আইপিও আইনের খসড়া সুপারিশের ওপর মতামত আহ্বান

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক গঠিত শেয়ারবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এবং সংশ্লিষ্ট আইনের খসড়া সুপারিশের ওপর সংশ্লিষ্ট সবার মতামত আহ্বান করেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও পক্ষগুলি তাদের মতামত আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ই-মেইলে পাঠাতে পারবেন।

সোমবার (৭ এপ্রিল) বিএসইসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এবং তার সম্পর্কিত আইন নিয়ে টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে কমিশনের কাছে খসড়া সুপারিশ জমা দিয়েছে। এই সুপারিশগুলো শেয়ারবাজারের সংস্কার এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে বলে বিএসইসি আশা করছে।

শেয়ারবাজার সংস্কারের জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এবং সম্পর্কিত আইন সম্পর্কিত টাস্কফোর্সের সুপারিশে মতামত পাঠানোর জন্য ই-মেইল ঠিকানা দেওয়া হয়েছে: suggestion.iporules@sec.gov.bd। সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাদের মতামত আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে এই ই-মেইলে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিএসইসি শেয়ারবাজারের আইনি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার চেষ্টা করছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি করবে এবং বাজারের স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

শেয়ারবাজারের উন্নয়নে বিএসইসি ও সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টা শেয়ারবাজারে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হবে।




আইপিওর টাকার অবস্থা জানতে ৯ কোম্পানি পরিদর্শন করবে বিএসইসি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯টি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ও রিপিট আইপিওর (আরপিও) মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা টাকা কোথায় ও কিভাবে বিনিয়োগ করেছে, ওই টাকার কত অংশ বিনিয়োগ হয়েছে, কতটা বাকী আছে- ইত্যাদি বিষয় খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সেচঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯২৪ তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যে ৯টি কোম্পানি পরিদর্শন করবে বিএসইসি- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি), বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড, ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড, লুব-রেফ (বাংলাদেশ) লিমিটেড, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেড, সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

আলোচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে বিএসসি আরপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করেছে। বাকী কোম্পানিগুলোর টাকা তুলেছে আইপিওর মাধ্যমে। বেশিরভাগ কোম্পানির বিরুদ্ধে হিসাবকারসাজি করে আর্থিক স্বাস্থ্য ভাল দেখিয়ে বিনিয়োগ আইপিওতে আসার অভিযোগ আছে। অন্যদিকে বেশ কয়েকটি কোম্পানি যে খাতে ও যে সময়সীমার মধ্যে আইপিওতে সংগ্রহ করা অর্থ ব্যবহার করবে বলে প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করেছিল, বাস্তবে তা করেনি। এতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুন্ণ হয়েছে।

এর মধ্যে বেস্ট হোল্ডিংস আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলো। আর ইনডেক্স এগ্রো আইপিওতে উত্তোলন করছে ৫০ কোটি টাকা, জেএমআই হসপিটাল আইপিওর মাধ্যমে ৭৫ কোটি টাকা, লুব-রেফ আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস তুুলেছিলো ৭৫ কোটি টাকা, রিং শাইন টেক্সটাইল আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা, সিকদার ইন্স্যুরেন্স আইপিও থেকে ১৬ কোটি টাকা এবং সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস আইপিওর মাধ্যমে তুলেছিলো ৩০ কোটি টাকা।




এনআরবি ব্যাংকের আইপিওতে প্রায় আড়াই গুণ আবেদন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়ে দেশের চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক এনআরবি ব্যাংক। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে সংরক্ষিত শেয়ারের বিপরীতে কয়েকগুণ আবেদন জমা পড়েছে। ব্যাংকটি আইপিওতে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার জন্য ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছিল।

এনআরবি ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, দেশে বসবাসকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৭০ কোটি টাকার শেয়ার সংরক্ষিত ছিল। এর বিপরীতে ২৭৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা নির্ধারিত সংখ্যার প্রায় ৪ গুণ।

অন্যদিকে, এনআরবি ব্যাংকের আইপিওতে প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত আছে ৫ কোটি টাকার শেয়ার। এর বিপরীতে ২৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য আবেদন জমা পড়েছে, যা প্রায় ৫ গুণ।

এছাড়াও, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এনআরবি ব্যাংকের আইপিওতে তাদের জন্যে বরাদ্দকৃত ২৫ কোটি টাকার বিপরীতে ৬২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার আবেদন করেছে যা প্রায় আড়াই গুণ।

বিনিয়োগকারীরা যারা এনআরবি ব্যাংকের আইপিওতে অংশগ্রহণ করে ব্যাংকের প্রতি তাদের আস্থা ও সমর্থন দিয়েছেন তাদের প্রতি এনবিআর ব্যাংক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। আইপিওতে রেকর্ড পরিমাণ সাবস্ক্রিপশন বিনিয়োগকারীদের এনআরবি ব্যাংকের প্রতি পূর্ণ আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।




বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওর শেয়ার বরাদ্দ

ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিওতে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়ায় আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সম্মেলন কক্ষে শেয়ার বরাদ্দের এ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

কোম্পানি ও ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৯১ কোটি টাকার শেয়ার সংরক্ষিত ছিল। এর বিপরীতে এক হাজার ২২৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নিবাসী বাংলাদেশীরা (Resident Bangladeshi ) মোট আবেদনের ২০.৮৯ শতাংশ পাবেন। অন্যদিকে অনিবাসী বাংলাদেশীরা (Non-resident Bangladeshi) পাবেন আবেদনের ২৪.৩১ শতাংশ শেয়ার। অর্থাৎ কোনো নিবার্স বিনিয়োগকারী ১০ হাজার টাকার আবেদন করে থাকলে তিনি দুই হাজার ৮৯ টাকার শেয়ার পাবেন। অন্যদিকে অনিবাসী বাংলাদেশী তথা প্রবাসী বিনিয়োগকারী ১০ হাজার টাকার আবেদন করে থাকলে তিনি পাবেন দুই হাজার ৪৩১ টাকার শেয়ার।

গত ১৪ জানুয়ারি নিবাসী ও অনিবাসী বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়। এটি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। এতে সর্বনিম্ন আবেদনের সীমা ছিল ১০ হাজার টাকা; আর সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১৫ লাখ টাকা।

আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত সংখ্যার শেয়ারের চেয়ে বেশি শেয়ার কেনার জন্য আবেদন জমা পড়ায় Pro rata ভিত্তিক তথা আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ করা হয়।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারী তথা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৫ টাকা দরে ২ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারের দর নির্ধারিত হয় ২৪ টাকা।

ডিএসইতে অনুষ্ঠিত বেস্ট হোল্ডিংসের শেয়ার বরাদ্দ অনুষ্ঠানে ডিএসইর চিফ রেগুলেটরি অফিসার খাইরুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক রকিবুল ইসলাম চৌধুরী, বেস্ট হোল্ডিংসের কোম্পানি সচিব আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

বেস্ট হোল্ডিংস মূলত: পরিচিত পাঁচ তারকা হোটেল লো মেরিডিয়ান ঢাকা এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে। তবে এ কোম্পানির মালিকানায় আরও কয়েকটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ চলছে। এগুলো হচ্ছে-এলএম রেসিডেন্স বসুন্ধরা, ম্যারিয়ট ভালুকা, ম্যারিয়ট কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, লাক্সারি কালেকশন ভালুকা, লাক্সারি ভিলা ভালুকা এবং ধামশুর ইকোনোমিক জোন। এর বাইরে কৃষি খাতেও বিনিয়োগ রয়েছে কোম্পানিটির। কোম্পানিটি নোয়াখালী ও ভালুকায় পোল্ট্রি, ডেইরি, ফিশারিজ, লাইভস্টক খামার পরিচালনা করছে।

 

 




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন শুরু বুধবার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকা উত্তোলন করা সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের লেনদেন বুধবার (২৪ জানুয়ারি) শুরু হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ট্রেডিং কোড হলো- ‘SICL’। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো- ২৫৭৫৮ আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো- ১১০৪৮।

এর আগে গত বুধবার (১০ জানুয়ারি) সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারযোগ্য বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ১৬ কোটি টাকার বিপরীতে ২৭২ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৭.০৬ গুণ বেশি। প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৪২টি শেয়ার এবং অনিবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ১০৫ টি শেয়ার বরাদ্দ পান।

এদিকে, গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর বিএসইসির ৮৮২তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সিকদার ইন্স্যুরেন্স প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি উত্তোলন করে। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল বিএসইসি কোম্পানিটির ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি প্রতিবেদন পরিচ্ছন্ন না পাওয়ায় আইপিওর আবেদন বাতিল করেছিল। এই সংক্রান্ত একটি চিঠি কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং সিইও বরাবর পাঠানো হয়।

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আইডিআরএ’র বিধান মোতাবেক বাধ্যতামূলকভাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফিক্সড ডিপোজিট, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও ব্যয় নির্বাহ করবে।

সর্বশেষ প্রকাশিত ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৮.৭৩ টাকা। আর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.২২ টাকা।

আইপিওর ইস্যু ম্যানেজার ও আন্ডার রাইটার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে সোনারবাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর নিরীক্ষক হিসেবে কাজ করছে জি.কিবরিয়া অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

প্রসঙ্গত,পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোনো প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




এনআরবি ব্যাংকের আইপিও’র আবেদন সীমার পরিবর্তন

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় থাকা এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন সীমায় পরিবর্তন এনেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটির আইপিওতে শেয়ার কিনতে বিনিয়োগকারীরা যত খুশি তত টাকার আবেদন করতে পারবেন।

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সাধারণত আইপিওর শেয়ার ক্রয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। যার উপর ভিত্তি করে সমান সংখ্যক শেয়ার পেতেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তবে এবার এনআরবি ব্যাংকের আইপিওর শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ দিয়েছে বিএসইসি।

