নগদ লভ্যাংশ দিলো প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে।

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২.৫০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এর পুরোটাই লগদ লভ্যাংশ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.২৫ টাকা নগদ লভ্যাংশ পেলেন শেয়ারহোল্ডারা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।




প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি- মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৫ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৭৩ পয়সা।

৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৫৬ পয়সায়।




প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ

পুঁজিবাজারের বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ প্রদান করেছে কোম্পানিটি।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সিস্টেমসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১.২০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৫২ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৪.৩০ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০.৬৮ টাকা।




প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত নন-লাইফ বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় আজ বুধবার সকাল ১১ টায় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানি চেয়ারম্যান মো. মোমিন আলী।

এ সময় কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান মারুফ সাত্তার আলী, পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, শাহজাহান কবির, প্রদীপ কুমার দাস, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাইদুজ্জামান, কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহেদুল ইসলাম (জাহিদ) ও কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যাক বিনিয়োগকারী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদনের উপর আলোচনা রাখেন পরিচালকবৃন্দ ও ব্যবস্থাপনা পর্ষদ। এতে দেখা যায়, সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানির গ্রস প্রিমিয়াম দাঁড়িয়েছে ১১৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ১০৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা। নিট প্রিমিয়াম দাঁড়িয়েছে ৯০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ৮১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির অবলিখন মুনাফা হয়েছে ১৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৯ কোটি ১২ লাখ টাকা।

এ ছাড়া কোম্পানির মোট সম্পদ বেড়েছে বহুলাংশে। আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৩৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এছাড়া কোম্পানি গত বছরের তুলনায় এ বছর বীমা দাবি পরিশোধের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। আলোচ্য বছরে কোম্পানি বীমা দাবি পরিশোধ করে ২২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। আগের বছর এ দাবি পরিশোধের পরিমাণ ছিলো ২৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

আলোচ্য বছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) মূল্য ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কিছুটা কমেছে। সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটির এনএভি দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৬৮ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ২২ টাকা ৩৪ পয়সা। আলোচ্য বছরে ইপিএস এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৫২ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৪ টাকা ৩০ পয়সা। বছর সমাপ্তান্তে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, যা বার্ষিক সাধারণ সভার অন্যান্য কার্যসূচির সাথে বিনিয়োগকারীদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।