রানার অটোমোবাইলসের লোকসান কমেছে

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের চল‌তি হিসাব বছ‌রের দ্বিতীয় প্রান্তিক (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৩) ও অর্ধবা‌র্ষিক প্রান্তিকের (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্র‌তি‌বেদন প্রকাশ ক‌রা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির আলোচ্য প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বুধবার (২৪ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

তথ্য মতে, কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ০.০৫ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২.০৮ টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ২.১৩ টাকা।

কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের ৬ মাস বা অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ২.২২ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২.৮৯ টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ০.৬৭ টাকা।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬০.৪১ টাকা।




বিডি ল্যাম্পসের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটিকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের রেটিং অনুযায়ী, বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ-’। আর স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এসটি-১’।

২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে বিডি ল্যাম্পস লিমিটেডের এ ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




ওয়ালটনের নতুন চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ৩৫তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় শনিবার তাদের নিয়োগ দেয়া হয়। এই নিয়োগ ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান পদে এস এম শামসুল আলম, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে এস এম আশরাফুল আলম এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন এস এম মাহবুবুল আলম। তারা প্রত্যেকেই প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ৩৫তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় শনিবার তাদের নিয়োগ দেয়া হয়। এই নিয়োগ ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

ওয়ালটন হাই-টেকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম, ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম দেশের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স শিল্পের সফল উদ্যোক্তা। তারা সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে ওয়ালটনের দ্রুত বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স শিল্পে তাদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী নেতৃত্ব বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে ওয়ালটনকে গ্লোবাল ব্র্যান্ডে পরিণত করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তাদের তত্ত্বাবধানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

তাদের যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে ওয়ালটন দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে অতি দ্রুত শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে নেয়। প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তারা দায়িত্ব নেয়ায় ওয়ালটনের উন্নয়নের অগ্রগতি আরও গতিশীল হবে। তারা ওয়ালটনকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম সেরা পাঁচটি গ্লোবাল ব্র্যান্ডের একটিতে পরিণত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন। তাদের দূরদর্শী নেতৃত্ব ওয়ালটনের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হবে বলে সবাই দৃঢ় আশাবাদী।




পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করল বিএসআরএমের দুই কোম্পানির

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের দুই কোম্পানি বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) লিমিটেড ও বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের পর্ষদ সভা ১২ অক্টোবর যথাক্রমে বিকাল ৫টা ও ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএসআরএম লিমিটেড: অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ টাকা ১ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএ=স) দাঁড়িয়েছে ১৩২ টাকা ২৫ পয়সায়।

 

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৩৪ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩৪ টাকা ২৯ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য ৪০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিএসআরএম লিমিটেড। এর বাইরে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। সেই হিসাবে ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য মোট ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১৮ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯০ পয়সা। ওই বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২৭ টাকা ৫৬ পয়সায়। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেষে যা ছিল ৯৯ টাকা ৮৯ পয়সা। এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল বিএসআরএম লিমিটেড। ডিএসইতে গত বৃহস্পতিবার বিএসআরএম লিমিটেডের শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৯০ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৯০ ও ৯৭ টাকা।

বিএসআরএম স্টিলস: সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮ টাকা ৮ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ৬২ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৭২ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ৯৯ পয়সায়।

এর আগের ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত লভ্যাংশ দিয়েছে বিএসআরএম স্টিলস। আলোচ্য হিসাব বছরে ১০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। সব মিলিয়ে ওই হিসাব বছরে মোট ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৩৮ পয়সায়।

এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল বিএসআরএম স্টিলস। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৬০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৫৬ টাকা ৮৪ পয়সা।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিএসআরএম স্টিলসের শেয়ার সর্বশেষ ৬৩ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৬৩ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৭০ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।




কে অ্যান্ড কিউ’র মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি বিদ্যমান ৫ কোটি ১৪ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকা থেকে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৫৯ হাজার ৩০৯ টাকা বাড়াবে। এজন্য কোম্পানিটি ১৭ লাখ ৮ হাজার ২৭৫টি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করবে। কে অ্যান্ড কিউ ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ ৮২ হাজার ৭৫০ টাকা উত্তোলন করবে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, কে অ্যান্ড কিউ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি ১৫ লাখ থেকে ৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকায় বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এটা মাল্টিসোর্সিং লিমিটেডের সঙ্গে কে অ্যান্ড কিউ এর একীভূতকরণে উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে দিয়েছে।

