আউশের উৎপাদন বাড়াতে ৬৪ কোটি টাকার প্রণোদনা পাবেন সাড়ে ৯ লাখ কৃষক

আউশের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ৬৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার প্রণোদনা দেওয়া হবে। সারা দেশের ৯ লাখ ৪০ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এ প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পাবেন।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার কামরুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, উচ্চফলনশীল আউশ ধানের উৎপাদন বাড়াতে এ প্রণোদনার আওতায় একজন কৃষক এক বিঘা জমিতে চাষের জন্য প্রয়োজনীয় ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে পাবেন। অধিক ফলনশীল ব্রিধান ৪৮, ব্রিধান ৮২, ব্রিধান ৮৫, ব্রিধান ৯৮, বিনাধান ১৯ ও বিনাধান ২১ এর বীজ দেওয়া হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বাজেট কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা এবং বীজ ও চারাখাত থেকে এ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ এরইমধ্যে জারি হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে শিগগিরই এসব প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।




পান রপ্তানিতে প্রণোদনা পেতে লাগবে সংগঠনের সনদ

পান রপ্তানিতে দেওয়া হয় নগদ সহায়তা। তবে এ প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা পেতে এখন থেকে আবেদনপত্রের সঙ্গে বাংলাদেশ পান রপ্তানিকারক সমিতির সনদপত্র দিতে হবে।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনের সব অনুমোদিত ডিলারের কাছে পাঠিয়েছে।

এ‌তে বলা হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো যাচ্ছে, কৃষিপণ্য হিসেবে পান রপ্তানির বিপরীতে রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার আবেদনপত্রের সঙ্গে বাংলাদেশ পান রপ্তানিকারক সমিতির ইস্যু করা সনদপত্র দাখিল করতে হবে। বাংলাদেশ পান রপ্তানিকারক সমিতি শুধু তাদের সদস্যদের সনদপত্র ইস্যু করতে পারবে।

সার্কুলার জারির তারিখ থেকে জাহাজিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে বর্ণিত নির্দেশনা কার্যকর হবে। আলোচ্য খাতে রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত আগে জারি করা সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।




পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে আরও ১৬ কোটি টাকা প্রণোদনা

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে দ্বিতীয় ধাপে নাবী জাতের (লেইট ভ্যারাইটি) গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ১৬ কোটি ২০ লাখ টাকার প্রণোদনা দেওয়া হবে। সারা দেশের ১৮ হাজার ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষক এ প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পাবেন।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, এ প্রণোদনার আওতায় একজন কৃষক এক বিঘা জমিতে চাষের জন্য গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের নাবী ( লেইট) জাতের প্রয়োজনীয় ১ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ২০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে পাবেন। এছাড়া জমি প্রস্তুত ও শ্রমিকের মজুরি বাবদ ২ হাজার টাকা নগদ পাবেন।

নাবী জাতের এই পেঁয়াজ রোপণের সময় নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর উৎপাদন বা বাজারে আসবে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বাজেট কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা এবং বীজ ও চারা খাত থেকে এ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ ইতোমধ্যে জারি হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে শিগগিরই এসব প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

এর আগে প্রথম ধাপে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতেও সমপরিমাণ বা ১৬ কোটি টাকার প্রণোদনা ১৮ হাজার কৃষককে দেওয়া হয়। এই প্রণোদনার আওতায় আবাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই পেঁয়াজ বাজারে আসবে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে।