পিপলস লিজিংয়ের প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সমাপ্ত বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৪-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ৯৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ২ টাকা ৯৬ পয়সা লোকসান হয়েছিল।

সমাপ্ত সময়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল ’২৪-জুন’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৭৪ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৫ টাকা ৯২ পয়সা লোকসান ছিল।

সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি (জুলাই’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৯ টাকা ৯০ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানির লোকসান ছিল ৯ টাকা ৬৬ পয়সা।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর,২০২৪ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট দায় ছিল মাইনাস ১৪৫ টাকা ৬০ পয়সা।




পতনের শীর্ষে পিপলস লিজিং ও রবি

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৬টি কোম্পানির মধ্যে ৩১৯ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে।

এদিন দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে পিপলস লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড ও রবি আজিয়াটা লিমিটেড ।

ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে ৫০ পয়সা বা ১০ শতাংশ এবং রবি আজিয়াটার আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে ৩ টাকা বা ১০ শতাংশ। তাতে দরপতনের শীর্ষে জায়গা নিয়েছে কোম্পানি ২ টি।

দর হারানোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড। কোম্পানিটি আগের দিনের তুলনায় ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে। ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ কমায় তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থান নিয়েছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

আজ দরপতনের তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল, গোল্ডেন সন, উসমানিয়া গ্লাস শিট, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, ওরিয়ন ইনফিউশন, গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।




নাম পরিবর্তন করবে পিপলস লিজিং

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিবর্তে “সোনার বাংলা লিজ ফিন্যান্স পিএলসি” নাম রাখবে। একারণে কোম্পানিটি সংঘস্বারকের কিছু অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করবে।

কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নেওয়ার জন্য আগামী ২৬ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে।

কোম্পানির ইজিএম সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ১৫ ডিসেম্বর।




পিপলস লিজিংয়ের পর্ষদ পুনর্গঠন

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের (পিএলএফএসএল) পরিচালনা পর্ষদ আবার পুনর্গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

কোম্পানিটির সাত সদস্যের নতুন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হাসান শহীদ ফেরদৌসকে।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা হলেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব কাজী আনোয়ারুল হক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশেদ ইমাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, সদস্য হিসাবে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের আমানতকারীদের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক এবং মো. সগীর হোসেন খান। কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন মো. সগীর হোসেন খান।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১৩ আগস্ট পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের লেনদেন দেশের উভয় পুঁজিবাজারে বন্ধ রয়েছে। এ পর্যন্ত একশত দফায় কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ডিএসই ও সিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন ১২ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০১৯ সালের ১৪ জুলাই পিপলস লিজিং অবসায়নের জন্য আদালতে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই দিনই মামলার শুনানি শেষে অবসায়নের পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়া অবসায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক পদমর্যাদার একজনকে অবসায়ক হিসেবে নিয়োগ দিতে বলা হয়। পরে সাময়িক অবসায়ক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক আসাদুজ্জামান খানকে নিয়োগ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ওই মামলার ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে আদালত পিপলস লিজিংয়ের বিভিন্ন ঋণ খেলাপিদের তলব করেছিলেন। পরে আমানতকারীরা কোম্পানিটি অবসায়ন না করে পুনরুজ্জীবিত করার পক্ষে মত দেন। এরপর ২০২১ সালের ২৮ জুন পিএলএফএসএলকে পুনরুজ্জীবিত করার আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গঠন করে দিয়েছিলেন বোর্ডও। কিন্তু বোর্ডের সদস্যদের পদত্যাগ, স্বাস্থ্যগত কারণে মিটিংয়ে হাজির না হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে পিএলফএসএল’র পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করেছেন হাইকোর্ট।




তিন বছর লভ্যাংশ দেবে না পিপলস লিজিং

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বিগত তিন বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর জুন এবং ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ অক্টোবর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিতে লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। আর এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ অক্টোবর।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে (১৯.৭৬) টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে (৮৩.৫৩) টাকায়।

২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে (২২.৩২) টাকা। আর আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে (১০১.২৪) টাকায়।

২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে (১৪.৪০) টাকা। আর আলোচ্য সময়ে কোম্পানির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে (১১৫.৩৪) টাকা।

প্রসঙ্গত, কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ ৯৫ দফা বাড়ানো হয়েছে। সে হিসেবে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে। প্রথম দফায় ২০১৯ সালের ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর ১৫ দিন পরপর কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে যাচ্ছে ডিএসই। তাতে এ কোম্পানিতে আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।




৯৪ দফা বাড়ল পিপলস লিজিংয়ের লেনদেন বন্ধের মেয়াদ

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসের শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ৯৪ দফা কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হলো।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন আরও ১৫ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে হিসেবে ৭ থেকে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

এর আগে, সর্বশেষ ৯৩ দফায় ১৬ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ ছিল। এর আগে আরও ৯১ দফা কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

প্রথম দফায় ২০১৯ সালের ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর ১৫ দিন পরপর কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে যাচ্ছে ডিএসই। তাতে এ কোম্পানিতে আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।




৯৩ দফা বাড়লো পিপলস লিজিংয়ের লেনদেন বন্ধের মেয়াদ

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসের শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ৯৩ দফা কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হলো।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন আরও ১৫ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে হিসেবে ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

এর আগে সর্বশেষ ৯২ দফায় ১ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ ছিল। এর আগে আরো ৯১ দফা কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

প্রথম দফায় ২০১৯ সালের ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর ১৫ দিন পরপর কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে যাচ্ছে ডিএসই। তাতে এ কোম্পানিতে আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।




৮৯ দফা বাড়লো পিপলস লিজিংয়ের লেনদেন বন্ধের মেয়াদ

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসের শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ৮৯ দফা কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হলো।

মঙ্গলবার (১৩ জুন) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন আরও ১৫ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে হিসাবে ১৩ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

এর আগে সর্বশেষ ৮৮ দফায় ২৯ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ ছিল। এর আগে আরও ৮৭ দফা কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

প্রথম দফায় ২০১৯ সালের ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর ১৫ দিন পরপর কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে যাচ্ছে ডিএসই। তাতে এ কোম্পানিতে আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।




লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আবারো বাড়লো পিপলস লিজিংয়ের

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসের শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ৮৬ দফা কোম্পানির লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হলো।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন আরও ১৫ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে হিসেবে ২৮ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।

এর আগে সর্বশেষ ৮৫ দফায় ১২ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত কোম্পানির লেনদেন বন্ধ ছিল। এর আগে আরো ৮০ দফা কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

প্রথম দফায় ২০১৯ সালের ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এরপর ১৫ দিন পরপর কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে যাচ্ছে ডিএসই। তাতে এ কোম্পানিতে আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।




টাকা ফেরত পেতে ফের পিপলস লিজিং’র আমানতকারীদের মানববন্ধন

পিপলস লিজিং এর ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র গ্রাহকরা টাকা ফেরত পেতে আবারও মানববন্ধন করেছেন। এসময় তারা লাভসহ টাকা ফেরতের দাবি জানান।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর বক্স কালভার্ট রোডে পিপলস লিজিং কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে এ দাবি জানান তারা। এসময় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে তারা বলেন, দুই বছরে বোর্ড কী করেছে, আমরা জানি না। তারা টাকা ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারেনি। পিপলস লিজিং আমানতকারীদের কারণে বন্ধ হয়নি। এটি বন্ধ হওয়ার দায় বাংলাদেশ ব্যাংক কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না। আমাদের টাকা ফেরত দিতে হবে। অবশ্যই লাভসহ দিতে হবে। বোর্ড কবে টাকা ফেরত দেবে, সেটিও বলতে হবে।

ক্ষোভ জানিয়ে তারা বলেন, বোর্ড সদস্যরা প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে সম্মানি নেন। পিপসল লিজিংয়ের সম্পদ ক্রোক করেনি, খেলাপিদের বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বোর্ড মাসে তিনটা মিটিং করে। সেখানে আলোচনায় আসে কীভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-বোনাস বাড়ানো যায়। অথচ আমানতকারীদের অবস্থা করুণ। তারা টাকা রেখে পথে পথে ঘুরছে।

এক আমানতকারী বলেন, আমি আর সহ্য করতে পারছি না। আমার সারাজীবনের জমানো টাকা দিয়ে কেনা ফ্ল্যাটটি বিক্রি করে ছোট্ট একটা বাসায় থাকি। আমার সন্তানের পড়ালেখার খরচ দিতে পারি না। সংসার চালাতে কষ্ট হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যে দাম বেড়েছে আসন্ন রোজা কীভাবে চলবো?

এরই মধ্যে ১৪ জন আমানতকারী মারা গেছেন জানিয়ে তারা বলেন, অসুস্থ রয়েছেন অনেকেই। পিকে হালদারসহ আর্থিক অনিয়মে জড়িতদের শাস্তি দিতে হবে।

মানববন্ধন শেষে পিপলস লিজিং-এর বর্তমান বোর্ডকে স্মারকলিপি দেন তারা। এ নিয়ে ১৪ বার মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিলেন ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র আমানতকারীরা।