বিএসইসির অনুমোদনের মাধ্যমে কে অ্যান্ড কিউ প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে ১ কোটি ৭১ লাখ টাকার নতুন শেয়ার ইস্যু করবে। যা ইস্যু করা হবে মাল্টিসোর্সিং কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে। যেগুলোর মালিক কে অ্যান্ড কিউ’র উদ্যোক্তা/পরিচালকেরা। অর্থাৎ কে অ্যান্ড কিউ’র উদ্যোক্তা/পরিচালকেরা ২২৩ টাকা বাজার দরের প্রতিটি শেয়ার পেতে যাচ্ছে ১০ টাকা করে।




আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করে তা প্রকাশ করা হয়েছে।

কোম্পানিকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

মঙ্গলবার (১৬ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের রেটিং অনুযায়ী কোম্পানির দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ-’ এবং স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এসটি-২’।

কোম্পানির ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




 ২৬৮ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে রানার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড বন্ড ইস্যু করে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার সংগ্রহ করবে। বর্তমান বিনিময় হার অনুসারে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এই বন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ রানার অটোমোবাইলস তাদের এলপিজি, সিএনজি এবং বিদ্যুৎ চালিত থ্রি-হুইলারের গ্রাহক পরিধি বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করবে। এছাড়া, এর একটি অংশ দিয়ে ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন রুফটপ সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনে বিনিয়োগ করা হবে। আর এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থ্রি-হুইলার উৎপাদন কারখানার চাহিদা পূরণে কাজে লাগানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বুধবার (১০ মে) ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৭৫তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রানার অটো ইন্টারন্যাশনালি সার্টিফায়েড সাস্টেনেবিলিটি বন্ড নামের এই বন্ডটিকে সাস্টেনেবল বন্ড হিসেবে সার্টিফাই করেছে আন্তর্জাতিক রেটিং এজেন্সি মুডি’স। এটি হবে আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা প্রত্যায়িত দেশের প্রথম সাস্টেনেবল বন্ড। আর বন্ডটির গ্যারান্টারের দায়িত্ব পালন করবে গ্যারান্টকো।

তথ্য মতে, আলোচিত বন্ডটি হবে নন-কনভার্টেবল, আন-সিকিউরড, ট্রান্সফারেবল, রিডিমেবল, গ্যারান্টিড, সার্টিফাইড সাস্টেইনেবিলিটি বন্ড। অর্থাৎ এই বন্ডের কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে না। এর বিপরীতে কোনো জামানতও রাখা হবে না। বন্ডটি হবে হস্তান্তরযোগ্য। মেয়াদ শেষে এর অবসায়ন ঘটবে।

আলোচিত বন্ডের মেয়াদ হবে ৭ বছর। আর এর সুদের হার হবে ৮.৫০ শতাংশ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে।

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, কর্পোরেট ও উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মাঝে বন্ডটি বরাদ্দ করা হবে।

বন্ডটির লিড অ্যারেঞ্জার এবং উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবে গ্রিনডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি।




কে অ্যান্ড কিউয়ের ৯ মাসে মুনাফা কমেছে ৪৭.৮৩ শতাংশ

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৩) ও নয় মাসের (জুলাই, ২০২২-মার্চ, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশি প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য হিসাব বছরের নয় মাসে কোম্পানিটির আগের বছরের তুলনায় শেয়ারপ্রতি মুনাফা ৪৭.৮৩ শতাংশ কমেছে।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি তৃতীয় প্রন্তিকের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.১১ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৪৬ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা ০.৩৫ টাকা বা ৭৬.০৯ শতাংশ কমেছে।

এদিকে, নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.৩৬ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৬৯ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা ০.৩৩ টাকা বা ৪৭.৮৩ শতাংশ কমেছে।

২০২৩ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৪.৪৬ টাকায়।