আগামী ২৮ জানুয়ারি ব্যাংকটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ জানুয়ারি। এর আগে বিএসইসির ৮৮৭তম কমিশন সভায় এনআরবি ব্যাংককে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১০ কোটি শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহীত অর্থ ব্যাংকটি সরকারি সিকিউরিটিজে ৯২ কোটি টাকা, সেকেন্ডারি মার্কেটে ৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং আইপিও ব্যয় মেটাতে ৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

প্রসঙ্গত, কোম্পানিটির আইপিও শেয়ারে আবেদনের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা এবং অনাবাসী বাংলাদেশিদের ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে।




বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও আবেদন শুরু

পুঁজিবাজারে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) আবেদন গ্রহণ রোববার (১৪ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে। এই আবেদন গ্রহণ চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর আগে কোম্পানিটির আইপিও আবেদনের তারিখ ৮ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ইলেকট্রনিক বিডিংয়ের মাধ্যমে বেস্ট হোল্ডিংসের শেয়ারের কাট-অব প্রাইস (প্রান্তসীমা মূল্য) ৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছেন যোগ্য বিনিয়োগকারীরা (ইআই)। তবে কাট অব প্রাইসের তুলনায় ৩০ শতাংশ কমে অর্থাৎ ২৪ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারী ও অনাবাসী বাংলাদেশিদের কাছে শেয়ার ইস্যু করা হবে। গত ২০ থেকে ২৩ নভেম্বর কোম্পানিটির বিডিং অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৮৫তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড পুঁজিবাজার থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ৩৫০ কোটি টাকা তুলবে। বেস্ট হোল্ডিংসের প্রজেক্টগুলোর মধ্যে আছে- লা মেরিডিয়ান, বেস্ট হোটেল লিমিটেড, ধামসোর ইকোনমিক জোন লিমিটেড প্রভৃতি। এসব টাকা দিয়ে কোম্পানিটি বিল্ডিং এবং অন্যান্য সিভিল ওয়ার্ক, মেশিনারিজ এবং ইক্যুইপমেন্ট প্রকিউরমেন্ট ফর লাক্সারি কালেকশন, বিদ্যমান দায় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে।

২০২৩ সালের ৩০ জুনের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির পুনঃমূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ৫৬.৩৪ টাকা। পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ৩২.২৬ টাকা। শেয়ারপ্রতি মুনাফা ১.২৪ টাকা। বিগত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি মুনাফা ০.৯৫ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে শান্তা ইক্যুয়িটি লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শেষ  হবে বৃহস্পতিবার

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন আগামীকাল ২৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার শেষ হবে। এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হয়েছিল।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বিএসইসির নির্দেশনা মোতাবেক কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনের জন্য প্রত্যেক দেশী বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। আর অনাবাসী বাংলাদেশীদের বিনিয়োগ থাকতে হবে ন্যূনতম ১ লাখ টাকা।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির এ আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

জানা গেছে, বিএসইসির পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ অনুসারে সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির আইপিও প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেয়াদি আমানত রাখা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ফ্লোর ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যবহার করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

 




বিওতে জমা ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের আইপিও’র শেয়ার

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে। গত ৮ মে (সোমবার) কোম্পানিটির আইপিওর শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা করা হয়।

সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ১৮ এপ্রিল ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেম (ইএসএস) এর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রো-রাটার ভিত্তিতে ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৩৬টি শেয়ার এবং অনিবাসি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৭২টি শেয়ার বরাদ্দ পেয়েছেন। কোম্পানিটি ১ কোটি ৬০ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা উত্তোলন করে। ওই ১৬ কোটি টাকার বিপরীতে ৩০৫ কোটি টাকার আবেদন করেন বিনিয়োগকারীরা। ফলে প্রতিটি শয়ারের বিপরীতে ১৯.০৭ গুণ আবেদন বেশি পড়ে।

জানা গেছে, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ গত ৩ থেকে ৮ এপ্রিল কোম্পানিটির আইপিও আবেদন গ্রহণ সম্পন্ন করে। এর আগে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৫৩তম কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৬০ হাজার শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা তুলবে। এই জন্য প্রতিটি শেয়ারের অফার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। উত্তোলিত অর্থ সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ, এফডিআর বিনিয়োগ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করা হবে।

২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির একচ্যুয়ারাল ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী মোট উদ্বৃত্ত ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের আইপিও আবেদন শুরু

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমতি পাওয়া ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ সোমবার (৩ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে। এ আইপিও আবেদন গ্রহণ চলবে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৫৩তম কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৬০ হাজার শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা তুলবে। এই জন্য প্রতিটি শেয়ারের অফার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। উত্তোলিত অর্থ সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ, এফডিআর বিনিয়োগ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করা হবে।

২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির একচ্যুয়ারাল ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী মোট উদ্বৃত্ত ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।