নন-লাইফ বীমা কোম্পানির সিএফওদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে দেশের বীমা কোম্পানিগুলোর বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান ড.এম আসলাম আলম।

রোববার নন-লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তাদের (সিএফও) জন্য আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ধোধন করে তিনি এ আহ্বান জানান। বীমা প্রতিষ্ঠানের সিএফওদের আন্তর্জাতিক মান অনুসরণপূর্বক বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

বীমা চুক্তিতে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএফআরএস ১৭) নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান।

এ সময় বীমা প্রতিষ্ঠানের সিএফওদের আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেন তিনি। কর্মশালায় সিএফওদের আইএফআরএস ১৭ নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের ফেলো মেম্বার আশিক ইকবাল, এফসিএ।

আইডিআরএ জানায়, এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ন্ড ও অডিট রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ন্ড অনুসরণ করে বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ।




বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তাদের নিয়ে ডিএসইর প্রশিক্ষণ কর্মশালা

বিদ্যুৎ খাতের সরকারি কোম্পানিগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য ‘ক্যাপিটাল মার্কেট সেন্ট্রিক একাডেমিক লিটারেসি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম ফর পাবলিক অ্যান্ড প্রাইভেট এনটিটিস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) ডিএসই ট্রেনিং একাডেমিতে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়ে। ডিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

অনুষ্ঠানের অতিথী হিসেবে উপস্থতি ছিলেন বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের রেক্টর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সরকারের বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামীতে এই ধরনের আরও প্রোগ্রাম আয়োজন করা হবে বলে আমরা আশা রাখি। পুঁজিবাজারে বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতের মাত্র কয়েকটি সরকারি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। আমরা অন্যান্য কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্তির জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করছি।

প্রশিক্ষণ কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিএসই’র ট্রেনিং একাডেমির প্রধান এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল আমিন রহমান। মূল প্রবন্ধে তিনি পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা, প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ও মৌলিক বিনিয়োগ কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। ধন্যবাদ বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের মেম্বার ডিরেক্টর স্টাফ ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম রব্বানি।




সিএসইতে ইনকাম ট্যাক্স ও ফাইন্যান্স অ্যাক্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ট্রেক ও সকল কর্মকর্তাদের জন্য এসএমএসি এডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেডের সমন্বয়ে ‘ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্ট, ২০২৩ এবং ফাইন্যান্স অ্যাক্ট, ২০২৩’ বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি সিএসইর আগ্রাবাদস্থ প্রধান কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

সিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ছিল সংশ্লিষ্ট আয়কর আইন ও ফাইনান্স অ্যাক্ট সম্পর্কে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিস্তারিত ধারণা প্রদান, আইনের সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলোর ব্যাপারে অবহিতকরণ এবং পুরানো আইন ও বিধিবিধানের সঙ্গে নতুন আইন ও বিধিবিধানের সামগ্রিক পরিবর্তনের তুলনামূলক চিত্র প্রদর্শন করে তা জানানো।

অনুষ্ঠানে এসএমএসি এডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার আহসানুল হক বাশার এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্নেহাশিস বড়ুয়া রিসোর্স পার্সন হিসেবে এবং সিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মোহাম্মদ মাহাদি হাসান, হেড অফ সারভিলেন্স এন্ড মপস, নাহিদুল ইসলাম খান, কোম্পানি সেক্রেটারি, রাজিব সাহা, হেড অফ ফাইনান্স, মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। সিএসইর ট্রেনিং এন্ড এওয়ারনেস বিভাগের প্রধান এম সাদেক আহমেদ পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। সিএসই’র ট্রেক এবং অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উদ্বোধনী বক্তৃতায় সিএসই’র প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মোহাম্মদ মাহাদি হাসান উল্লেখ করেন যে, শেয়ারবাজারের ব্যবসার সঙ্গে ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্ট এবং ফাইনান্স অ্যাক্ট-এই দুটি আইনেরই সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমাদের ট্রেক হোল্ডার, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহসহ অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে প্রতিনিয়ত এই আইনগুলো অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। প্রতি বছর শেয়ারবাজারের সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকদের লেনদেন এবং ব্যবসার সুযোগ সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সিএসইর পক্ষ থেকে বাজেট প্রস্তাবে বেশ কিছু প্রস্তাবনা প্রদান করা হয়। তাই যখন যে নিয়ম আসবে তখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব হবে, সে নিয়মের প্রতিটি পরিবর্তন সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিত হওয়া এবং তাঁর যথাযথ প্রয়োগ করা।

এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণটি সংশ্লিষ্ট সকলের কাজকে আরও সহজ করতে সহায়ক হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্নেহাশিস বড়ুয়া বলেন, বাংলাদেশে কেবল ইনকাম এবং ফাইনান্স অ্যাক্ট-ই প্রতিবছর পরিবর্তিত হয় এবং সে পরিবর্তন সম্পর্কে অবহিত হওয়া এবং তাঁর যথাযথ জ্ঞান আহরণ করা এবং সে অনুযায়ী সঠিক চর্চা করা অতীব প্রয়োজনীয়। কেননা নিয়ম -এর ব্যতয় ঘটলে পরবর্তীতে তা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদী জটিল সমাধানের মুখোমুখি হতে পারে। তাই সবার উচিত নতুন নিয়ম চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া এবং সঠিকভাবে প্রয়োগ করা।