অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ  : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের অর্থনীতি মজবুত করতে এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য এ খাতের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ বছর ‌‌‘ভেটেরিনারিয়ান্স: গার্ডিয়ান্স অব ফুড অ্যান্ড হেলথ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ আজকের বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভেটেরিনারি পেশাজীবীরা মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে আরও সচেতন হচ্ছে। একসময় ভেটেরিনারি পেশাকে ততটা গুরুত্ব দেওয়া না হলেও বর্তমানে এ খাতে মানুষের আগ্রহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে ভেটেরিনারি শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে।

তিনি বলেন, প্রাণীরা তাদের সমস্যা প্রকাশ করতে পারে না। তাই তাদের চিকিৎসা ও সুস্থ রাখা অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং কাজ। এ খাতে যারা কাজ করছেন তারা অত্যন্ত মেধাবী ও যোগ্য। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমান সরকারও এই খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ও ভেটেরিনারি সায়েন্স বর্তমানে একটি জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা পারস্পরিক আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এর কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করবো। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে সব সমস্যা সমাধান সম্ভব এবং সবাই সমানভাবে উপকৃত হবে।

সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত কৃষক কার্ডের আওতায় আসছে, ফলে কৃষকদের মতো এ খাতের খামারিরাও সমান সুবিধা পাবেন।

তিনি দেশের উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ দেশ আমাদের, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান। সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ভ্যাব-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ও প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আবদুর রহিম।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর ড. এম. আরিফুল ইসলাম, যেখানে ভেটেরিনারি পেশার সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভেটেরিনারিয়ানরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী এর আগে বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও উদ্বোধন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।




প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে

নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আবদুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কৃষিবিদ দিবস উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি, কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিন ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর মহাসচিব কৃষিবিদ মো. খায়রুল আলম প্রিন্স অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মাথাপিছু জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এই চাহিদা পূরণে কৃষি বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে অধিক উৎপাদনশীল বীজ, উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকসই উন্নয়নের জন্য মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জেলেদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, মৎস্য ও মৎস্য পণ্য রপ্তানির বাজার সম্প্রসারণ, নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন, ইকো-সেনসেটিভ অঞ্চলে মৎস্য অভয়াশ্রম, ইলিশ সম্পদের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা বিকাশে সামুদ্রিক মাছের মজুত নিরুপণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে আমাদের চাহিদা পূরণ করে মাছ, মাংস বিদেশে রপ্তানি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে বিশ্বের একজন সৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একজন কৃষিবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করে তার দিক নির্দেশনা অনুযায়ী সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

অভ্যন্তরীণ মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয় এবং সামুদ্রিক জলাশয়ের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার জন্য সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মৎস্যখাতে সরকার কর্তৃক গৃহীত পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের ফলে মাছের উৎপাদন ঈর্ষণীয় পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সময়োপযোগী নির্দেশনায় ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুধ ও মাংসের চাহিদা পূরণ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে যা সেবার মানকে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতি ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মাছ, মাংস, ডিম, খাদ্য শস্যের ফলন বাড়াতে কৃষিবিদদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিজেদের প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য নিজেদেরই উৎপাদন করতে হবে। ঐতিহ্যগত শস্যের পাশাপাশি নতুন জাতের শস্য উৎপাদন করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণে তার কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে গতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের ফলে বাংলাদেশ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দ্রুত সামনে অগ্রসর হচ্ছে বলে মন্ত্রী এসময় মন্তব্য করেন।

তিনি কৃষিবিদদের ঐক্যবদ্ধ থেকে কৃষিক্ষেত্রে নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য কৃষিবিদদের প্রতি আহ্বান জানান।




কৃষকদের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে সর্বোচ্চ ঋণ ২০ লাখ টাকা

গরু মোটাতাজা করতে এতদিন একজন কৃষককে ব্যাংক ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারতো ব্যাংক। এখন থেকে একজন কৃষককে গরু মোটাতাজা করতে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারের তথ্য অনুযায়ী, ধান চাষ, মাছ চাষ, শাকসবজি, ফল ও ফুল চাষ, প্রাণিসম্পদ খাতের আওতায় পোলট্রি ও দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন কৃষক।

দেশে খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার কোটি টাকার যে তহবিল করেছে, সেখান থেকে ব্যাংকগুলো এই ঋণ দিয়ে আসছে। মাত্র ৪ শতাংশ সুদে মিলছে এই ঋণ। এই তহবিল থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর জারি করা ‘দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল’ গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কর্মসূচির ফলে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এতে বিশ্বে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন। কৃষি খাতে স্বল্প সুদে ঋণপ্রবাহ বজায় রাখার জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, এই তহবিলের অধীনে ব্যাংকগুলো নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করবে। ক্ষুদ্র, প্রান্তিক, বর্গাচাষি ও ফসল (ধান, শাকসবজি, ফুল ও ফল) চাষের জন্য শুধু ফসল দায়বন্ধনের বিপরীতে এককভাবে জামানতবিহীন সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

শস্য ও ফসল খাতে সর্বোচ্চ পাঁচ একর জমিতে ফসল চাষের জন্য ঋণ পাবেন কৃষক। এসব ছাড়া অন্য খাতে ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম জামানত গ্রহণের বিষয়ে ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে।

ঋণ পরিশোধে কৃষক বা গ্রাহক তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৮ মাস সময় পাবেন। এই তহবিলের ঋণ কোনোভাবেই গ্রাহকের পুরোনো ঋণের সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে না। কোনও ঋণখেলাপি গ্রাহক এই ঋণ পাবেন না।

কৃষক পর্যায়ে ঋণ আদায়ের দায়িত্ব ব্যাংকের ওপরই থাকবে। ঋণ আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনাকে সম্পর্কিত করা যাবে না। ঋণের বকেয়া নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে শোধ না হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চলতি হিসাব সমন্বয় করে আদায় করা হবে।