরে ১০ শতাংশ হারে ৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

ওয়ান ব্যাংক

শেয়ার প্রতি ৭৩ পয়সা করে বেড়ে ২০২২ সালে ওয়ান ব্যাংকের মোট মুনাফা হয়েছে ১৫৫ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার ৫৪১ টাকা। এই মুনাফা থেকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটি। অর্থাৎ ৪৯ কোটি ৩ লাখ ৭১ হাজার ২৩৯ টাকার শেয়ার লভ্যাংশ দেবে। মুনাফার টাকায় ব্যাংকটির মূলধন বাড়াবে।

নগদ শেয়ার লভ্যাংশ না দিয়ে শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ায় বোনাস শেয়ারের ৪৯ কোটি ৩ লাখ ৭১ হাজার ২৩৯ টাকার মুনাফার উপর ১০ শতাংশ হারে অর্থাৎ প্রায় ৫ কোটি টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে কোম্পানিকে।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক

অপরদিকে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ২০২২ সালে মোট মুনাফা হয়েছে ২৯৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে কেবল ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। তাতে কোম্পানির বোনাস শেয়ারের টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই টাকার উপরে ১০ শতাংশ হারে জরিমানা করা হয়েছে। তাতে জরিমানার অর্থ আছে ১০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এই জরিমানা দিতে হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে। এছাড়া ব্যাংকটির ১৮৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা রিজার্ভ ফান্ডসহ রিটেইন আর্নিংস রাখা হবে।

আয়কর অধ্যাদেশ নতুন ধারা ১৬ এফ সংযোজন

অর্থ আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে আয়কর অধ্যাদেশে নতুন ধারা ১৬ সংযোজন করা হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত কোম্পানিকে স্টক ডিভিডেন্ডের কমপক্ষে সমপরিমাণ ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করতে হবে। যদি স্টক ডিভিডেন্ড প্রদানের পরিমাণ ক্যাশ ডিভিডেন্ডের চেয়ে বেশি হয় তাহলে যে পরিমাণ স্টক ডিভিডেন্ড প্রদান করা হবে বা হয়েছে তার পুরোটার উপরে ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। কোম্পানিকে সংশ্লিষ্ট কর বছরের আয়কর রিটার্ন দাখিলের পূর্বে পরিশোধ করতে হবে। এ কর কোম্পানি অন্য কোনো কর দায়িতার সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে না।

সুতরাং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে কমপক্ষে বোনাস লভ্যাংশের সমপরিমাণ নগদ লভ্যাংশ দিতে হবে। যদি বোনাসের পরিমাণ নগদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পুরো বোনাস শেয়ারের উপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।




ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক (বোনাস) লভ্যাংশ দেবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদায়ী বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে। এছাড়াও ২০২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, ২০২২ সালে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ২০ পয়সা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেবে।

এর আগের বছর ২০২১ সালে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ২০ পয়সা। সে বছর শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ৫ শতাংশ স্টক ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। সেই হিসাবে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে কোম্পানির মুনাফা কমেছে।

ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ২০ জুন। ওইদিন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোম্পানির এজিএম সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২২ মে।

বোনাস শেয়ার লভ্যাংশের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিএসইসির চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে।

ব্যাংকটি তার আগের ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ হারে স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল।

২০০৮ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২১ টাকা ৩২ পয়সা। যা আগের বছর ছিল ১৯ টাকা ৪৫ পয়সা। কোম্পানির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১০৪ কোটি ৬০ লাখ ৮ হাজার ১২১টি। মঙ্গলবার সর্বশেষ শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯ টাকা ৮০ পয়সা।

এদিকে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩৭ পয়সা। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ৫৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।