এফবিসিআইয়ে প্রশাসক নিয়োগ

বাণিজ্য সংগঠন আইন ২০২২ এর ১৭ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য (অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব) মো. হাফিজুর রহমানকে বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক বাণিজ্য সংগঠন) ড.নাজনীন কাউসার চৌধুরি স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, নিয়োগকৃত প্রশাসক ১২০ দিনের মধ্য একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটির নিকাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে।

এদিকে জানা গেছে, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম পদত্যাগ করেছেন। ই-মেইলের মাধ্যমে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠনের ডিটিও বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।




সোনালী লাইফে প্রশাসক নিয়োগ হাইকোর্টে স্থগিত

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে প্রশাসক নিয়োগ আদেশ স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ স্থগিত করে প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার এক দিন পরেই কোম্পানির পক্ষ থেকে এই আদেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে করা রীট আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত শুনানি শেষে এই স্থগিতাদেশ জারি করে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন এ বিষয়ে একটি রুল-নিশি জারি করে।

সোনালী লাইফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইতিপুর্বে আইডিআরএ সোনালী লাইফের বরখাস্তকৃত সাবেক সিইও রাশেদ বিন আমানের পেশ করা রিপোর্টের ভিওিতে একটি অডিট ফার্ম দিয়ে সোনালী লাইফের কার্যক্রম ও লেনদেনের অডিট করানো হয়। অডিট রিপোর্টটির কপি সোনালী লাইফ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর না করে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগের ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ না দিয়েই সোনালী লাইফের বর্তমান বোর্ড ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দুর্নীতির অভিযোগে ও নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত সোনালী লাইফের সাবেক সিইও মীর রাশেদ বিন আমানের বিরুদ্ধে কোম্পানির মূল ডাটা ম্যনিপুলেশন করা এবং জাল শিক্ষাগত সনদ প্রদান করে সিইও পদে আসিন হওয়ার মত গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, ইতিমধ্যে প্রমাণিত হওয়ায় সে জেলও খেটেছে, তার মত একজন দাগী অপরাধীর উদ্দেশ্যমূলক আবেদনের প্রেক্ষিতে আইডিআরএ তাদের নিয়োজিত অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা চালায় এবং তার প্রতিবেদনের উপর ভিওি করেই সোনালী লাইফে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।

সোনালী লাইফের জনসংযোগ বিভাগ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। আইডিআরএ অডিট প্রতিবেদন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করেনি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অভিযোগ খন্ডানোর কোন সুযোগ না দিয়ে তড়িঘড়ি করে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে এবং গত ২১ এপ্রিল এ বিষয়ে চিঠি ইস্যু করে। তিনি বলেন অডিটের মূল অভিযোগের যে জায়গাটি তা হলো, কোম্পানি থেকে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের অর্থ গ্রহন, অথচ তিনি যে সেসব অর্থ তার মালিকানাধীন সোনালী লাইফের প্রধান কার্যালয়ের ইমপেরিয়াল টাওয়ারের ভাড়া বাবদ গ্রহন করেছেন এ বিষয়টি কোথাও উল্লেখ করা হয়নি এবং সোনালী লাইফের দুর্নীতিবাজ তৎকালীন সিইও রাশেদ বিন আমান তার দেয়া রিপোর্টে সুকৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। ফলে অডিট প্রতিষ্ঠান ও বিষয়টিকে আমলে নেয় নি।

দেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী সোনালী লাইফ বিগত ৩ মাসে নানান অস্থিরতার মধ্যেও ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং ১১৪ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। অথচ প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি গ্রাহকদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে।